📘 প্রচলিত মানহাজ > 📄 সালাতে হাত বাঁধার বিধান

📄 সালাতে হাত বাঁধার বিধান


সালাতে হাত বাঁধা নিয়ে আজ মুসলমানরা চরম বিতর্কে লিপ্ত। কেউ বলে নাভির নিচে হাত বাঁধা সুন্নত। আবার কেউ বুকে হাত বাঁধাকে সুন্নত বলে। অথচ হাত বাঁধার স্থান উল্লেখসহ রাসূল ﷺ থেকে একটা হাদিসও পরিপূর্ণ সহিহ সনদে বর্ণিত হয়নি।

ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রহ.) সালাতের মধ্যে হাত বাঁধার বিধান বইটিতে সনদভিত্তিক হাদিসের পর্যালোচনা করে দেখিয়েছেন, স্থান উল্লেখবিষয়ক সব হাদিসই দুর্বল। তবে স্থান উল্লেখ ছাড়া বাম হাতের ওপর ডান হাত রাখার হাদিস সংখ্যা ১২টির বেশি। এর মধ্যে আটটি হাদিস সন্দেহাতীতভাবে সহিহ।

এর মধ্যে কোনো হাদিসে ডান হাত দিয়ে বাম হাত ধরতে বলা হয়েছে কিংবা বাম হাতের ওপর ডান হাত রাখতে বলা হয়েছে।৩২১ কোনো হাদিসে বাম হাতের পিঠ, কবজি ও বাহুর ওপর ডান হাত রাখার কথা বর্ণিত হয়েছে।৩২২ কোনো হাদিসে বাম হাতের কবজির কাছে ডান হাত রাখার কথা বলা হয়েছে। আবার কোনো হাদিসে ডান হাত বাম হাতের বাহুর ওপর রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।৩২৩

এসব হাদিসের ভিত্তিতে অধিকাংশ ইমাম বলেন-'ডান হাতের ওপর বাম হাত রাখাই মূলত ইবাদত। যে স্থানেই হাত রাখুক সুন্নত আদায় হবে। হাত রাখার স্থান নির্ধারণের বিষয়টি সম্পূর্ণ মুসল্লির ইচ্ছার ওপর নির্ভরশীল। তবে ইমাম আবু হানিফা ও ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল (রহ.)-এর মতে, নাভির নিচে হাত বাঁধা উত্তম।

ইমাম আহমদ (রহ.) বুকে হাত রাখাকে মাকরুহ বলেছেন। তিনি বলেন- أسفل السرة بقليل ويكره أن يجعلهما على الصدر 'নাভির সামান্য নিচে (হাত রাখবে)। তবে বুকের ওপর রাখা মাকরুহ।'৩২৪

ইমাম শাফেয়ি (রহ.)-এর প্রসিদ্ধ মত হচ্ছে, বুকের নিচে ও নাভির ওপরে হাত রাখবে।৩২৫

ইমাম মালিক (রহ.)-এর মতে, দেহের পাশে হাত ঝুলিয়ে রাখবে। অবশ্য তাঁর এ মতের পক্ষে স্পষ্ট কোনো হাদিস নেই। তবে কিছু সাহাবি ও তাবেয়ি এর ওপর আমল করেছেন বলে জানা যায়। তাঁদের মধ্যে (সাহাবি) আব্দুল্লাহ ইবনে জুবাইর (রা.), (তাবেয়ি) হাসান বসরি, ইবরাহিম নাখায়ি ও ইবনে সিরিন (রহ.) অন্যতম।৩২৬

সালাতে হাত রাখার ব্যাপারে ইমাম নববি (রহ.) চারটি মত উল্লেখ করেছে- ১. নাভির ওপরে এবং বুকের নিচে রাখা। ২. নাভির নিচে রাখা। ৩. বিষয়টি মুসল্লির ইচ্ছাধীন। ৪. হস্তদ্বয় ঝুলিয়ে রাখা।৩২৭

ইমাম তিরমিজি (রহ.) ডান হাত দিয়ে বাম হাত ধরার বর্ণনাসংবলিত একটি হাদিস উল্লেখ করে বলেন- 'সাহাবি, তাবেয়ি ও পরবর্তী যুগের আলিমগণ এ হাদিসের ওপর আমল করেছেন। তাঁরা বলেছেন-সালাতের মধ্যে মুসল্লি ডান হাত বাম হাতের ওপর রাখবে। কারও মতে, হাত দুটি নাভির ওপরে রাখবে। আবার কারও মতে, তা রাখবে নাভির নিচে। বিষয়টি তাদের মতে প্রশস্ত।৩২৮

