📄 আল্-মুকাদ্দিমাহ্ : ইলমে মুস্তালাহ্ ও এর ওপর রচিত প্রসিদ্ধ গ্রন্থাবলী
অনুসন্ধানী পাঠকের একথা স্মরণ রাখা দরকার যে, হাদীস গ্রহণ করার মানদণ্ড ও তা রিওয়ায়াত করার মূল ভিত্তি পবিত্র কুরআন এবং হাদীসেই বিদ্যমান। কুরআন মাজীদে বলা হয়েছে, ‘হে ঈমানদারগণ! কোন ফাসিক ব্যক্তি যদি তোমাদের নিকট কোন খবর নিয়ে আসে তবে তোমরা তার সত্যতা যাচাই করে নাও।’¹
হাদীসে এসেছে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আমার কোন কথা শুনলো, অতঃপর তা হুবহু (অপরের কাছে) যে রূপ শুনলো, সেরূপ পৌছিয়ে দিল। আল্লাহ তাঁর মুখমণ্ডল আলোকোদ্ভাসিত করুন। এমনও হয়ে থাকে যে, যার নিকট হাদীস পৌছানো হয় তিনি শ্রোতা (রাবী) অপেক্ষাও অধিক প্রজ্ঞাবান হন। অন্য বর্ণনায় এসেছে জ্ঞানের বহু ধারক এমন ব্যক্তির নিকট জ্ঞান পৌঁছান, যিনি তাঁর অপেক্ষা অধিক সমঝদার। অন্য বর্ণনায় এসেছে, জ্ঞানের বহু ধারকই প্রকৃত সমঝদার নয়।’²
কুরআন কারীমের উল্লিখিত আয়াত ও এ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, হাদীস গ্রহণ করার ক্ষেত্রে এবং তা স্মৃতি পটে ধারণপদ্ধতি ও অন্যের নিকট পৌঁছানোর ব্যাপারে চূড়ান্ত সতর্কতা অবলম্বন করা অপরিহার্য। হাদীস বর্ণনা ও তা গ্রহণ করার ব্যাপারে সাহাবায়ে কিরাম (রা) আল্লাহ তা’আলা ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর এই নির্দেশ যথাযথভাবে পালন করেছিলেন। বিশেষ করে যখন বর্ণনাকারীর সত্যতা নিয়ে সংশয় দেখা দিত। তাঁদের এই নিষ্ঠার উপর ভিত্তি করেই সনদ সংক্রান্ত বিষয় ও এর মূল্যায়ন ধারা প্রবর্তিত হয়; এবং এর আলোকেই হাদীস গ্রহণ কিংবা বর্জনের মাপকাঠি স্থির করা হয়।
সহীহ মুসলিমের মুকাদ্দিমায় ইবনে সীরীন থেকে বর্ণিত হয়েছে। তিনি বলেন, ‘এমন এক সময় ছিল যখন লোকেরা সনদ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতো না। কিন্তু পরে যখন ফিতনা দেখা দিল তখন লোকেরা হাদীস বর্ণনাকারীদের বললো, তোমরা কোন ব্যক্তির নিকট থেকে হাদীস গ্রহণ করেছো আমাদের কাছে তাঁদের নাম বর্ণনা কর। তাতে দেখা যাবে তারা আহলে সুন্নাত কিনা? যদি তাঁরা এই সম্প্রদায়ের হয় তাহলে তাঁদের হাদীস গ্রহণ করা হবে। আর যদি দেখা যায় তারা বিদআতী তাহলে তাদের হাদীস গ্রহণ করা হবে না।’⁴
