মহান আল্লাহ্‌র বাণীঃ বল, সাক্ষ্য প্রদানে সর্বশ্রেষ্ঠ কী? বল, আল্লাহ্‌-(সূরা আন’আম ৬/১৯)। - সহিহ বুখারী | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

সহিহ বুখারী > মহান আল্লাহ্‌র বাণীঃ বল, সাক্ষ্য প্রদানে সর্বশ্রেষ্ঠ কী? বল, আল্লাহ্‌-(সূরা আন’আম ৬/১৯)।

সহিহ বুখারী ৭৪১৭

عبد الله بن يوسف أخبرنا مالك عن أبي حازم عن سهل بن سعد قال النبي صلى الله عليه وسلم لرجل أمعك من القرآن شيء قال نعم سورة كذا وسورة كذا لسور سماها

সাহল ইবনু সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একজনকে বললেন, তোমার কাছে কুরআনের কোন বস্তু আছে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ, অমুক সূরা অমুক সূরা। তিনি সূরাহ্গুলোর নাম বলেছিলেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯১২)


সহিহ বুখারী > আল্লাহ্‌র বাণীঃ তখন তাঁর আরশ পানির ওপর ছিল- (সূরা হূদ ১১/৭)। তিনি আরশে ‘আযীমের প্রতিপালক- (সূরা আত্‌-তাওবাহ ৯/১২৯)।

সহিহ বুখারী ৭৪১৮

عبدان قال أخبرنا أبو حمزة عن الأعمش عن جامع بن شداد عن صفوان بن محرز عن عمران بن حصين قال إني عند النبي صلى الله عليه وسلم إذ جاءه قوم من بني تميم فقال اقبلوا البشرى يا بني تميم قالوا بشرتنا فأعطنا فدخل ناس من أهل اليمن فقال اقبلوا البشرى يا أهل اليمن إذ لم يقبلها بنو تميم قالوا قبلنا جئناك لنتفقه في الدين ولنسألك عن أول هذا الأمر ما كان قال كان الله ولم يكن شيء قبله وكان عرشه على الماء ثم خلق السموات والأرض وكتب في الذكر كل شيء ثم أتاني رجل فقال يا عمران أدرك ناقتك فقد ذهبت فانطلقت أطلبها فإذا السراب ينقطع دونها وايم الله لوددت أنها قد ذهبت ولم أقم

ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে ছিলাম। এমন সময় তাঁর কাছে বনূ তামীম-এর গোত্রটি আসল, নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে লক্ষ্য করে বললেনঃ হে বনূ তামীম। তোমরা সুসংবাদ গ্রহণ কর। উত্তরে তারা বলল, আপনি আমাদেরকে শুভ সংবাদ যখন দিচ্ছেন, তাহলে কিছু দান করুন। এ সময় ইয়ামানবাসী কতিপয় লোক নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সেখানে উপস্থিত হল। নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে বললেনঃ হে ইয়ামানবাসী! তোমাদের জন্য সুসংবাদ। বনূ তামীম তা গ্রহণ করল না। তারা বলল, আমরা গ্রহণ করলাম শুভ সংবাদ। যেহেতু আমরা আপনার কাছে এসেছি দীনী জ্ঞান লাভের উদ্দেশ্যে এবং জিজ্ঞেস করার জন্য এসেছি যে, এ দুনিয়া সৃষ্টির আগে কী ছিল? নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহ্ তখন ছিলেন, তাঁর আগে আর কিছুই ছিল না। তাঁর আরশ তখন পানির ওপর ছিল। অতঃপর তিনি আসমানসমূহ ও যমীন সৃষ্টি করলেন। এবং লাওহে মাহফুযে সব বস্তু সম্পর্কে লিখে রাখলেন। রাবী বলেন, এরপর আমার কাছে এক লোক এসে বলল, হে ‘ইমরান! তোমার উটনী পালিয়ে গিয়েছে, তার খবর লও। আমি উটনীর খোঁজে চললাম। দেখলাম, উটনী মরীচিকার আড়ালে আছে। আলি আল্লাহ্‌র কসম খেয়ে বলছি! আমার মন চাচ্ছিল উটনী চলে যাক তবুও আমি মজলিস ছেড়ে যেন না উঠি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯১৩)