ইমাম তিরমিজি (রহ.)-এর মতে, হাত রাখা সুন্নত। রাখার স্থানটি প্রশস্ত। নাভির ওপরে বা নিচে রাখা যেতে পারে। বুকের ওপরে হাত রাখার কোনো মত তিনিও উল্লেখ করেননি। মূলত বুকে হাত বাঁধার মতটি প্রাচীন মুহাদ্দিস ও ফকিহদের মধ্যে পাওয়া যায় না। ফকিহদের বক্তব্য পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, বুকে হাত বাঁধার বিষয়টি প্রথম হিজরি সপ্তম শতকের হানাফি ফকিহরা গ্রহণ করেন। তাঁরা বলেন-'মহিলাদের জন্য বুকের ওপর হাত রাখা উত্তম। কারণ, এটা তাদের আবরু রক্ষার জন্য বেশি উপযোগী।'৩২৯

এ থেকে সহজেই বোঝা যায়, রাসূল ﷺ-এর ইন্তেকালের প্রায় ৬০০ বছর পর পুরুষ ও মহিলার নামাজের পার্থক্য আবিষ্কার হয়েছে। আর তা কিছু আলিমের গবেষণামাত্র। সরাসরি হাদিস দিয়ে তা প্রমাণিত নয়।

উপরোল্লিখিত আলোচনা থেকে আমরা হাত রাখার তিনটি পদ্ধতির কথা জানতে পারি। যথা-
১. তালুর ওপর তালু রাখা।
২. কবজির ওপর তালু রাখা। এই দুই পদ্ধতিতে হাত রাখলে নাভির নিচে বা ওপরে রাখা যায়।
৩. বাম হাতের তালু, কবজি ও বাহুর ওপর ডান হাত রাখা। বাহু বলতে কনুই থেকে মধ্যমা আঙুলের শেষ পর্যন্ত বোঝায়। এই পদ্ধতি অবলম্বন করলে বুকে বা বুকের নিচে হাত রাখা যায়।

মুসল্লির এই তিন পদ্ধতির যেকোনোটি অবলম্বনের সুযোগ রয়েছে। কারণ, হাত রাখার বিষয়টি শরিয়তে প্রশস্ত। শুধু নিজের মত প্রতিষ্ঠার জন্য শরিয়তে প্রশস্ত বিষয়কে সংকীর্ণ করার অধিকার কারও নেই। এ ছাড়া এ তিনটি পদ্ধতিই সুন্নত নির্দেশিত ও সমর্থিত। এর কোনো একটিকে গ্রহণ করে অন্যগুলো বাতিল বলা উচিত নয়; বরং সম্ভব হলে একটার ওপর অবিচল না থেকে, সময়ের ভিন্নতায় সবগুলোর ওপর আমল করা উত্তম।

টিকাঃ
৩২১. মুসনাদে আহমদ : ১৮৮৫০, কুবরা লিল বায়হাকি : ২৩২৪, ইবনে হিব্বান : ১৭৭০
৩২২. আবু দাউদ : ৭২৭
৩২৩. বুখারি : ৭৪০
৩২৪. ইবনুল কাইয়্যিম, বাদাইউল ফাওয়াইদ : ৩/৯১
৩২৫. ইমাম নববি, মাজমুউ: ৩/৩১০
৩২৬. ইবনুল মুনজির, আল আউসাত: ১২৮৭
৩২৭. নববি, শরহে মুসলিম: ৪/১১৪
৩২৮. তিরমিজি: ২৫২
৩২৯. ড খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর, সালাতের মধ্যে হাত বাঁধার বিধান, (আস-সুন্নাহ পাবলিকেশন্স, ঝিনাইদহ, ২০১৭), পৃষ্ঠা-৮৬।