অতঃপর বর্ণনাকারীদের চারিত্রিক অবস্থা সম্পর্কে পুরোপুরি অবগত না হয়ে কোন হাদীস গ্রহণ না করার রীতি প্রচলিত হয়; এবং ফলশ্রুতিতে ইলমুল জারহ ওয়াত তা'দীল নামক সমালোচনা শাস্ত্রের উদ্ভব ঘটে। এরপর থেকে শুরু হয় বর্ণনাকারীদের যাচাই-বাছাই এর কাজ- হাদীসের সনদ মুত্তাসিল অথবা মুনকাতি কিনা, হাদীসের মধ্যে অস্পষ্ট-সূক্ষ্ম কোন দোষ ত্রুটি আছে কিনা ইত্যাদি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাজ শুরু হয়। ইতোমধ্যে কোন কোন রাবী সম্পর্কে সমালোচনা শুরু হয়ে যায়। কিন্তু প্রাথমিক অবস্থায় সমালোচিত রাবীর সংখ্যাও ছিল কম। অতঃপর আলিমগণ এ বিষয়ের বিস্তৃতির ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করেন। ফলে হাদীসের সাথে সংশ্লিষ্ট অনেক বিষয়েরই উদ্ভব ঘটে, যেমন-হাদীস সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বর্ণনা পদ্ধতি এবং মানসুখ (রহিত) হাদীস থেকে নাসিখ (রহিতকারী) হাদীস চিহ্নিতকরণ কৌশল ইত্যাদি। তবে তখন পর্যন্ত আলিমদের মধ্যে এ বিষয়গুলোর চর্চা মৌখিকভাবেই সীমাবদ্ধ ছিল।
অতঃপর এর আর একটি পর্যায় অতিবাহিত হলে এ বিষয়গুলো লিখিতভাবে সংরক্ষিত হতে থাকে, কিন্তু তা স্বতন্ত্র পুস্তকাকারে নয়, বরং অন্যান্য বিষয়ের গ্রন্থাদির বিভিন্ন স্থানে সংমিশ্রিত অবস্থায় গ্রন্থিত হয়। যেমন একই গ্রন্থে ইলমুল উসূল, ইলমুল ফিক্হ এবং ইলমুল হাদীস এর ন্যায় বিষয়গুলোর সন্নিবেশ। এ ধরনের গ্রন্থের দৃষ্টান্ত হচ্ছে, ইমাম শাফিঈ (র)-এর কিতাবুল উম্ম ও আররিসালাহ্।
পরিশেষে এ বিষয়গুলো যখন পরিপক্কতা লাভ করে এবং পরিভাষাগুলো স্থিতিশীল হয়ে ওঠে আর প্রত্যেকটি বিষয় যখন অন্যান্য বিষয় থেকে স্বাতন্ত্র্য পেয়ে যায়, তখন আলিমগণ হাদীস সংক্রান্ত পরিভাষা শাস্ত্রের ওপর পৃথকভাবে গ্রন্থ রচনা করেন। এটি হলো হিজরী চতুর্থ শতাব্দীর ঘটনা। এ বিষয়ের ওপর সর্বপ্রথম স্বতন্ত্রভাবে গ্রন্থ রচনা করেন কাযী আবু মুহাম্মদ আল হাসান ইবনে আবদুর রহমান ইবনে খাল্লাদ আর রামুহুরামযী (মৃত্যু: ৩৬০ হি.)। তার গ্রন্থের নাম হচ্ছে আলমুহাদ্দিসুল ফাসিলু বাইনার রাবী ওয়াল ওয়ায়ী। তখন থেকে নিয়ে অদ্যাবধি ইলমুল হাদীসের পরিভাষা বিষয়ক যে সব গ্রন্থ রচিত হয়েছে, তন্মধ্যে প্রসিদ্ধ গ্রন্থসমূহ হলো:
১. আলমুহাদ্দিসুল ফাসিলু বাইনার রাবী ওয়ালওয়ায়ী: ক্বাযী আবু মুহাম্মদ আল হাসান ইবনে আবদুর রহমান ইবনে খাল্লাদ আররামুহুরামযী (মৃত্যু: ৩৬০ হি.)।
২. মা’রিফাতু উলুমিল হাদীস: আবূ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ আল হাকিম নীসাপুরী (মৃত্যু: ৪০৫ হি.)।
৩. আলমুস্তাখরাজু আলা মা’রিফাতি উলুমিল হাদীস: আবু নাঈম আহমাদ ইবনে আবদুল্লাহ আল-ইসপাহানী (মৃত্যু: ৪৩০ হি.)।
৪. আলকিফায়াতু ফী ইলমির রিওয়ায়াহ: আবু বকর আহমাদ ইবনে আলী ইবনে সাবিত (মৃত্যু: ৪৬৩ হি.)।
৫. আলজামিউ লিআখলাকির রাবী ওয়া আদাবিস্ সামি: আল-খতীব আল-বাগদাদী।
