📘 খ্রিস্টান ধর্ম খন্ডন রদ্দে ক্রিশ্চিয়ানিটি > 📄 দুই ব্যাক্তির মধ্যে সংঘাত হলে তাদের (স্ত্রীদের) জন্য করনীয় কি?

📄 দুই ব্যাক্তির মধ্যে সংঘাত হলে তাদের (স্ত্রীদের) জন্য করনীয় কি?


দুই ব্যাক্তির মধ্যে মারামারি হলে একজনের স্ত্রী এসে আরেক জনের যৌনাঙ্গ ধরা নিষেধ। চিন্তা করা যায় বাইবেলের ইশ্বর মারামারি নিয়ে কতটা ভাবেন?

এবার আসেন বাইবেল থেকে বিস্তারিত দেখি বাইবেলের ইশ্বরের যৌনাঙ্গ না ধরার বিধানটি।

দুই ব্যক্তির মধ্যে ঝগড়া হলে কোন এক ব্যক্তির স্ত্রী তাকে সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসতে পারে, কিন্তু সে যেন কখনই অন্য ব্যক্তির যৌনাঙ্গ না ধরে। (দ্বিতীয় বিবরন ২৫/১১)

সেই কাজ করলে তার হাত কেটে ফেলবে, তার জন্য দুঃখ পেও না। (দ্বিতীয় বিবরন ২৫/১২)

আমার প্রশ্ন হল :- এতকাজ থাকতে ওই স্ত্রী অন্য পুরুষের যৌনাঙ্গ কেন ধরতে যাবে?

মোট কথা বাইবেল বলতে চাচ্ছে, সেই স্ত্রী অন্য ব্যাক্তির যৌনাঙ্গ ধরতে যাতে ভুলে না যায়। সেটা মনে করিয়ে দেয়ার জন্য এমন উদ্ভট কথা লিখছে। কথাটা ডাইরেক্ট বলছে না যে তুমি অন্য ব্যাক্তির যৌনাঙ্গ ধর। যারা বোঝার তারা হয়তো বুঝতে পারছেন।

এমন পরিস্থিতিতে অসংখ্য যৌক্তিক সমাধান ছিল বাইবেলের ইশ্বর সেসব লিখতে পারতেন যেমন ধরেন :-

>>> ০১ :- বাইবেলের ইশ্বর লিখতে পারতো তার স্ত্রী এসে মারামারি থামানোর চেষ্টা করতে পারতো।

>>> ০২ :- সেই স্ত্রীর স্বামীকে মারামারি থেকে ঘরে নিয়ে যেতে পারতো।

>>> ০৩ :- ওই স্ত্রী তার স্বামীকে বোঝাতে পারতো।

>>> ০৪ :- ওই স্ত্রী অন্য ব্যাক্তিকে মারামারি না করার জন্য আবেদন করতে পারতো।

>>> ০৫ :- ওই স্ত্রী দুইজনের মধ্যে একটা সমাধানের চেষ্টা করতে পারতো।

>>> ০৬ :- আরো অসংখ্য ভাবে সমাধান করা যেত।

এসব কিছুই না করে না বলে উল্টো বাইবেল বলছে সেই স্ত্রী যে, অন্য ব্যাক্তির যৌনাঙ্গ না ধরে এটা কোন কথা হল?

এমন হাস্যকর অশ্লীল কথা কি করে বলতে পারেন বাইবেলের ইশ্বর? অসংখ্য সমাধান আছে যেসব সমাধানের কথা না বলে তিনি যৌনাঙ্গ নিয়ে পড়ে আছে।

📘 খ্রিস্টান ধর্ম খন্ডন রদ্দে ক্রিশ্চিয়ানিটি > 📄 বাইবেল অনুযায়ী এক ভাই কোন সন্তান না রেখে মারা গেলে দ্বিতীয় ভাইকে তার স্ত্রীকে বিয়ে করা বাধ্যতামূলক।

📄 বাইবেল অনুযায়ী এক ভাই কোন সন্তান না রেখে মারা গেলে দ্বিতীয় ভাইকে তার স্ত্রীকে বিয়ে করা বাধ্যতামূলক।


কোন স্ত্রীর স্বামী মারা গেলে সেই স্বামীর ভাইকেই অর্থাৎ দেবরকেই বাধ্যতামূলকভাবে বিয়ে করা লাগবে।