📘 প্রচলিত মানহাজ > 📄 উপসংহার

📄 উপসংহার


রাসূল ﷺ-এর জীবদ্দশায় কোনো মতভেদের উদ্ভব হয়নি। কেননা, সাহাবিরা সমস্যার সম্মুখীন হলে রাসূলের কাছে যেতেন। তিনি তার সমাধান দিতেন। নবি ﷺ ইন্তেকালের মধ্য দিয়ে ওহির দরজা বন্ধ হয়ে যায়, কিন্তু নতুন নতুন সমস্যার উদ্ভব হওয়া থেকেই যায়। এসব বিষয়ের কোনোটিতে সাহাবিগণ একমত হয়েছেন, আবার কোনোটিতে মতবিরোধ করে নিজের মতের ওপর আমল করেছেন। কারণ, ওহির জ্ঞান ছাড়া প্রকৃত সত্য উদ্‌ঘাটন করা সম্ভব নয়।

রাসূল ﷺ-এর ইন্তেকালের মধ্য দিয়ে গবেষণা ও ইজতিহাদের দরজা খুলে যায়। তাই শরিয়াহর বিভিন্ন মাসয়ালা নিয়ে সাহাবি, তাবেয়ি, ইমাম ও ফকিহগণ কুরআন-সুন্নাহর আলোকে গবেষণা শুরু করেন। এ গবেষণা করতে গিয়ে তাঁদের মধ্যে বিভিন্ন মতের উদ্ভব হয়। এ মতভেদ থাকা সত্ত্বেও তাঁদের মধ্যে স্বাভাবিক সৌহার্দ ও সম্প্রীতি অটুট থাকে।

ফিকহি বিষয়ে মতবিরোধ সত্ত্বেও ইসলামের দুশমনদের ব্যাপারে তাঁরা ছিলেন ঐক্যবদ্ধ। এই মতপার্থক্যের সুযোগ নিয়ে কোনো ইহুদি-খ্রিষ্টশক্তি তাঁদের একে অন্যের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে পারেনি; কিন্তু আজ আমরা একই বিষয়ে মতবিরোধ করে বিভক্ত হয়ে পড়েছি বিভিন্ন দলে-উপদলে। ফলে বিপরীত মতের কারও ওপর জুলুম-নির্যাতন এলে আমরা দুঃখ পাওয়ার বদলে আনন্দে আত্মহারা হয়ে উঠি।

শরিয়াহর ছোটোখাটো বিষয়ে মতবিরোধ করে আলিম-গবেষকদের বিচ্ছিন্নতা, শিরক, কুফর, বিদআত, অনাচার, পাপাচার, অশ্লীলতা, জুলুম ও প্রবঞ্চনার মহা সয়লাবে তাদের নীরবতা আমাদের নিদারুণ কষ্ট দেয়। ইখতেলাফি বিষয়কে বিচ্ছিন্নতার কারণ না বানিয়ে তাওহিদের ভিত্তিতে আমাদের এক থাকা প্রয়োজন। আমরা যদি আল্লাহর রুজ্জুকে আঁকড়ে ধরে নিজ নিজ মতের ওপর আমল করি, দলাদলি ও বিচ্ছিন্নতা পরিত্যাগ করে ঐক্যবদ্ধ থাকি, তাহলে কোনো বাতিল শক্তিই আমাদের পদানত করতে পারবে না, ইনশাআল্লাহ!

পরিশেষে বিনীতভাবে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছি-হে আল্লাহ! তুমি আমাদের অন্তরগুলোকে রাসূল ﷺ-এর সুন্নতের অনুগত করে দাও। মতবিরোধপূর্ণ বিষয়ে খাইরুল কুরুনের নেককার মানুষদের পন্থা অবলম্বনে মুসলিম জাতিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার তাওফিক দাও, আমিন!

📘 প্রচলিত মানহাজ > 📄 গ্রন্থপঞ্জি

📄 গ্রন্থপঞ্জি


বইটি রচনা করতে যে সকল গ্রন্থ থেকে তথ্য গ্রহণ করা হয়েছে বা উদ্ধৃতি নেওয়া হয়েছে, তার একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা নিম্নে প্রদান করা হলো। পাঠক ও গবেষকদের সুবিধার্থে গ্রন্থকারগণের মৃত্যু তারিখের ভিত্তিতে ঐতিহাসিক ক্রম অনুসারে সাজানো হলো।