সহিহ বুখারী ৭৪১৯

علي بن عبد الله حدثنا عبد الرزاق أخبرنا معمر عن همام حدثنا أبو هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال إن يمين الله ملأى لا يغيضها نفقة سحاء الليل والنهار أرأيتم ما أنفق منذ خلق السموات والأرض فإنه لم ينقص ما في يمينه وعرشه على الماء وبيده الأخرى الفيض أو القبض يرفع ويخفض

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ আল্লাহ্‌র ডান হাত পূর্ণ, রাত দিনের খরচেও তা কমে না। তোমরা ভেবে দেখেছ কি? আসমানসমূহ ও যমীন সৃষ্টির সূচনা থেকে তিনি কত খরচ করে যাচ্ছেন, তবুও তাঁর ডান হাতের কিছুই কমেনি। তাঁর আরশ পানির ওপর আছে। তাঁর অন্য হাতে আছে দেয়া আর নেয়া। তা তিনি উঠান ও নামান। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯১৪)


সহিহ বুখারী ৭৪২০

أحمد حدثنا محمد بن أبي بكر المقدمي حدثنا حماد بن زيد عن ثابت عن أنس قال جاء زيد بن حارثة يشكو فجعل النبي صلى الله عليه وسلم يقول اتق الله وأمسك عليك زوجك قال أنس لو كان رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم كاتما شيئا لكتم هذه قال فكانت زينب تفخر على أزواج النبي صلى الله عليه وسلم تقول زوجكن أهاليكن وزوجني الله تعالى من فوق سبع سموات وعن ثابت وتخفي في نفسك ما الله مبديه وتخشى الناس نزلت في شأن زينب وزيد بن حارثة

আনাস (রা:) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যায়দ ইব্‌নু হারিসা (রাঃ) অভিযোগ নিয়ে আসলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বলতে লাগলেন, তুমি আল্লাহ্‌কে ভয় কর এবং তোমার স্ত্রীকে তোমার কাছে রেখে দাও। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যদি কোন জিনিস গোপন করতেন, তাহলে এ আয়াতটি অবশ্যই গোপন করতেন। বর্ণনাকারী বলেন, (যাইনাব রাঃ) অপরাপর নবী অন্যান্য কাছে এ বলে গর্ব করতেন যে, তোমাদেরকে বিয়ে দিয়েছে তোমাদের পরিবার-পরিজন, আমার আমাকে স্বয়ং আল্লাহ্ তা‘আলা সাত আসমানের ওপরে বিয়ে দিয়েছেন। বর্ণনাকারী সাবিত (রাঃ) বলেছেন, আল্লাহ্‌র বাণীঃ (হে নবী) আপনি আপনার অন্তরে যা গোপন করতেন আল্লাহ্ তা প্রকাশ করে দিচ্ছেন, আপনি লোকদের ভয় করছিলেন। এ আয়াতটি যাইনাব ও যায়দ ইব্‌নু হারিসাহ (রাঃ) সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছিল।[২১২](আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯১৫)


সহিহ বুখারী ৭৪২১

خلاد بن يحيى حدثنا عيسى بن طهمان قال سمعت أنس بن مالك يقول نزلت آية الحجاب في زينب بنت جحش وأطعم عليها يومئذ خبزا ولحما وكانت تفخر على نساء النبي صلى الله عليه وسلم وكانت تقول إن الله أنكحني في السماء

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, যাইনাব বিন্ত জাহাশ (রাঃ) -কে উপলক্ষ করে পর্দার আয়াত অবতীর্ণ হয়। নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যায়নাবের সঙ্গে তাঁর বিবাহ উপলক্ষে ওয়ালিমা হিসেবে সেদিন রুটি ও গোশ্ত খাইয়েছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর স্ত্রীদের উপর যাইনাব (রাঃ) গর্ব করে বলতেন, আল্লাহ্ তো আসমানে আমার বিয়ের সিদ্ধান্ত করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯১৬)