এবার আসেন দেখি বাইবেলের ইশ্বরের অযৌক্তিক বিধানটি।

দুই ভাই একসাথে বাসকালীন যদি তাদের একজন কোন পুত্রের জন্ম না দিয়ে মারা যায় তবে সেই মৃত ভাইয়ের স্ত্রী যেন পরিবারের বাইরে কোন বিদেশীকে বিয়ে না করে। সেক্ষেত্রে তার স্বামীর ভাই-ই তাকে তার স্ত্রী হিসাবে গ্রহণ করে তার সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করবে। সেই দেবর তার প্রতি দেবরের কর্তব্য করবে। (দ্বিতীয় বিবরন ২৫/০৫)

আর প্রথম পুত্রের জন্ম হলে সেই পুত্র সেই মৃত ভাইয়ের জায়গা নেবে। তাহলে সেই মৃত ভাইয়ের নাম ইস্রায়েল থেকে লোপ পাবে না। (দ্বিতীয় বিবরন ২৫/০৫)

যদি সেই ব্যক্তি তার ভাইযের স্ত্রীকে গ্রহণ করতে অস্বীকার করে তবে সেই স্ত্রী যেন অবশ্যই নগরের সভাস্থলে প্রাচীনদের কাছে যায় এবং তাদের এই কথা বলে, আমার স্বামীর ভাই ইস্রায়েলে তার দাদার নাম জীবিত রাখতে অস্বীকার করছে। সে আমার প্রতি দেবরের কর্তব্য পালন করবে না। (দ্বিতীয় বিবরন ২৫/০৫)

তখন নগরের বয়স্ক নেতারা তাকে ডেকে পাঠাবে এবং তার সঙ্গে কথা বলবে। এর পরেও যদি সে বলতে থাকে যে, আমি তাকে বিয়ে করতে চাই না। (দ্বিতীয় বিবরন ২৫/০৫)

তার ভাইয়ের বিধবা স্ত্রী বয়স্ক নেতারা সামনেই লোকটির কাছে গিয়ে তার পা থেকে এক পাটি চটি খুলে নেবে, তার মুখে থুতু দিয়ে বলবে, ভাইয়ের বংশ যে রক্ষা করতে চায় না তার প্রতি এমনই করা হয়। (দ্বিতীয় বিবরন ২৫/০৫)

ইস্রায়েলীদের মধ্যে সেই লোকের বংশকে বলা হবে, জুতো খোয়ানোর বংশ। (দ্বিতীয় বিবরন ২৫/০৫)

এটা বাইবেলের ইশ্বরের কেমন অযৌক্তিক বিধান? কোন স্ত্রীর স্বামী মারা গেলে সেই স্বামীর ভাইকেই অর্থাৎ দেবরকেই বাধ্যতামূলকভাবে বিয়ে করা লাগবে? এটা কি জোর জবরদস্তি নয়?

আর বলা হচ্ছে সেই স্ত্রীর দ্বিতীয় ভাই যদি বিয়ে করতে অস্বীকার করে তাহলে তার মুখে থুথু দিয়ে জুতো খোয়ানোর বংশ বলা লাগবে?

এটা কেমন বিধান, এখানে তো দেখা যাচ্ছে স্ত্রীর, স্বামীর ভাইয়ের কোন মত বা স্বাধীনতা থাকবে না, আবার স্ত্রীর ক্ষেত্রেও একি! এটা কি কখনো কোন ইশ্বরের বিধান হতে পারে?

এখন আপনারাই বিবেচনা করেন এমন অযৌক্তিক বিধান মেনে চলা কি আসলেই সম্ভব বর্তমান সময়ে?

📘 খ্রিস্টান ধর্ম খন্ডন রদ্দে ক্রিশ্চিয়ানিটি > 📄 বাইবেলে মোহাম্মদ (সাঃ) সম্পর্কে ভবিষ্যৎবানি।

📄 বাইবেলে মোহাম্মদ (সাঃ) সম্পর্কে ভবিষ্যৎবানি।


আমরা বাইবেল থেকে দলিল সহকারে দেখবো বাইবেলে স্পষ্টভাবে (মোহাম্মদ সাঃ) সম্পর্কে ভবিষ্যৎবানি করা হয়েছে। এমনকি তার নামটাও স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা আছে।