১. আল কুরআনুল কারিম।
২. আবু হানিফা, নুমান সাবিত, (মৃ. ১৫০ হি.) আল-ফিকহুল আকবার, (সংযুক্ত আরব আমিরাত, মাকতাবাতুল ফুরকান, ১ম প্রকাশ, ১৯৯৯ খ্রি.)
৩. মালিক বিন আনাস (মৃ. ১৭৯ হি.), আল-মুয়াত্তা, (আবুদাবি, আরব আমিরাত, মুআসসাতু জায়েদ বিন সুলতান, ১ম প্রকাশ, ২০০৪ খ্রি.)
৪. মালিক বিন আনাস, মুয়াত্তা মালিক বিরিওয়াতি মুহাম্মাদ বিন হাসান আশ শায়বানি, (আল মাকতাবাতুল ইলমিয়াহ, তা.বি.)
৫. শায়বানি মুহাম্মাদ ইবনে হাসান (মৃ. ১৮৯ হি.), মুয়াত্তা ইমাম মুহাম্মাদ, (অনুবাদ মাওলানা মুহাম্মাদ মুসা, আহসান পাবলিকেশন, মগবাজার, ঢাকা, ২য় প্রকাশ, ২০১৫)
৬. শায়বানি, আল-মাবসুত, (করাচি, পাকিস্তান, এদারাতুল কুরআন, তা, বি.)
৭. শাফেয়ি, মুহাম্মাদ বিন ইদ্রিস (মৃ. ২০৪ হি.), আল উম্ম, (বৈরুত, দারুল মা'রিফাহ, ১৯৯০ খ্রি.)
৮. ইবনে আবি শাইবা, আবু বকর আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ (মৃ. ২৩৫ হি.), আল-মুসান্নাফ, (রিয়াদ, মাকতাবাতুর রুশদ, ১ম প্রকাশ, ১৪০৯ হি.)
৯. আহমদ ইবনে হাম্বল (২৪১ হি.), আল মুসনাদ, (মুআসসাসাতুর রিসালাহ, ১ম প্রকাশ, ২০০১ খ্রি.)।
১০. বুখারি, মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাইল (মৃ. ২৫৬ হি.), আস-সহিহ, (দারু তাওকিন নাজাত, ১ম প্রকাশ, ১৪২২ হি.)
১১. বুখারি, সহিহ আদাবুল মুফরাদ, (দারুদ সিদ্দিক, ৪র্থ প্রকাশ ১৯৯৭ খ্রি.)
১২. বুখারি, জুজউল কিরাআতি খালফুল ইমাম, (মাকতাবাতুস সালাফিয়্যাহ, ১৯৮০ খ্রি.)
১৩. বুখারি, রফউল ইয়াদাইনি ফিস সালাহ, (কুয়েত, দারুল আরকাম, ১৯৮৩ খ্রি.)
১৪. মুসলিম ইবনেল হাজ্জাজ (মৃ. ২৬১ হি.), আস-সহিহ, (বৈরুত, দারু এহইয়ায়িত তুরাসিল আরাবি, তারিখবিহীন)
১৫. ইবনে মাজাহ, মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াজিদ (মৃ. ২৭৩ হি.), আস-সুনান, (দারু এহইয়াউল কুতুবিল আরবি: শামেলা)
১৬. আবু দাউদ, সুলাইমান ইবনে আশআস (মৃ. ২৭৫ হি.), আস-সুনান, (বৈরুত, আল- মাকতাবাতুল আছরিয়‍্যাহ, তা. বি.)
১৭. তিরমিজি, মুহাম্মাদ ইবনে ঈসা (মৃ. ২৭৯ হি.), আস-সুনান, (আল মাকতাবাতুশ-শামেলা)।
১৮. মুহাম্মাদ ইবনে নাসর আল মারওয়াজি (মৃ. ২৯৪ হি.), মুখতাসারু কিয়ামুল লাইল, (ফাইসাল আবাদ, পাকিস্তান, হাদিস একাডেমি, ১ম মুদ্রণ, ১৯৮৮ খ্রি.)
১৯. নাসায়ি, আহমদ ইবনে শুয়াইব (মৃ. ৩০৩ হি.), আস-সুনান, (হালাব, মাকতাবুল মাতবুআতিল ইসলামিয়্যাহ, ৩য় মুদ্রণ, ১৯৮৬)।
২০. নাসায়ি, আস-সুনানুল কুবরা, (বৈরুত, মুআসসাসাতুর রিসালাহ, ১ম প্রকাশ, ২০০১)।
