📘 ওভারকামিং ডিপ্রেশন > 📄 বিষণ্ণতার প্রকারভেদ

📄 বিষণ্ণতার প্রকারভেদ


সাইকিয়াট্রিস্ট বা মনোরোগ বিশেষজ্ঞগণ মূলত ক্লিনিক্যাল ডিপ্রেশন নিয়ে কাজ করেন। ক্লিনিক্যাল ডিপ্রেশন বলতে শুধু একধরনের বিষণ্ণতাই বোঝায় না, একে কল্পনা করা যায় একটি বিশাল ছাতার সঙ্গে, যার নিচে জায়গা করে নিয়েছে বিভিন্ন প্রকার বিষণ্ণতা।

একজন ক্লায়েন্টের সঙ্গে বসে প্রথমে আমরা চেষ্টা করি মূলত তার বিষণ্ণতার ধরন নির্ণয় করতে। তাদের প্রতিটি বিষণ্ণতার কারণ যেমন ভিন্ন, তেমনি ভিন্ন তাদের চিকিৎসাপদ্ধতি। আপনারাও তাই পূর্ণ ডায়াগনোসিসের আগে তাড়াহুড়ো করে কখনোই সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন না যে, কার ওষুধ প্রয়োজন, কার সাইকোথেরাপি প্রয়োজন, বা উভয়ই দরকার। রোগের ভবিষ্যৎ জানার জন্য কোন প্রকার বিষণ্ণতার আওতাভুক্ত তা জানা জরুরি।

১. মেজর ডিপ্রেসিভ ডিসঅর্ডার (Major Depressive Disorder, MDD)
* এপিসোডিক (episodic)।
* ৫০ শতাংশ ক্ষেত্রে তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে ভালো হয়ে যায়।
* অন্তত ১৪ দিনব্যাপী মোট নয়টি উপসর্গের মধ্যে পাঁচটি বিদ্যমান থাকতে হবে (প্রথম অধ্যায়ে উল্লিখিত)।
* মৃদু, মাঝারি বা তীব্র হতে পারে।
* মৃদু: যদি নয়টির মধ্যে যেকোনো পাঁচটি উপসর্গ থাকে।
* মাঝারি: যদি নয়টির মধ্যে যেকোনো ছয় থেকে আটটি উপসর্গ থাকে।
* তীব্র: যদি নয়টির মধ্যে আট-নয়টি উপসর্গ থাকে অথবা আত্মহত্যার প্রবণতা থাকে।
* চিকিৎসার মাধ্যমে সময়কাল এবং যন্ত্রণা উভয়ই কমিয়ে আনা সম্ভব।
* ঔষধ ভালো কাজ করে, ঔষধের পাশাপাশি তিন-চার সপ্তাহ ঔষধ সেবনের পর কাউন্সেলিং শুরু করা হয়ে থাকে। অনেক সময় শুধু মৃদুকষ্টে সাইকোথেরাপি দিয়ে শুরু করা যেতে পারে।

২. ডিসথাইমিয়া (Dysthymia)
* ডিসথাইমিয়া Persistent Depressive Disorder of Chronic Low-Grade Depression নামেও পরিচিত।
* একটানা এবং দীর্ঘমেয়াদি, অন্তত দুই বছরব্যাপী।
* মেজর ডিপ্রেসিভ ডিসঅর্ডার থেকে স্বল্প মাত্রার বিষণ্ণতা।
* ব্যক্তি নিজে বিষণ্ণতা অনুভব করতে থাকেন, কিন্তু স্বল্প মাত্রার বলে অনেক সময় আশপাশের মানুষেরা অনুধাবন করতে পারেন না।
* কখনোই আত্মহত্যার প্রবণতা থাকে না।
* কাজে আগ্রহ প্রায় স্বাভাবিক থাকে, কিন্তু কাজে আনন্দ কমে যায়।
* কর্মদক্ষতা তুলনামূলক কম ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
* প্রায় সবার আত্মবিশ্বাসের অভাব থাকে।
* স্বল্প মাত্রায় ওষুধের প্রয়োজন হতে পারে, তবে সাইকোথেরাপি ডিসথাইমিয়ার জন্য প্রথম লাইনের চিকিৎসা।
* সাধারণত রোগের পাশাপাশি আক্রান্ত ব্যক্তিদের ব্যক্তিত্বজনিত সমস্যা থাকে এবং ডিসথাইমিয়া দূর করতে হলে ব্যক্তিত্ব নিয়ে কাজ করা জরুরি।