৬. আল্ ইলমা ইলা মা’রিফাতি উসূলির রিওয়াতি ওয়া তাকয়ীদিস সীমা: কাযী আয়ায ইবনে মূসা আল ইয়াহাবী (মৃত্যু: ৫৪৪ হি.)।
৭. মা-লা-ইয়াসাউল মুহাদ্দিসু জাহলাহু: আবু হাফস উমর ইবনে আবদুল মাজীদ আল মিয়াজী (মৃত্যু: ৫৮০ হি.)।
৮. উলূমুল হাদীস (মুকাদ্দামাতু ইবনুস্ সালাহ): আবূ আমর উসমান ইবনে আবদুর রহমান আশ শাহারযূরী (মৃত্যু: ৬৪৩ হি.)।
৯. আততাকরীবু ওয়াততাইসীরু লি মা’রিফাতি সুনানিল বাশীরিন্নাযীর: মুহিউদ্দীন ইয়াহইয়া ইবনে শারাফ আনববী (র) (মৃত্যু: ৬৭৬ হি.)।
১০. তাদরীবুর রাবী ফী শারহি তাকরীবিন্ নবী: জালাল উদ্দীন আবদুর রহমান আসসুয়ূতী (মৃত্যু: ৯১১ হি.)।
১১. নাযমুদ্ দুরারি ফী ইলমিল আছার: মাইনুদ্দীন আবদুর রহীম ইবনে আল হুসাইন আল ইরাকী (মৃত্যু: ৮০৬ হি.)।
১২. ফাতহুল মুগীছি ফী শারহি আলফিয়াতিল হাদীস: মুহাম্মদ ইবনে আবদুর রহমান সাখাভী (মৃত্যু: ৯০২ হি.)।
১৩. নুখবাতুল ফিকার ফী মুস্তালাহি আহলিল আছরি: হাফিয ইবনে হাজার আল আসকালানী (মৃত্যু: ৮৫২ হি.)।
১৪. আলমানযুমাতুল বাইকুনিয়্যাহ: উমর ইবনে মুহাম্মাদ আল বাইকুনী (মৃত্যু: ১০৮০ হি.)।
১৫. কাওয়ায়িদুত্ তাহদীস: মুহাম্মাদ জামাল উদ্দীন আল কাসিমী (মৃত্যু: ১৩৩২ হি.)।
টিকাঃ
১. সূরা আল্ হুজুরাত: ৬
২. তিরমিযী, কিতাবুল ইল্ম-ইমাম তিরমিযী বলেন, হাদীসটি হাসান ও সহীহ।
৩. অন্য রিওয়ায়াতে ইমাম তিরমিযী এ হাদীসটিকে শুধু হাসান বলেছেন। আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ ও ইমাম আহমাদও হাদীসটি সংকলন করেছেন।
৪. সহীহ্ মুসলিমের মুকাদ্দিমাহ্।
📄 এ গ্রন্থে ব্যবহৃত ইলমে হাদীসের পরিভাষাসমূহ
অত্র গ্রন্থে আলোচিত ইলমে হাদীসের গুরুত্বপূর্ণ পরিভাষাসমূহ আরবী বর্ণমালার ক্রমানুসারে সাজানো হলো:
- الإتصال আলইত্তিসাল: Connection
- اثر আসার: Report
- إجازة ইজাযাত: Permission
- أحاد আহাদ: Alterted only sparingly
- إرسال ইরসাল: Incomplete naming of transmitters
- إسنাদ ইসনাদ: Chain of transmitters
- الإسناد العالی আল ইসনাদুল আলী: Shorter Chain of transmitters
- الإسناد النازل আল ইসনাদুন নাযিল: Longer Chain of transmitters
- اعتبار ই'তিবার: Transition of other Chain
- اقران আকরান: Equals
- القاب আলকাব: Title
- إنقطاع ইনকিতা: Separation
- بدعة বিদা'আত: Innovation
- تابعین তাবিঈন: Successor of the companion of the prophet (S.A.W)
- تحمل الحديث তাহাম্মুল হাদীস: Receiving of Hadith
- تدلیس তাদলীস: Deceit
- ثقة সিকাহ: Reliable
- جارح জারাহ: Lack of integrity
- حديث হাদীস: Tradition