২১. ইবনে খুজাইমা, আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক (মৃ. ৩১১ হি.), আস-সহিহ, (বৈরুত, আল-মাকতাবাতুল ইসলামি)।
২২. ইবনে মুনজির, মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহিম নিশাপুরী (মৃ. ৩১৯), (রিয়াদ, সৌদি আরব, দারুত তাইয়্যিবাহ, ১ম প্রকাশ: ১৯৮৫ খ্রি.)।
২৩. তাহাবি, আবু জাফর আহমদ ইবনে মুহাম্মাদ (মৃ. ৩২১ হি.), শারহু মাআনিল আসার, (আ'লামিল কুতুব, ১ম মুদ্রণ, ১৯৯৪ খ্রি.)
২৪. ইবনে হিব্বান, আবু হাতিম মুহাম্মাদ (মৃ. ৩৫৪ হি.), আস-সহিহ, (বৈরুত, মুআসসাসাতুর রিসালাহ, ৩য় প্রকাশ, ১৯৯৩ হি.)
২৫. তাবরানি, সুলাইমান ইবনে আহমদ, (মৃ. ৩৬০ হি.), আল মুজামুল কাবির, (কায়রো, মাকতাবাতু ইবনে তাইমিয়া, ১৯৯৪)
২৬. ইবনে হাজম, আলি ইবনে আহমদ, (মৃ. ৪৫৬), আল মুহাল্লা, (বৈরুত, দারুল ফিকর, তা. বি.)
২৭. বায়হাকি, আহমদ ইবনে হোসাইন (মৃ. ৪৫৮ হি.), আল আসমা ওয়াস সিফাত, (সৌদি আরব, জেদ্দা, মাকতাবাতুস সাওয়াদি, ১ম প্রকাশ, ১৯৯৩ খ্রি.)
২৮. বায়হাকি, আস-সুনানুল কুবরা, (বৈরুত, লেবানন, দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ, ৩য় প্রকাশ, ২০০৩)
২৯. বায়হাকি, আল ইতিকাদ, (বৈরুত, দারুল আফাক আল-জাদিদাহ, ১ম প্রকাশ, ১৪০১ হি.)
৩০. ইবনে আবদিল বার (মৃ. ৪৬৩ হি.), আল ইসতিজকার, (বৈরুত, দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ, ১ম প্রকাশ, ২০০০ খি.)
৩১. ইবনে আবদিল বার, আল ইনসাফ, (সৌদি আরব, আদওয়াউ সালাফ, ১৯৯৭ খ্রি.)
৩২. খতিব বাগদাদি, আহমদ ইবনে আলি (মৃ. ৪৬৩ হি.), নসিহাতু আহলিল হাদিস, (মাকতাবাতুল মানার, ১৪০৮ হি.)
৩৩. সারাখসি, মুহাম্মাদ ইবনে আহমদ (মৃ. ৪৮৩ হি.) আল-মাবসুত, (বৈরুত, দারুল মা'রেফা, তা. বি.)
৩৪. গাজ্জালি, আবু হামিদ মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ (মৃ. ৫০৫ হি.), এহইয়াউ উলুমুদ্দিন, (বৈরুত, দারুল মা'রেফা)
৩৫. ইবনে কুদামা, আহমদ বিন মুহাম্মাদ, (মৃ. ৬২০ হি.) আল-মুগনি, (মাকতাবাতুল কায়রো, তা. বি.)
৩৬. কুরতুবি, মুহাম্মাদ ইবনে আহমদ (মৃ. ৬৭১ হি.), তাফসির আল-জামিয়িলি আহকামিল কুরআন, (কায়রো, দারুল কুতুবিল মিসরিয়‍্যাহ, ৩য় প্রকাশ, ১৯৬৪ খ্রি.)
৩৭. নববি, ইয়াহইয়া ইবনে শারফ (মৃ. ৬৭৬ হি.), মাজমুউ, (বৈরুত, দারুল ফিকর, তা. বি.)
৩৮. নববি, শরহে সহিহ মুসলিম, (বৈরুত, দারু ইহইয়াউত-তুরাসিল আরাবি, ২য় মুদ্রণ, ১৩৯২ হি.)
৩৯. ইবনে তাইমিিয়া, আহমদ ইবনে আব্দুল হালিম (মৃ. ৭২৮), রাফ'উল মালাম, (আল-মাকতাবাতুশ শামিলা)