৩. ডাবল ডিপ্রেশন (Double Depression)
* ব্যক্তির ডিসথাইমিয়ার পাশাপাশি কখনো কখনো এপিসোডিক আকারে মেজর ডিপ্রেসিভ ডিসঅর্ডার দেখা দেয়।
* তীব্র জ্বর।
* ঔষধ ও কাউন্সেলিং উভয়ই সমানভাবে প্রয়োজনীয় এবং কার্যকর।
* দীর্ঘ সময়ব্যাপী চিকিৎসার প্রয়োজন হয়। অনেক ক্ষেত্রে একটানা এক-দুই বছর চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে।

৪. অ্যাটিপিক্যাল ডিপ্রেশন (Atypical Depression)
* উপসর্গগুলো স্বাভাবিক বিষণ্ণতার উপসর্গ হতে কিছুটা ভিন্ন।
* একটানা মন খারাপ থাকে না, কখনো ভালো, কখনো খারাপ হতে দেখা যায়, একে মুড রিয়্যাক্টিভিটি (Mood Reactivity) বলা হয়ে থাকে।
* তীব্র মন খারাপ সকালে না থেকে বিকালবেলায় থাকে।
* দুশ্চিন্তার উপসর্গগুলো তীব্র থাকে।
* অতিরিক্ত ঘুম হয়।
* খাওয়া রুচি বেড়ে যায়।
* হাত-পা ভারী লাগার অনুভূতি থাকতে পারে।
* সমালোচনা সহনক্ষমতা অত্যন্ত কমে যায়।
* এক্ষেত্রে সাধারণ সাইকোথেরাপি ওষুধ থেকে অধিক কার্যকর।

৫. এন্ডোজেনাস ডিপ্রেশন (Endogenous Depression)
* প্রবীণদের মধ্যে বেশি দেখা যায়, তবে মধ্য বয়সেও হতে পারে।
* কোনো দৃশ্যত স্ট্রেস পাওয়া যায় না।
* শরীরে নিউরোট্রান্সমিটারের পরিমাণের বেশি/কম হওয়া।
* ঔষধমূলক চিকিৎসা ছাড়াও প্রয়োজনে সাইকোথেরাপি লাগতে পারে।

৬. পোস্ট-পারটাম ডিপ্রেশন (Post-Partum Depression)
* গর্ভকালীন বা প্রসবপরবর্তী সময়ে বহু নতুন মায়ের মধ্যে দেখা যায়।
* যাদের পূর্ব থেকে অথবা আগের প্রেগনেন্সিতে বিষণ্নতার ইতিহাস ছিল, তাদের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
* পোস্ট-পারটাম বিষণ্নতার মূল সাইকোলজিক্যাল কারণগুলো হলো: আমাদের সমাজে মায়েদের নিজেদেরকে নিখুঁত মা হিসেবে দেখতে চাওয়া, পরিবারের ও স্বামীর অসংযোতাপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি, ঘুমের ঘাটতি ইত্যাদি।
* ওষুধ ও সাইকোথেরাপি দুইটি জরুরি। এক্ষেত্রে অবশ্যই উল্লেখ্য যে, বিষণ্নতার অনেক ওষুধই গর্ভকালীন বা প্রসবপরবর্তী সময়ে সেবন করা নিরাপদ।

৭. প্রি-মেনস্ট্রুয়াল ডিসফরিক ডিসঅর্ডার (Pre-Menstrual Dysphoric Disorder)
* মাসিকের সময়ের সাথে মিল রেখে আগে বা পরে, মুড সুইং এবং হঠাৎ অনিয়ন্ত্রিত রাগ হয়।
* ২০-৪০ শতাংশ নারীর মধ্যে দেখা যায়, কিন্তু মাত্র ৫ শতাংশ নারীর ক্ষেত্রে চিকিৎসার প্রয়োজন হয়।
* জীবনযাত্রার মান পরিবর্তনই মূল চিকিৎসা: প্রতিদিন ব্যায়াম করা, ওজন নিয়ন্ত্রণ করা, সঠিক খাবার সেবন, পরিমিত ঘুম, মাসিক নিয়মিতকরণ এবং মাসিকের আগে-পরে অন্তত ২০ মিনিট রোদের আলোতে বসা ইত্যাদি।
* খুব সংখ্যক নারীর ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময় ওষুধ সেবনের প্রয়োজন পড়ে।

৮. শারীরিক অসুস্থতা জনিত ডিপ্রেশন (Depression due to Physical Illness)
* দীর্ঘমেয়াদি অধিকাংশ রোগেই বিষণ্ণতা দেখা যায়।
* এক্ষেত্রে অবশ্যই বিষণ্ণতা ঠিক করতে হলে শারীরিক রোগের চিকিৎসা প্রয়োজন।
* যেসব শারীরিক রোগে বিষণ্ণতা দেখা যায়, তাদের মধ্যে প্রধান হলো ডায়াবেটিস, হাইপোথাইরয়েডিজম, স্ট্রোক, SLE, হার্টঅ্যাটাক ইত্যাদি।

৯. ড্রাগ থেকে ডিপ্রেশন (Depression due to Drugs)
* শারীরিক রোগের জন্য সেবনকৃত নানা ঔষধ, যেমন: কিছু অ্যান্টিহাইপারটেনসিভ, কিছু শ্বাসকষ্টের ঔষধ (Theophylline), স্টেরয়েড ইত্যাদি।
* এ কারণেই আপনার সেবনকৃত ঔষধের বিষয়ে অবশ্যই আপনার সাইকিয়াট্রিস্টকে অবগত করুন।

১০. শৈশবে ডিপ্রেশন (Childhood Depression)
* খিটখিটে ভাব, বিরক্তি, অস্থিরতা, কাজে মনোযোগের অভাব মন খারাপ থেকে বেশি দৃষ্টিগোচর হয়।
* পারিবারিক কলহ বা চাপ অধিকাংশ ক্ষেত্রে দায়ী।
* মাথাব্যথা, পেটব্যথা ও সকল উপসর্গ বেশি থাকে।
* সাধারণত প্রাথমিক চিকিৎসা হলো কাউন্সেলিং।

১১. বাইপোলার ডিপ্রেশন (Bipolar Depression)
* বিষণ্ণতার পাশাপাশি জীবনকালে একটি হলেও ম্যানিক এপিসোড ছিল/আছে।
* তীব্র, এমনকি অনেক সময় হাসপাতালের সাহায্যের প্রয়োজন হতে পারে।
* দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা দরকার।
* একজন অভিজ্ঞ সাইকিয়াট্রিস্ট দ্বারা চিকিৎসা করা আবশ্যক।
* বাইপোলার ডিপ্রেশনে যারা বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ — যাদের কিশোর বয়সেই বিষণ্ণতার আবির্ভাব ঘটে; যার পরিবারে বাইপোলার মুড ডিসঅর্ডারের ইতিহাস বিদ্যমান; যাদের বিষণ্ণতার সঙ্গে তীব্র মুড সুইং হয়; খাদ্যের বিষণ্নতার ওষুধ সেবনেও কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাওয়া যাচ্ছে না।

১২. সিজনাল ডিপ্রেশন (Seasonal Depression)
* মূলত শীতকালে আলোর অভাবে হয়ে থাকে।
* শীতপ্রধান দেশে বেশি দেখা যায়।
* ঘরে আলোর পরিমাণ বাড়িয়ে দেওয়া এবং দৈনিক ২০ মিনিট করে (সকাল নয়টা থেকে দুইটার মধ্যে), সপ্তাহে ১০০ মিনিট সূর্যের আলোর সংস্পর্শে থাকা চিকিৎসার সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

১৩. নেশা থেকে ডিপ্রেশন (Depression due to Addiction)
* দীর্ঘদিন গাঁজা, ইয়াবা সেবনের ফলে বিষণ্ণতা দেখা যায়।
* নেশাগ্রস্ত সেবন ত্যাগ করলে অধিকাংশ সময়েই এই বিষণ্নতার উন্নতি ঘটে।

১৪. প্রবীণ বয়সে ডিপ্রেশন (Old Age Depression)
* প্রবীণদের চাকরি থেকে অবসরের পর, সন্তান বড়ো হয়ে গেলে, একাকিত্বের কারণে বিষণ্ণতা হয়ে থাকে।
* স্ত্রীলোকের মধ্যে মেনোপজের পরে বিষণ্ণতা খুব সাধারণ।
* মূল চিকিৎসা কাউন্সেলিং, খুব অল্প ক্ষেত্রে ওষুধ লাগতে পারে।

আমাদের সমাজে মূলত এই ক্লিনিক্যাল ডিপ্রেশনগুলোই বেশি পেয়ে থাকি। এদের মধ্যে অধিকাংশই চিকিৎসায় প্রায় সম্পূর্ণ স্বাভাবিক হয়ে যায়, খুবই অল্পসংখ্যক ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার প্রয়োজন হয়ে থাকে।

📘 ওভারকামিং ডিপ্রেশন > 📄 পরিশিষ্ট ১

📄 পরিশিষ্ট ১


পরিসমাপ্তি

মইন সাহেবের পরিবার এখন আগের চেয়ে ভালো আছে। মিসেস সালেহাকে আমরা অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট দিয়েছি এবং সঙ্গে চলছে কাউন্সেলিং। চিকিৎসার তিন মাস পরে উনি আগের চেয়ে ভালো আছেন। কিন্তু এখনো সম্পূর্ণ সুস্থ নন বলে তার চিকিৎসা চলছে। মিসেস সালেহা এখন বুঝতে পারছেন যে, তার আসলেই দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা প্রয়োজন। পাশাপাশি তিনি হাইপোথাইরয়েডিজমের চিকিৎসা গ্রহণের মাধ্যমে সেটিও নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন।

নিলয় ও মালিহা কাউকেই কোনো ওষুধ দেওয়া হয়নি। তাদের দুজনেরই মূল চিকিৎসা সাইকোথেরাপি। কয়েকটি সেশন নেওয়ার পরেই মালিহা এখন সুস্থ আছে। পড়াশোনা বাদেও সে তার দ্বিতীয় জীবন খুঁজে পেয়েছে। অবসর সময়ে সে এখন বন্ধুদের সঙ্গে গল্প করে ও ছবি আঁকে। গত মাসেই সে একটি জাতীয় ছবি আঁকা প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় হয়েছে। মালিহা পূর্ণ উদ্যমে তার আসন্ন পরীক্ষার জন্য পড়াশোনা করছে।

নিলয়ের সাইকোথেরাপির সেশন এখনো চলছে। নিলয় বুঝতে পেরেছে যে, তার স্মার্টফোন ব্যবহার অতিরিক্ত এবং তা কমিয়ে আনা উচিত। নিলয় এখন রাতে স্মার্টফোন ব্যবহার ছেড়ে দিয়েছে এবং পরিবারের সঙ্গেও তার সম্পর্ক আগের চেয়ে ভালোর দিকে যাচ্ছে। সে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আমরাও খুব আশাবাদী তার দ্রুত সুস্থতা নিয়ে।

মানসিক সব সমস্যাই বিষণ্ণতা নয়, সব বিষণ্ণতায় ওষুধ প্রয়োজন হয় না। আবার সবার ক্ষেত্রে চিকিৎসার ধরনও এক নয়। বেশকিছু ক্ষেত্রে আমরা নিজেও আমাদের ও আমাদের কাছের মানুষের সমস্যা বুঝে তা দূর করতে পারি। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই আমাদের প্রফেশনাল ব্যক্তির (সাইকিয়াট্রিস্ট, সাইকোলজিস্ট ইত্যাদি) সাহায্যের দরকার হয়। কোনো অবস্থাতেই আমাদের সাহায্য চাইতে কার্পণ্য করা উচিত নয়।

📘 ওভারকামিং ডিপ্রেশন > 📄 নির্ঘন্ট

📄 নির্ঘন্ট


অবসেসিভ-কম্পালসিভ ডিসঅর্ডার, ৪১, ৪৭, ৫৭, ৫৮, ১০৮, ১০৯
ডাবল ডিপ্রেশন, ২৩
ডায়ালেক্টিক্যাল বিহেভিয়ার থেরাপি, ৬২
ডিপ্রেশনের নেতিবাচক ত্রিভুজ, ৭০
এক্সটার্নাল ডিপ্রেশন, ৩০
এক্সপ্লোরিং ডিসপিউট, ৮৪
ডিরেক্ট এম্পিরিক্যাল ডিসপিউট, ৮০
এতিপিক্যাল ডিপ্রেশন, ২৩, ১০১
এনডোজেনাস ডিপ্রেশন, ২৪, ২৯, ১০৭, ১০৮
ডিরেক্ট চ্যালেঞ্জ, ৮২, ৮৬
এভিভেশনাল ব্যালেন্স শিট, ৮১
ডিরেক্ট প্রাগমাটিক ডিসপিউট, ৮৬
এলিস, আলবার্ট, ৬১, ৬৫
ডিসথাইমিয়া, ২৩, ১০২
এসএসআরআই, ৩৬, ৩৬
‘দ্য ওয়ার্ল্ড ইজ ফ্রুট’ ডিসপিউট, ৮১
কগনিটিভ ডিসটরশন, ৬৯, ৭২
‘দ্য ফ্যাক্ট অব লাইফ’ ডিসপিউট, ৮৩
কগনিটিভ বিহেভিয়ার থেরাপি, ৬৭, ৬৮, ৬৯, ৬৯, ৬৯, ৬৬, ৬৮, ৭২, ৭৪, ৭৭
নন-ইউটোপিয়ানিজম, ৬৭
নিউরোট্রান্সমিটার, ২৯, ৩৮, ১০৭
কগনিশন, ৬৭, ৬৯, ৬৪
পাই চার্ট ডিসপিউট, ৮৫
কন্ডিশনিং, ৫৩
পারসেপচুয়্যার ফ্যাক্টর, ২৯
ক্যাটাষ্ট্রোফাইজিং থট, ৮২
পোস্ট-পার্টাম ডিপ্রেশন, ২৪
ক্লায়েন্ট ফ্যাক্টরস, ৪৪
প্রম্পট কার্ড, ৭৮
ক্লিনিক্যাল ডিপ্রেশন, ১৫, ১৬, ১৮, ২২, ২৬, ৪৬, ৫৬, ১০২, ১১৭
প্রিডিসপোজিং ফ্যাক্টর, ২৭, ২৯
গাইডেড ডিসকাভারি, ৮২
প্রি-মেনস্ট্রুয়াল ডিসফরিক ডিসঅর্ডার, ২৪
ট্রাইসাইক্লিক অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট, ৩৫, ৩৬
প্রিসিপিটেটিং ফ্যাক্টর, ২৯
ট্রিগারিং ফ্যাক্টর, ২০
ফিলোসফিক্যাল ইনকনসিসটেন্সি, ৮৬
ডক্টরস ফ্যাক্টরস, ৪১
বাইপোলার ডিপ্রেশন, ২৫
বায়োলজিক্যাল ক্লক, ১০৬, ১০৮
বিহেভিওরাল অ্যাক্টিভেশন, ৭৭, ৯৯, ১০২
বিহেভিওরাল সাইকোলজি, ৬১
বেনজোডায়াজেপিন, ৫৭
‘বীল অব ফ্রুট’ ডিসপ্যুট, ৮৯
ভালনারেবিলিটি ফ্যাক্টর, ১৯
মুড রিঅ্যাক্টিভিটি, ২০
মূল বিশ্বাস, ৭৩, ৭৪, ৮০, ৮৬
মেজর ডিপ্রেসিভ ডিসঅর্ডার, ২২, ১০১
রেশনাল ইমোটিভ বিহেভিওরাল থেরাপি, ৬২
সাফকিংস, ১১৮
সিগনাল ডিপ্রেশন, ২৬
সিলেক্টিভ সেরোটোনিন রিআপটেক ইনহিবিটরস, ৩৬
সেকেণ্ডারি ইমোশন, ৮৯, ৯১
সেরোটোনিন, ১৯, ২৯, ৩৫, ৩৮, ১০৯
সেলফ-ইন্সট্রাকশনাল ট্রেনিং, ৬২
স্ক্যানিং, ৫৯
স্টিমুলাস কন্ট্রোল, ৫২, ৫৬
স্বাস্থ্যকর ধারণা বা বিশ্বাস, ৬৩
সাইক্লিক ডিপ্রেশন, ১০১, ১০২
স্লিপ হাইজিন, ৫৪
হেডোনিজম, ৬৭

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00