প্রথমেই বলি, আমরা বাইবেল থেকে যত পয়েন্টই দেখাই না কেন, খ্রিস্টান মিশনারি আর তাদের অনুসারীরা সেগুলো কখনই মেনে নেবে না। কারন নবী মুহাম্মাদ (সাঃ) কে মেনে নিলে তাদের ইসলাম মানতে হবে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করতে হবে, হিজাব পরিধান করতে হবে, মদ খাওয়া বর্জন করতে, যিনার ধারেকাছে যাবে না, বয়ফ্রেন্ড-গার্লফ্রেন্ড নিয়ে মোজমস্তি করা যাবে না, আধুনিকতার নামে অশ্লীল পোশাক পরা যাবে না আরও কত বিধান তাদের মানতে হবে। এতকিছু তারা মানবে না বিধায় তারা ইসলাম গ্রহন করে না।

যদি তারা শুধু এতটুকু তারা বিশ্বাস করে যে, যীশু তাদের সমস্ত পাপের জন্য ক্রুশবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে, তাহলেই তাদের পাপ মুক্তি হয়ে যাবে। তারা সারাজীবন যতই পাপ করুক না কেন তাদের কোন প্রকার সমস্যা হবে না।

বাইবেলে (ওল্ড টেস্টামেন্ট ও নিউ টেস্টামেন্ট) দুই জায়গায়ই মোহাম্মদ সাঃ সম্পর্কে ভবিষ্যৎবানি করা হয়েছে।

এবার আসেন বাইবেল থেকে বিস্তারিত দেখি মোহাম্মদ (সাঃ) সম্পর্কে ভবিষ্যৎবানি :-

কিন্তু যিনি আমায় পাঠিয়েছেন এখন আমি তাঁর কাছে ফিরে যাচ্ছি, আর তোমাদের কেউ জিজ্ঞেস করছ না, আপনি কোথায় যাচ্ছেন? (যোহন ১৬/০৫)

এখন আমি তোমাদের এসব কথা বললাম, তাই তোমাদের অন্তর দুঃখে ভরে গেছে।

কিন্তু আমি তোমাদের সত্যি বলছি, আমার যাওয়া তোমাদের পক্ষে ভাল, কারণ আমি যদি না যাই তাহলে সেই সাহায্যকারী তোমাদের কাছে আসবেন না৷ কিন্তু আমি যদি যাই তাহলে আমি তাঁকে তোমাদের কাছে পাঠিয়ে দেব। (যোহন ১৬/০৬-০৭)

তোমাদের বলবার মতো আমার এখনও অনেক কথা আছে! কিন্তু সেগুলো তোমাদের গ্রহণ করার পক্ষে এখন অতিরিক্ত হয়ে যাবে। (যোহন ১৬/১২)

সত্যের আত্মা যখন আসবেন, তখন তিনি সকল সত্যের মধ্যে তোমাদের পরিচালিত করবেন। তিনি নিজে থেকে কিছু বলেন না, কিন্তু তিনি যা শোনেন তাই বলেন, আর আগামী দিনে কী ঘটতে চলেছে তা তিনি তোমাদের কাছে বলবেন। (যোহন ১৬/১৩)

তিনি আমাকে মহিমান্বিত করবেন, কারণ আমি যা বলি তাই তিনি গ্রহণ করবেন এবং তোমাদের তা বলবেন। (যোহন ১৬/১৪)

আমাদের (মুসলিমদের) দাবি হল, এখানে (সত্যের আত্মা) বলতে নবী মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বোঝানো হয়েছে। এবং আরো বলা হয়েছে যে সত্যের আত্মা আসবে তিনি যীশুকে মহিমান্বিত করবেন।

আমি পিতার কাছে চাইব, আর তিনি তোমাদের আর একজন সাহায্যকারী দেবেন! যেন তিনি চিরকাল তোমাদের সঙ্গে থাকেন। (যোহন ১৪/১৬)

তিনি সত্যের আত্মা, যাঁকে এই জগত সংসার মেনে নিতে পারে না, কারণ জগত তাঁকে দেখে না বা তাঁকে জানে না। তোমরা তাঁকে জান, কারণ তিনি তোমাদের সঙ্গে সঙ্গেই থাকেন, আর তিনি তোমাদের মধ্যেই থাকবেন। (যোহন ১৪/১৭)

আমি তোমাদের অনাথ রেখে যাবো না। আমি তোমাদের কাছে আসব। (যোহন ১৪/১৮)

এখান থেকে বুঝতে পারলাম যীশু যাওয়ার পর যে সাহায্যকারী আসবেন তিনি চিরকাল থাকবেন অর্থাৎ তার বিধান চিরকাল থাকবেন।

এবার আসেন দেখি যীশু এই (সত্যের আত্মা) দ্বারা কাকে বুঝিয়েছেন?