৪০. ইবনে তাইমিয়া, মাজমুউল ফাতাওয়া (শামিলা)
৪১. বদরুদ্দিন, আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন ইবরাহিম (মৃ. ৭৩৩হি.), ই'জাহুদ দলিল, (মিশর, দারুস সালাম, ১ম প্রকাশ, ১৯৯০ খ্রি.)
৪২. ইবনুল কাইয়্যিম, মুহাম্মাদ ইবনে আবি বকর (মৃ. ৭৫১ হি.), জাদুল মা'আদ, (বেরুত, মুআসসাতুর রিসালাহ, ১৯৯৪ খ্রি.)
৪৩. ওলিউদ্দিন, মুহাম্মাদ ইবনে আব্দিল্লাহ (মৃ. ৭৪১ হি.), মিশকাতুল মাসাবিহ, (বৈরুত, আল-মাকতাবুল ইসলামি, ৩য় প্রকাশ, ১৯৮৫)।
৪৪. ইবনুল কাইয়্যিম (মৃ. ৭৫১), বাদাইউল ফাওয়াইদ, (বৈরুত, লেবানন, দারুল কুতুবিল আরাবি, তা. বি.)
৪৫. জাইলাই, জামালুদ্দিন, (মৃ. ৭৬২ হি.), নাসবুর রায়া, (জিদ্দা, সৌদি আরব, দারুল কিবলাতি লিস সিকাফাতিল ইসলামিয়্যা, ১৯৯৭ খ্রি.)
৪৬. ইবনে কাসির, ইসমাইল ইবনে উমর (মৃ. ৭৭৪ হি.), তাফসিরুল কুরআনিল আজিম, (দারুদ তাইয়্যীবাহ, ২য় মুদ্রণ, ১৯৯৯ খ্রি. শামেলা)
৪৭. ইবনে হাজার আসকালানি, আহমদ ইবনে আলি (মৃ. ৮৫২ হি.), ফাতহুল বারি, (বৈরুত, দারুল মারিফাহ, ১৩৭৯ হি.)
৪৮. ইবনে হাজার আসকালানি, আত-তালখিসুল হাবির, (দারুল কতুবিল ইলমিয়্যাহ, ১৯৮৯ হি.)
৪৯. বদরুদ্দিন আইনি, মাহমুদ ইবনে আহমদ (মৃ. ৮৫৫ হি.), উমদাতুল কারি শরহে সহিহুল বুখারি, (বৈরুত, দারুল এহইয়ায়িত তুরাসিল আরবি)
৫০. বদরুদ্দিন আইনি (মৃ. ৮৫৫ হি.), শরহে আবি দাউদ, (মাকতাবাতুর রুশদ, রিয়াদ, ১৯৯৯ খ্রি.)
৫১. ইবনে হুমাম, কামালদ্দিন, (মৃ. ৮৬১ হি.) ফাতহুল কাদির, (দারুল ফিকর, নাম ও তথ্যবিহীন)
৫২. জালালুদ্দিন মহল্লি (মৃ. ৮৬৪ হি.) ও জালালুদ্দীন সুয়ূতি (৯১১ হি.), তাফসির আল-জালালাইন, (কায়রো, দারুল হাদিস)।
৫৩. সুয়ূতি, জালালুদ্দিন, (মৃ. ৯১১ হি.), জামিয়ুল হাদিস, (শামিলা)
৫৪. ইসমাইল হাক্কি, (মৃ. ১১২৭ হি.), রুহুল বায়ান, (বৈরুত, দারুল ফিকর)
৫৫. শাহ ওয়ালিউল্লাহ, আহমদ ইবনে আব্দুর রহিম, (মৃ. ১১৭৬ হি..), হুজ্জাতুল্লাহিল বালিগাহ, (বৈরুত, লেবানন, দারুল জিল, ২০০৫ খ্রি.)
৫৬. শাহ ওয়ালিউল্লাহ মুহাদ্দিসে দেহলভি (রহ), (আব্দুস শহীদ নাসীম অনূদিত মতবিরোধ বিষয়ে সঠিক পন্থা অবলম্বনের উপায় (প্রকাশনায়: বাংলাদেশ ইসলামিক সেন্টার, ঢাকা, ৫ম প্রকাশ: ২০০৮)
৫৭. সানাউল্লাহ পানিপথী (মৃ. ১২১৬ হি.), তাফসিরে মাজহারি, (পাকিস্তান, মাকতাবাতুর রাশিদিয়্যাহ, ১৪১২ হি.)
৫৮. শাওকানি, মুহাম্মদ ইবনে আলি ইবনে মুহাম্মাদ, (মৃ. ১২৫০ হি.), নাইলুল আওতার, (মিশর, দারুল হাদিস, ১৯৯৩ খ্রি.)
৫৯. ইবনে আবিদিন, মুহাম্মাদ আমীন আশ শামি (মৃ. ১২৫২হি.), রাদ্দুল মুহতার আ'লাদদুররুল মুখতার, (বৈরুত, দারুল ফিকর, ৩য় প্রকাশ, ১৯৯২ খ্রি.)
৬০. আনওয়ার শাহ কাশ্মিরী (মৃ. ১৯৩৫ খ্রি.), আরফুশ শাযী শরহে সুনানে তিরমিজি, (বৈরুত, লেবানন, দারুত তুরাসিল আরবি, ১ম প্রকাশ, ২০০৪ খ্রি.)
৬১. মুবারকপুরী, আব্দুর রহমান (মৃ. ১৯৩৫ খ্রি.), তুহফাতুল আহওয়াজী, (বৈরুত, দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ)
৬২. উবায়দুল্লাহ মুবারকপুরী (মৃ. ১৪১৪ হি.), মিরআতুল মাফাতিহ শরহে মিশকাতিল মাসাবীহ, (ইদারাতুল বুহুছিল ইলমিয়্যাহ)
৬৩. মুহাম্মদ মুশাহিদ, (মৃ. ১৯৭১ খ্রি.), সত্যের আলো, (প্রকাশক: কারী আব্দুর রহমান চৌধুরী, মেসার্স চৌধুরী লেদার ষ্টোর, বন্দর বাজার, সিলেট), দ্বিতীয় খণ্ড।
৬৪. সাইয়েদ আবুল আ'লা মওদূদী (মৃ. ১৯৭৯ খ্রি.), তাফহীমুল কুরআন, (অনুবাদক: আব্দুল মান্নান তালিব, আধুনিক প্রকাশনী, ঢাকা, ১৩তম প্রকাশ: ২০১০)।
৬৫. সাইয়েদ আবুল আ'লা মওদূদী, রাসায়েল ও মাসায়েল, (শতাব্দী প্রকাশনী, ঢাকা, ৬ষ্ঠ মুদ্রণ: ২০০৮), খণ্ড-১
৬৬. মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুর রহীম (মৃ. ১৯৮৭ খ্রি.), হাদিস শরিফ, ২য় খণ্ড, (খাইরুন প্রকাশনী, ঢাকা, ১৩ প্রকাশ: ২০০৮)
৬৭. সাইয়েদ সাবিক (মৃ. ১৯৯৯ খ্রি.), ফিকহুস সুন্নাহ, (বৈরুত, লেবানন, দারুল কুতুবিল আরবি, ৩য় প্রকাশ, ১৯৭৭ খ্রি.)
৬৮. আব্দুল আজিজ আব্দুল্লাহ বিন বাজ (মৃ. ১৯৯৯ খ্রি.), মাজমুউ ফতোয়া ইবনে বাজ, (আল-মাকতাবাতুশ শামেলা)
৬৯. আব্দুল আজিজ আব্দুল্লাহ বিন বাজ, ফতোয়ায়ে নুর লি ইবনে বাজ। (আল-মাকতাবাতুশ শামেলা)
৭০. আলবানি, মুহাম্মাদ নাসিরুদ্দিন (মৃ. ১৯৯৯ খ্রি.), সিলসিলাতুল আহাদিসিস জয়িফাহ ওয়াল মাউযুআ, (সৌদি আরব, রিয়াদ, মাকতাবাতুল মাআরিফ)।
৭১. আলবানি, সিলসিলাতুল আহাদিসিস সহিহা, (রিয়াদ, মাকতাবাতুল মাআরিফ)।
৭২. আলবানি, সহিহ আবি দাউদ, (আল মাকতাবাতুশ শামেলা)।
৭৩. আলবানি, সালাতুত তারাবিহ, (রিয়াদ, মাকতাবাতুল মা'আরিফ, ১ম প্রকাশ, ১৪২১ হি.)
৭৪. আলবানি, আহকামুল জানাইজ, (আল-মাকতাবাতুল ইসলামি, ৪র্থ প্রকাশ, ১৯৮৬ খ্রি.)
৭৫. আলবানি, ইরাউল গালিল, (বৈরুত, আল-মাকতাবাতুল ইসলামি)
৭৬. আল-উসাইমিন, মুহাম্মাদ বিন সালেহ বিন মুহাম্মাদ (মৃ. ২০০০ খ্রি.), লিকাউল বাবে মাফতুউ, (শামিলা)
৭৭. আল-উসাইমিন, আল উসুল মিন ইলমিল উসুল, (দারু ইবনিল জাওজি, ১৪২৬ হি.)
৭৮. আল-উসাইমিন, মাজমুউ ফতোয়া ও রাসায়েলে উসাইমিন, (দারুল ওয়াতান, শেষ মুদ্রণ, ১৪১৩ হি.)
৭৯. আল-উসাইমিন, শরহে রিয়াদুস সালেহিন, (দারুল ওয়াতান, রিয়াদ, ১৪২৬ হি.)
৮০. ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (মৃ. ২০১৬ খ্রি.), এহইয়াউস সুনান, (প্রকাশক : উসামা খোন্দকার, আস-সুন্নাহ পাবলিকেশন্স, ঝিনাইদহ, ৫ম সংস্করণ: ২০০৭)
৮১. ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর, আল-ফিকহুল আকবার: বঙ্গানুবাদ ও ব্যাখ্যা, (প্রকাশক: উসামা খোন্দকার, আস-সুন্নাহ পাবলিকেশন্স, ঝিনাইদহ, ২০১৪)
৮২. ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর, সহিহ হাদিসের আলোকে সালাতুল ঈদের অতিরিক্ত তাকবির
৮৩. ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর, সালাতের মধ্যে হাত বাঁধার বিধান
৮৪. ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর, হাদিসের নামে জালিয়াতি, (প্রকাশক: উসামা খোন্দকার, আস-সুন্নাহ পাবলিকেশন্স, ঝিনাইদহ, ২০১৩)
৮৫. ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর, খুতবাতুল ইসলাম, (আস-সুন্নাহ পাবলিকেশন্স, ঝিনাইদহ, ২০০৮)
৮৬. ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর, রাহে বেলায়াত, (প্রকাশক: উসামা খোন্দকার, আস- সুন্নাহ পাবলিকেশন্স, ঝিনাইদহ, ২০১৭)
৮৭. ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর, জিজ্ঞাসা ও জবাব, (আস-সুন্নাহ পাবলিকেশন্স, ঝিনাইদহ, তা. বি)
৮৮. ড. মাহমুদ তুহান, তাইসিরু মুসতালাহিল হাদিস, (বৈরুত, লেবানন, দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ)
৮৯. মাওলানা আব্দুল মালিক, প্রচলিত ভুল, (প্রকাশনায় : রাহনুমা প্রকাশনী, বাংলাবাজার, ঢাকা, ১ম প্রকাশ: ২০১২)
৯০. আরশিফলু মুলতাকা আহলিল হাদিস-১, (আল-মাকতাবাতুশ শামেলা)
৯১. আল-খুমাইসি, মুহাম্মাদ বিন আব্দুর রাহমান, উসুলুদ দীন ইন্দাল ইমাম আবি হানিফা, (শামিলা)
৯২. আল-খুমাইসি, ইতিকাদুল আইম্মাতুল আরবাআ, (সৌদি আরব, দারুল আসিমাহ, ১৯৯২ খ্রি.)
৯৩. মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম আততুওয়াইজিরি, রাসুল ﷺ-এর প্র্যাকটিক্যাল নামাজ, (পিস পাবলিকেশন-ঢাকা, ২০১৩)
৯৪. ড. আমিন আবু লাবি, ইলমু উসূলিল জারহি ওয়াত তাদিল, (আল মাকতাবাতুশ শামেলা ৬.০.১.৪)
৯৫. মাওলানা তাকি উসমানি, মাজহাব কি ও কেন? (অনুবাদক: আবু তাহের মিসবাহ, মোহাম্মদী লাইব্রেরী, ঢাকা, তা. বি.)
৯৬. মাওয়ায়েজে ওলীপুরী, (আনোয়ার লাইব্রেরী, ইসলামি টাওয়ার, ঢাকা, ২য় প্রকাশ, ২০০৮)

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00