📄 রাসূল (ﷺ) কয়তি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন
রাসূল সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর জীবনে মোট সাতাশটি জিহাদে সরাসরি নেতৃত্ব দিয়েছেন। মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক, ওয়াকেদী, ইবনে সাদ উক্ত মতের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করেছেন। কিন্তু সা'ঈদ ইবনে মুসাইয়্যাবের মতে, ২৪ টি এবং জাবের ইবনে আব্দুল্লাহর মতে ২১ টি এবং যায়েদ ইবনে আরকামের মতে ১৯ টি, মূসা ইবনে ওকবার মতে ৮ টি ।
মূলত سرية غزوة جيش بعث এর সংজ্ঞা নিরূপণে পার্থক্য থাকার কারণে উক্ত মতপার্থক্য পরিলক্ষিত হয়।
📄 মহানবী সা এর সমর জিবনের বিভিন্ন দিকের পর্যালোচনা
যদি আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সমর জীবনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো পর্যালোচনা করি তাহলে আমাদের কাছে স্পষ্ট হয়ে যাবে যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম একজন সমরবিদ হিসেবে কত উচ্চ আসনের ছিলেন। যোদ্ধা হিসেবে তিনি কেমন ছিলেন? সাহাবায়ে কিরামকে তিনি কিভাবে প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। তার যুদ্ধ উপকরণ কেমন ছিল? যুদ্ধের ময়দানে তিনি কেমন কৌশল অবলম্বন করেন? নিম্নের আলোচনা থেকে এসব প্রশ্নের উত্তর আমরা সহজেই পেয়ে যাব।
📄 প্রতিরক্ষা খাতের স্থান নির্বাচন
হিজরতের পূর্বে রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন অভিযান পরিচালনা করেন নি। তাই তাঁর সমর জীবনের ইতিহাস হিজরত সংঘটিত হওয়ার পরই শুরু হয়েছে। যেমন আমরা দেখতে পাই যে তিনি হিজরতের পরই মদীনাতে মুসলিম, ইয়াহুদী গোত্রগুলো নিয়ে যে রাষ্ট্র গঠন করেন তাতে তিনি সবচেয়ে গুরুত্ব দিয়েছিলেন প্রতিরক্ষা খাতকে। শহরের অভ্যন্তরে থেকে তারা শত্রুর মোকাবেলা করবে না কি শহরের বাইরে গিয়ে অবস্থান নিবে সে সিদ্ধান্ত গ্রহণের অধিকার তার উপর ন্যস্ত ছিল।
📄 সামরিক চুক্তিস্থাপন
সামরিক চুক্তি, এটা রাসূলের জীবনের সামরিক তৎপরতার অন্যতম কাজ। যা তার সামরিক জীবনকে তাৎপর্যমন্ডিত করেছে। মদিনায় নিরাপত্তা বিধানের জন্য তিনি পার্শ্ববর্তী গোত্রগুলোর সঙ্গে সামরিক চুক্তি সম্পাদন করেন। মদীনার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে শক্তিশালীকরণ ও তাকে বহিঃশত্রুর আক্রমণ থেকে মুক্ত করাই ছিল মূল লক্ষ্য। শত্রুপক্ষকে শহর রাষ্ট্র মদীনার মিত্রদের আক্রমণ করেই তৃপ্ত থাকতে হত, বড় জোর এটা হতে পারত মদীনা আক্রমণের ওয়ার্নিংস্বরূপ। ফলে মদিনার চতুর্দিকে এক নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি হল।