সহিহ বুখারী ৭৪২২

أبو اليمان أخبرنا شعيب حدثنا أبو الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال إن الله لما قضى الخلق كتب عنده فوق عرشه إن رحمتي سبقت غضبي

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ আল্লাহ্ যখন সকল মাখলূক সৃষ্টি করার কাজ শেষ করলেন, তখন তাঁর আরশের ওপর তাঁরই কাছে লিখে রাখলেন, “আমার রহমত আমার গযব থেকে এগিয়ে গেছে।”(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯১৭)


সহিহ বুখারী ৭৪২৩

إبراهيم بن المنذر حدثني محمد بن فليح قال حدثني أبي حدثني هلال عن عطاء بن يسار عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال من آمن بالله ورسوله وأقام الصلاة وصام رمضان كان حقا على الله أن يدخله الجنة هاجر في سبيل الله أو جلس في أرضه التي ولد فيها قالوا يا رسول الله صلى الله عليه وسلم أفلا ننبئ الناس بذلك قال إن في الجنة مائة درجة أعدها الله للمجاهدين في سبيله كل درجتين ما بينهما كما بين السماء والأرض فإذا سألتم الله فسلوه الفردوس فإنه أوسط الجنة وأعلى الجنة وفوقه عرش الرحمن ومنه تفجر أنهار الجنة

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ যে লোক আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের প্রতি ইমান আনে, সালাত কায়িম করে, রমযান মাসের সওম পালন করে, আল্লাহ্ তাঁর সম্পর্কে এ দায়িত্ব নিয়েছেন যে, তিনি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। সে আল্লাহ্‌র রাস্তায় হিজরাত করুক কিংবা তাঁর জন্মভূমিতে অবস্থান করুক। সাহাবীগণ বলে উঠলেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! এই বিষয়টি আমরা লোকদের জানিয়ে দেব না? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ অবশ্যই, জান্নাতের একশ’টি (মর্যাদার) স্তর রয়েছে। এগুলো আল্লাহ্ তাঁর রাস্তায় জিহাদকারীদের জন্য প্রস্তুত করে রেখেছেন। প্রতি দু’টি স্তরের মাঝে আসমান ও যমীনের দূরত্ব বিদ্যমান। কাজেই যখন তোমরা আল্লাহ্‌র কাছে চাইবে, তখন ফিরদাওস জান্নাত চাইবে। কারণ, সেটি হচ্ছে সবচেয়ে প্রশস্ত ও সবচেয়ে উচ্চ জান্নাত। আর দয়ালু (আল্লাহ্‌র) আরশটি এরই ওপর অবস্থিত। এই ফিরদাওস থেকেই জান্নাতের ঝর্ণাগুলো প্রবাহিত।[২১৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯১৮)


সহিহ বুখারী ৭৪২৪

يحيى بن جعفر حدثنا أبو معاوية عن الأعمش عن إبراهيم هو التيمي عن أبيه عن أبي ذر قال دخلت المسجد ورسول الله صلى الله عليه وسلم جالس فلما غربت الشمس قال يا أبا ذر هل تدري أين تذهب هذه قال قلت الله ورسوله أعلم قال فإنها تذهب تستأذن في السجود فيؤذن لها وكأنها قد قيل لها ارجعي من حيث جئت فتطلع من مغربها ثم قرأ {ذٰلك مستقر لها} في قراءة عبد الله

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি মাসজিদে নাবাবীতে প্রবেশ করলাম। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন সেখানে উপস্থিত ছিলেন। সূর্য অস্ত গেল। তিনি বললেনঃ হে আবূ যার! তোমার কি জানা আছে, এ সূর্য কোথায় যাচ্ছে? আবূ যার (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, আল্লাহ্ ও তাঁর রসূলই সবচেয়ে অধিক জানেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ সূর্য যাচ্ছে এবং অনুমতি চাচ্ছে সাজদাহ করার জন্য। তারপর সাজদাহ্র জন্য তাকে অনুমতি দেয়া হয়। একদিন তাকে নির্দেশ দেওয়া হবে, যেখান থেকে এসেছ সেখানে ফিরে যাও। তখন সে তার অস্তের জায়গা থেকে উদিত হবে। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিলাওয়াত করলেন, “এটিই তার থাকার জায়গা” ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) -এর কিরাআত অনুসারে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯১৯)