প্রভু, তোমাদের ঈশ্বর, তোমাদের জন্য একজন ভাববাদী পাঠাবেন। তোমাদের নিজের লোকদের মধ্য থেকেই এই ভাববাদী আসবে। সে আমারই মতো হবে। তোমরা অবশ্যই এই ভাববাদীর কথা শুনবে। (দ্বিতীয় বিবরন ১৮/১৫)

প্রভু আমাকে বলেছিলেন, তারা যা বলেছে তা যথার্থ। (দ্বিতীয় বিবরন ১৮/১৭)

נביא אקים להם מקרב אחיהם כמוך ונתתי דברי בפיו ודבר (אליהם) את כל אשר אצונו: (Deuteronomy 18/18)

আমি তাদের ইস্রায়েলী ভাইদের মধ্য থেকে তাদের জন্য তোমার মতো একজন ভাববাদী উঠাব, এবং আমি তার মুখে আমার বাক্য দেব। তাকে আমি যা বলতে আদেশ দেব সে তা-ই বলবে। (দ্বিতীয় বিবরন ১৮/১৮)

এখানে বলা হচ্ছে ভবিষ্যতে যে ভাববাদি আসবেন তিনি হবেন (মূসা আঃ) এর মত।

আরো বলা হয়েছে তিনি ইসরাইলীদের ভাইদের তথা ইসমাইলিয় বংশ থেকে আসবেন। কারণ এখানে ভ্রাতৃবর্গদের কথা বলা আছে। আমরা জানি (ইসহাক আঃ) (ইসমাঈল আঃ) এর ভাই। (ইসমাইল আঃ) হলেন আরবদের পূর্বপুরুষ। আর (ইসহাক আঃ) ইহুদি জাতির পূর্বপুরুষ। আর যে নবীর ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছে তিনি ইহুদীদের মধ্য থেকে আসবেন না। বরং তিনি আসবেন তাদের ভ্রাতৃবর্গদের মধ্য থেকে, তথা (ইসমাইল আঃ) এর বংশ থেকে। মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামও (ইসমাইল আঃ) এর বংশ থেকে এসেছেন।

এখানে (আহেহেম - אליהם) হিব্রুতে এই শব্দটার মানে হল (ভ্রাতৃবর্গ বা ভাই)।

খ্রীষ্টানরা দাবি করে থাকে যে, এই সত্যের আত্মা হলেন (যীশু)। আর মুসলিমরা দাবি করে থাকে এই সত্যের আত্মা হলেন (মোহাম্মদ সাঃ)।

এবার আসেন কিছু পয়েন্ট দেখি ভবিষ্যতে যে (ভাববাদি - সত্যের আত্মা) আসবেন তিনি (যীশু) নাকি (মোহাম্মদ সাঃ)?

>>> পয়েন্ট ০১ :- (মোহাম্মদ সাঃ) (মূসা আঃ) ও (যীশুর) জন্মগ্রহণ।
(মূসা আঃ) ও (মোহাম্মদ সাঃ) স্বাভাবিকভাবে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তবে (যীশু) সম্পূর্ণ অলৌকিক ভাবে কোন রকমের পুরুষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই জন্মগ্রহণ করেছেন। তাহলে এখান থেকে বোঝা গেল (মূসা আঃ) এর সাথে (মোহাম্মদ সাঃ) সম্পূর্ণ মিল রয়েছে, যীশুর সাথে (মূসা আঃ) এর কোন মিল নাই অতএব এই সত্যের আত্মা (যীশু) হতে পারে না।

>>> পয়েন্ট ০২ :- বিবাহিত জীবন।
আমরা জানি (মোহাম্মদ সাঃ) ও (মূসা আঃ) তারা দুই জনই বিয়ে করেছিলেন। তবে যীশু বিয়ে করেন নাই। এখানে (মূসা আঃ) এর সাথে (মোহাম্মদ সাঃ) এর সম্পূর্ণ মিল রয়েছে। অতএব এই সত্যের আত্মা (যীশু) হতে পারে না।

>>> পয়েন্ট ০৩ :- পিতামাতা?
(মূসা আঃ) ও (মোহাম্মদ সাঃ) তাদের দুই জনেরই পিতামাতা ছিলেন। তবে যীশু পিতা ছিলেন না শুধু মাতা ছিলেন। এখানে (মূসা আঃ) এর সাথে (মোহাম্মদ সাঃ) এর সম্পূর্ণ মিল রয়েছে। অতএব এই সত্যের আত্মা (যীশু) হতে পারে না।

>>> পয়েন্ট ০৪ :- আসমানি কিতাব।
(মূসা আঃ) প্রথম ওহি পেয়েছিলেন তূর পাহাড়ে, এদিকে (মোহাম্মদ সাঃ) তিনিও প্রথম ওহি পেয়েছিলেন পাহাড়ে। তবে যীশু কোন পাহাড়ে ওহি পান নাই। এখানে (মূসা আঃ) এর সাথে (মোহাম্মদ সাঃ) এর সম্পূর্ণ মিল রয়েছে। অতএব এই সত্যের আত্মা (যীশু) হতে পারে না।

>>> পয়েন্ট ০৫ :- রাসূল (নবি)।
(মূসা আঃ) ও (মোহাম্মদ সাঃ) কে তাদের উম্মতরা নবি বলে স্বীকার করতে। কিন্তু যীশুকে তার উম্মতরা ইশ্বরের পুত্র বলে মানে। এখানে (মূসা আঃ) এর সাথে (মোহাম্মদ সাঃ) এর সম্পূর্ণ মিল রয়েছে। অতএব এই সত্যের আত্মা (যীশু) হতে পারে না।

>>> পয়েন্ট ০৬ :- রাষ্ট্রপ্রধান।
(মূসা আঃ) ও (মোহাম্মদ সাঃ) তারা দুইজনই নবি ও রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন। তবে যীশু রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন না। এখানে (মূসা আঃ) এর সাথে (মোহাম্মদ সাঃ) এর সম্পূর্ণ মিল রয়েছে। অতএব এই সত্যের আত্মা (যীশু) হতে পারে না।

>>> পয়েন্ট ০৭ :- হিজরত (যাত্রা)।
(মূসা আঃ) ও (মোহাম্মদ সাঃ) তারা প্রত্যেকেই নিজের মাতৃভূমি থেকে তাদের বিরুদ্ধে হত্যার ষড়যন্ত্রের কারণে হিজরত (যাত্রা) করেছেন। তবে যীশু কোন ষড়যন্ত্রের কারনে কোথাও যাত্রা করেন নাই। এখানে (মূসা আঃ) এর সাথে (মোহাম্মদ সাঃ) এর সম্পূর্ণ মিল রয়েছে। অতএব এই সত্যের আত্মা (যীশু) হতে পারে না।

>>> পয়েন্ট ০৮ :- (মূসা আঃ) ও (মোহাম্মদ সাঃ) কে তার গোত্রের মানুষের গ্রহন করে নিয়েছিলেন। তবে যীশুকে তার গোত্রের মানুষের গ্রহন করেন নাই (যোহন ০১/১১)। এখানে (মূসা আঃ) এর সাথে (মোহাম্মদ সাঃ) এর সম্পূর্ণ মিল রয়েছে। অতএব এই সত্যের আত্মা (যীশু) হতে পারে না।

>>> পয়েন্ট ০৯ :- মৃত্যুবরন।
(মূসা আঃ) ও (মোহাম্মদ সাঃ) তারা দুইজনেরই স্বাভাবিক মৃত্যু ছিল। তবে যীশুর মৃত্যু কোন স্বাভাবিক মৃত্যু ছিল না, খ্রীষ্টানরা দাবি করে থাকে যীশু ক্রুশবিদ্ধ হয়ে পাপ নিয়ে মারা গেছে! যদিও এটা তাদের ভ্রান্ত ধারনা। এখানে (মূসা আঃ) এর সাথে (মোহাম্মদ সাঃ) এর সম্পূর্ণ মিল রয়েছে। অতএব এই সত্যের আত্মা (যীশু) হতে পারে না।

এমন অসংখ্যা দলিল দেয়া যাবে যেগুলো (মূসা আঃ) এর সাথে (মোহাম্মদ সাঃ) এর সাথে মিলে যাবে। তবে যীশুর সাথে মিলবে না।

এখন যদি খ্রিষ্টানরা বলে এখানে (যিশুর) কথা বলা হয়েছে। তবে তা হাস্যকর কারণ এসব বৈশিষ্ট্য যিশুর সাথে মিলে না।

এবার আসেন বাইবেল থেকে (মোহাম্মদ সাঃ) এর নামসহ কথা বলা হয়েছে সেটা দেখি :-

חכו ממתקים וכלו (מחמדים) זה דודי ও זה רעי בנות ירושלם:
Hikko Mamittakim we kullo Muhammadim Zehdoodeh wa... (উচ্চারণ)

তাঁর মুখের নিজস্ব মাধুর্য আছে, সব মিলিয়ে তিনি ভারী সুন্দর। হে জেরুশালেমের কন্যারা, ইনিই আমার প্রেমিক, ইনিই আমার বন্ধু। (পরমগীত ০৫/১৬)

এই অনুচ্ছেদটিতে স্পষ্টভাবে (মুহাম্মদিম - מחמדים) কথাটা লেখা আছে। বর্তমানে খ্রীষ্টানরা এই হিব্রু লেখাটাকে বাংলা অনুবাদে জালিয়াতি করে মুছে দিয়ে বলে বাইবেলে (মোহাম্মদ সাঃ) এর কোন নাম নেই। আপনারা "YouTube" থেকে যে কোন একটা ইহুদিদের পাঠ করা তেলাওয়াত শোনেন দেখবেন তারাও (মুহাম্মদিম) নামটা তেলাওয়াত করে।

বর্তমান বাইবেলে "Muhammadim" শব্দটা অনুবাদ করা হয়েছে "প্রিয়পাত্র"। তবে সত্যিকার অর্থে, সেমেটিক ভাষায় আরবী বা হিব্রুতে "ইম" লাগানো হয় সম্মান দেখাতে।

যেমন, "এলো" মানে "ইশ্বর"; "এলোহিম" মানে ইশ্বরকে সম্মান বোঝানো। ঠিক এভাবেই এসেছে, "মুহাম্মাদ" থেকে "মুহাম্মদিম"। কিন্তু ইহুদি-খৃষ্টানরা এর অনুবাদ করে, "প্রিয়পাত্র"।

এবার আরেকটা বড় বিষয় দেখা যাক! মোহাম্মদ (সাঃ) এর উপর প্রথম ওহী নাজিল হবার ঘটনাটা আমরা সবাই জানি। আমরা এখানে ছোট করে উল্লেখ্য করছি :-

জিবরাঈল (আঃ) প্রথমবার যখন আল্লাহর ওহী নিয়ে নবী মুহাম্মদ (সাঃ) এর কাছে আসলেন; এবং মুহাম্মদ (সাঃ) কে বললেন, 'পড়' নবী মোহাম্মদ (সাঃ) বলল, 'আমি তো পড়তে জানি না'। তারপর সূরা আলাকের প্রথম (০৫) টা আয়াত নাজিল হলো।

ঠিক একই কথা বলা আছে বাইবেলে :-
যখন তাকে কিতাবটি পড়তে দেয়া হবে, তখন বলবে 'পড়'। কিন্তু সে বলবে, 'আমি তো পড়তে জানি না। (ইসাইয়া ২৯/১২)

আলহামদুলিল্লাহ বাইবেলের মোহাম্মদ সাঃ সম্পর্কে স্পষ্টভাবে ভবিষ্যৎত্বানি করা হয়েছে।

এবার আসেন দেখেন সেই সত্যের আত্মা হলেন (মোহাম্মদ সাঃ) ছাড়া আর কেউ না।
যতক্ষণ পর্যন্ত না সব কিছু পুনঃস্থাপন হয় যা বহুপূর্বে ঈশ্বর তাঁর পবিত্র ভাববাদীদের মুখ দিয়ে বলেছেন, ততক্ষণ খ্ৰীষ্টকে অবশ্যই স্বর্গে থাকতে হবে৷ (শিষ্যচরিত্র ০৩/২০)

কারণ মোশি বলেছেন, প্রভু, তোমাদের ঈশ্বর তোমাদের জন্য তোমাদের ভাইদের মধ্য থেকে আমার মত এক ভাববাদীকে উতপন্ন করবেন। তিনি তোমাদের যা যা বলবেন, তোমরা তাঁর সকল কথা শুনবে৷ (শিষ্যচরিত্র ০৩/২১)

এখানে বলা হচ্ছে যে সত্যের আত্মা আসবে, সে তখনই আসবে যখন যীশুখ্ৰীষ্ট স্বর্গে থাকতে হবে৷ তার মানে এখান থেকে বোঝা গেল সেই সত্যের আত্মা যীশু নয় বরং মোহাম্মদ (সাঃ)।

আলহামদুলিল্লাহ বাইবেল থেকেই প্রমানিত বাইবেলে (মোহাম্মদ সাঃ) সম্পর্কে স্পষ্টভাবে ভবিষ্যৎবানি করা হয়েছে। এমনকি (মোহাম্মদ সাঃ) এর নাম ও উল্লেখ আছে বাইবেলে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00