- الحديث القدسي আলহাদীসুল কুদসী: Divine saying of Allah
- حسن হাসান: Agreeable
- حسن لذاته হাসান লিযাতিহী: Agreeable by itself
- حسن لغیره হাসান লিগাইরিহী: Agreeable owing to the existence of others
- الخبر আল খবর: Report
- راوی রাভী: Narrator
- رواة রুওয়াত: Narrators
- زيادات যিয়াদাত: Additions
- سابق সাবিক: Predecessor
- سماع الحديث সামাউল হাদীস: Listening to the Hadith
- السنة আসসুন্নাহ: Way of life of the Holy Prophet (SAW)
- سنل সানাদ / সনদ: Chain of Transmitters
- سوء الحفظ সুউল হিফয: Inaccuracy of Memory
- شاذ শায: Alone
- شاهد শাহিদ: Supporter
- صحابی সাহাবী: Companion of the Prophet (SAW)
- صحيح সহীহ: Authentic
- صحيح لذاتة সহীহ লিযাতিহী: Authentic by itself
- صحيح لغيره সহীহ লিগাইরিহী: Authentic owing to presence of others
- صيغ الأداء সিয়াগুল আদা: Words used for narration of the Hadith
- ضبط যাবত: Accurate memory
- ضعیف যঈফ: Weak
- عدالة আদালাত: Reliability of transmitter
- عزيز আযীয: Strong
- العلة আল ইল্লাত: Defect
- غريب গারীব: Rare
- فرد ফারদ: Single
- کنى কুনা: Patronymic
- لاحق লাহিক: Attached
- لقب লাকাব / লকব: Title
- مبهم মুবহাম: Obscure
- متابع মুতাবে: Concurring
- متروك মাতরূক: Abandoned
- متشابه মুতাশাবিহ: Similar
- متصل মুত্তাসিল: Unbroken chain
- متفق মুত্তাফাকুন: Agreed upon
- متن মতন: Text
- متواتر মুতাওয়াতির: Recurrent
- محرف মুহাররাফ: Interposed
- محفوظ মাহফুয: Secured
- محكم মুহকাম: Strengthened
- مختلف মুখতালিফ: Different
- مدج মুদাব্বাজ: Embellished
- مدرج মুদরাজ: Inserted
- مدلس মুদাল্লাস: With concealed evidence
- مردود মারদুদ: Rejected
- مرسل মুরসাল: Incompletely transmitted
- مرفوع মারফু: Elevated up to the prophet
- مستفيض মুস্তাফিয: Widespread
- مسلسل মুসালসাল: Continuous
- مسند মুসনাদ: Transmitted with complete chain
- مشهور মাশহুর: Well-known
- مصحফ মুসাহহাফ: Distorted
- مضطرب মুযতারিব: Shaky
- معروف মারূফ: Familiar
- معضل মুদাল: Problematic
- معلق মুআল্লাক: Hanging
- معلل মুআল্লাল: Defective
- معنن মুআনআন: A hadith narrated with word "an"
- مفترق মুফতারিক: Scattered
- مقبول মাকবুল: Admitted
- مقطوع মাকতু: Cut-off
- مقلوب মাকলূব: Inverted
- منسوح মানসুখ: Abrogated
- منقطع মুনকাতি: Interrupted
- منكر মুনকার: Unfamiliar
- موالی মাওয়ালী: Mawla-plural
- مؤتلف মুতালিফ: Similar
- موضوع মাওযূ: Fabricated
- موقوف মাওকুফ: Suspended
- مولی মাওলা: A liberated slave
- مؤنن মুআননান: A hadith narrated with Anna
- مهمل মুহমাল: Unattended
- ناسخ নাসিখ: Abrogater
- وجادة ভিজদাহ: Unattended
- وحدان উহদান: Single
- وضاع ওয়াদ্দা: Fabricator of tradition
📄 গ্রন্থপঞ্জী
১. আল্-কুরআনুল করীম।
২. খতীব আল বাগদাদী : তারীখু বাগদাদ, বৈরুত, দারুল কিতাব আল-আরাবী।
৩. ইমাম সুয়ূতী : তাদরীবুর রাবী ফী শারহি তাকরীবিন নববী, ২য় সং, ১৩৮৫ হি.।
৪. ইমাম নববী : আত্-তাক্বীব, ২য় সং, ১৩৮৫ হি.।
৫. ইমাম শাফিঈ : আর-রিসালাহ, আহমাদ মুহাম্মদ শাকির-এর টীকা সম্বলিত।
৬. আল-কাত্তানী : আর্-রিসালাহ্ আল্-মুস্তাতরাফা লি-বায়ানি মাহুরি কুতুবিস্-সুন্নাহ্ আল-মুশাররাফাহ, দারুল ফিক্স।
৭. ইমাম তিরমিযী : সুনান তিরমিযী মাআ শারহিহী তুহফাতুল আহওয়াযী, মিসরীয় সংস্করণ।
৮. ইমাম আবু দাউদ : সুনানু আবী দাউদ, হিন্দুস্তানী সংস্করণ।
৯. ইমাম ইবনে মাজাহ : সুনানু ইবনে মাজাহ্, ঈসা আল-বাবী আল-হালাবী কোং লি., ১৩৭২ হি.।
১০. ইমাম দারা কুতনী : সুনানু দারাকুতনী, পরিমার্জন ও সম্পাদনায় সাইয়্যেদ আবদুল্লাহ্ হাশিম আল-ইয়ামানী।
১১. ইমাম আল-ইরাকী : শারহু আল-ফিয়াতুল ইরাকী।
১২. ইবনে হাজার : ফাতহুল বারী, কায়রো, ১৩৮০ হি.।
১৩. ইমাম বুখারী : সহীহ্ আল-বুখারী, ১২৯৬ হি.।
১৪. ইমাম মুসলিম : সহীহ্ মুসলিম, মিসরীয় সংস্করণ, ১৩৪৭ হি.।
১৫. ইবনুস সালাহ্ : উলূমুল হাদীস (ড. নূরুদ্দীন আত্তারের টীকা সম্বলিত), ১৩৮৬ হি.।
১৬. ইমাম সাখাবী : ফাতহুল মুগীছ, মদীনা মুনাওয়ারা, আল-মাকতাবা আস-সালাফিয়াহ।
১৭. ফীরুযাবাদী : আল্-কামুস আল-মুহীত, মিসর, আল-মাতবা আল-মায়মানিয়া।
১৮. খতীব আল-বাগদাদী : আল্-কিফায়াহ, হিন্দুস্তা, দায়িরাতুল মাআরিফ, ১৩৫৭ হি.।
১৯. খতীব আল-বাগদাদী : আল্-মুত্তাফিক ওয়াল মুফতারিক (পাণ্ডুলিপি)।
২০. হাকিম নীসাপুরী : আল্-মুস্তাদরাক, রিয়াদ, মাকতাবাতুন্ নস্র ওয়াল হাদীসাহ্।
২১. হাকিম নীসাপুরী : মা'রিয়াফাতু উলূমিল হাদীস, ১৩৬৭ হি.।
২২. ইমাম খাত্তাবী : মা'লিমুস্ সুনান, মাতবাআ আন্সারুস্ সুন্নাহ আল্-মুহাম্মাদিয়াহ্, ১৩৬৭ হি.।
২৩. ইমাম যাহাবী : মীযানুল ই'তিদাল, ১৩৮২ হি.।
২৪. ইমাম মালিক : আল্-মুয়াত্তা (মুহাম্মাদ ফুয়াদ আবদুল বাকী টীকা সম্বলিত), ১৩৭০ হি.।
২৫. ইবনে হাজার : নুযহাতুন-নাযর শারহু নুখবাতিল ফিক্, মদীনা মুনাওয়ারা।
২৬. ইবনে হাজার : নুখবাতিল ফিক্ শারহু নুযহাতিন্ নাযর, মদীনা মুনাওয়ারা।