সহিহ বুখারী ৭৪২৫

موسى عن إبراهيم حدثنا ابن شهاب عن عبيد بن السباق أن زيد بن ثابت وقال الليث حدثني عبد الرحمن بن خالد عن ابن شهاب عن ابن السباق أن زيد بن ثابت حدثه قال أرسل إلي أبو بكر فتتبعت القرآن حتى وجدت آخر سورة التوبة مع أبي خزيمة الأنصاري لم أجدها مع أحد غيره {لقد جاءكم رسول من أنفسكم} حتى خاتمة براءة حدثنا يحيى بن بكير حدثنا الليث عن يونس بهذا وقال مع أبي خزيمة الأنصاري

যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ বকর (রাঃ) আমার কাছে লোক পাঠালেন। তাই আমি কুরআনের বিভিন্ন অংশ খোঁজ করতে লেগে গেলাম। শেষে সূরা তাওবার শেষের অংশ একমাত্র আবূ খুযাইমাহ আন্সারী (রাঃ) ছাড়া আর কারো কাছে পেলাম না। (আর তা হচ্ছে) لَقَدْ جَاءَكُمْ رَسُولٌ مِنْ أَنْفُسِكُمْ থেকে সূরা বারাআতের শেষ পর্যন্ত। [২৮০৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯২০) ইউনুস (রহ.) থেকে হাদীসটি এরকমই বর্ণনা করেছেন। আবূ খুযায়মা আনসারীর কাছে এ আয়াত পাওয়া গেছে বলে তিনিও বলেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯২১)


সহিহ বুখারী ৭৪২৬

معلى بن أسد حدثنا وهيب عن سعيد عن قتادة عن أبي العالية عن ابن عباس قال كان النبي صلى الله عليه وسلم يقول عند الكرب لا إله إلا الله العليم الحليم لا إله إلا الله رب العرش العظيم لا إله إلا الله رب السموات ورب الأرض رب العرش الكريم

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, দুঃখ কষ্টের সময় নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু‘আ করতেন এ ব’লেঃ আল্লাহ্ ব্যতীত কোন মাবূদ নেই। তিনি সর্বজ্ঞ ও ধৈর্যশীল। তিনি ব্যতীত আর কোন মাবূদ নেই, তিনি মহান আরশের রব। তিনি ব্যতীত কোন মাবূদ নেই, তিনি আসমান-যমীনের রব এবং সম্মানিত আরশের রব।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯২২)


সহিহ বুখারী ৭৪২৭

محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن عمرو بن يحيى عن أبيه عن أبي سعيد الخدري عن النبي صلى الله عليه وسلم قال الناس يصعقون يوم القيامة فإذا أنا بموسى آخذ بقائمة من قوائم العرش

আবূ সা'ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ সা'ঈদ খুদরী (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ ক্বিয়ামতের দিন সব মানুষ বেহুঁশ হয়ে পড়বে। (আমার হুঁশ ফিরলে) তখন আমি মূসা (আঃ) -কে আরশের একটি পায়া ধরে দাঁড়ানো দেখতে পাব।


সহিহ বুখারী ৭৪২৮

وقال الماجشون عن عبد الله بن الفضل عن أبي سلمة عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال فأكون أول من بعث فإذا موسى آخذ بالعرش

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বর্ণনাকারী মাজিশুন 'আব্দুল্লাহ্ ইব্‌নু ফাজল ও আবূ সালামাহ্র মাধ্যমে আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, আমি সবচেয়ে আগে পুনরায় উঠব। তখন দেখব, মূসা (আঃ) আরশ ধরে আছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯১১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯২৩)


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية