📘 খ্রিস্টান ধর্ম খন্ডন রদ্দে ক্রিশ্চিয়ানিটি > 📄 বাইবেল ও কোরআন অনুযায়ী (যীশু) নিজেকে ঈশ্বর নয় শুধুমাত্র একজন (নবী) দাবি করেছে।

📄 বাইবেল ও কোরআন অনুযায়ী (যীশু) নিজেকে ঈশ্বর নয় শুধুমাত্র একজন (নবী) দাবি করেছে।


বাইবেল পড়লে দেখতে পাবেন যীশু কোথাও নিজেকে ঈশ্বর দাবি করে নাই। বরং যীশু বলেছে তার (পিতা ঈশ্বরের) আদেশ মেনে চলতে।

* যীশু চিতকার করে বললেন, 'যে আমাকে বিশ্বাস করে সে, প্রকৃতপক্ষে যিনি আমায় পাঠিয়েছেন, তাঁকেই বিশ্বাস করে। (যোহন ১২/৪৪)
* কারণ আমি নিজে থেকে একথা বলছি না, বরং পিতা যিনি আমাকে পাঠিয়েছেন তিনি আমাকে কি বলতে হবে বা কি শিক্ষা দিতে হবে তা আদেশ করেছেন। (যোহন ১২/৪৯)
* আমি জানি যে তাঁর আদেশ থেকেই অনন্ত জীবন আসে৷ আমি সেই সকল কথা বলি যা পিতা আমায় বলেছেন। (যোহন ১২/৫০)
* এর উত্তরে যীশু তাদের বললেন, 'আমি যা শিক্ষা দিই তা আমার নিজস্ব নয়। যিনি আমায় পাঠিয়েছেন এসব সেই ঈশ্বরের কাছ থেকে পাওয়া। (যোহন ০৭/১৬)
* যদি কেউ ঈশ্বরের ইচ্ছা পালন করতে চায় তাহলে সে জানবে আমি যা শিক্ষা দিই তা ঈশ্বরের কাছ থেকে এসেছে, আর আমি কোন কথা নিজে থেকে বলিনা। (যোহন ০৭/১৭)
* আমি নিজের থেকে কিছুই করতে পারি না। আমি (ঈশ্বরের কাছ থেকে) যেমন শুনি তেমনি বিচার করি; আর আমি যা বিচার করি তা ন্যায়... (যোহন ০৫/৩০)
* তুমি আমার ভ্রাতৃগণের কাছে গিয়া তাহাদিগকে বল, যিনি আমার পিতা ও তোমাদের পিতা এবং আমার ঈশ্বর ও তোমাদের ঈশ্বর, তাঁহার নিকটে আমি ঊর্ধ্বে যাইতেছি। (যোহন ২০/১৭)

এখানে দেখেন এসব অনুচ্ছেদের যীশুর প্রত্যেকটা কথা কোরআনের সাথে মিলে যায়। কারন যীশু একজন নবি। গোটা বাইবেলে কোথাও যীশু নিজেকে ঈশ্বর দাবি করে নাই বরং সে বলছে তার (পিতা ঈশ্বরের) আদেশ মেনে চলতে।

বাইবেল পড়লে দেখতে পাবেন যীশু কোথাও নিজেকে ইশ্বর দাবি করে নাই। বরং যীশু বলেছে তার (পিতা ইশ্বরের) আদেশ মেনে চলতে। ঠিক একিভাবে মোহাম্মদ (সাঃ) ও একি কথা বলেছে। কোরআনের রেফারেন্স পাশে দেওয়া হয়েছে।

যে ইশ্বরের আদেশ মেনে চলতে চাই তাকে অবশ্যই যীশুর শিক্ষা অনুসরন করতে হবে। কারন যীশুর শিক্ষা তার নিজের না তার (পিতা ইশ্বরের)। যীশু একজন ইশ্বরের প্রেরিত নবী তাই তার কথা না মানলে তার পিতার কাছে যাওয়া যাবে না।
যীশু চিৎকার করে বললেন, 'যে আমাকে বিশ্বাস করে সে, প্রকৃতপক্ষে যিনি আমায় পাঠিয়েছেন, তাঁকেই বিশ্বাস করে। (যোহন ১২/৪৪) (কোরআন সূরা নিসা আয়াত : ৮০)

কারণ আমি নিজে থেকে একথা বলছি না, বরং পিতা যিনি আমাকে পাঠিয়েছেন তিনি আমাকে কি বলতে হবে বা কি শিক্ষা দিতে হবে তা আদেশ করেছেন। (যোহন ১২/৪৯) (কোরআন সূরা নাজম আয়াত : ০৩-০৪) (কোরআন সূরা ইউনুস আয়াত : ১৫)

আমি জানি যে তাঁর আদেশ থেকেই অনন্ত জীবন আসে৷ আমি সেই সকল কথা বলি যা পিতা আমায় বলেছেন। (যোহন ১২/৫০) (কোরআন সূরা নাজম আয়াত : ০৩-০৪)

এর উত্তরে যীশু তাদের বললেন, 'আমি যা শিক্ষা দিই তা আমার নিজস্ব নয়। যিনি আমায় পাঠিয়েছেন এসব সেই ঈশ্বরের কাছ থেকে পাওয়া। (যোহন ০৭/১৬) (কোরআন সূরা নাজম আয়াত : ০৩-০৪)

যদি কেউ ঈশ্বরের ইচ্ছা পালন করতে চায় তাহলে সে জানবে আমি যা শিক্ষা দিই তা ঈশ্বরের কাছ থেকে এসেছে, আর আমি কোন কথা নিজে থেকে বলিনা। (যোহন ০৭/১৭) (কোরআন সূরা রাদ আয়াত: ৩৮) (কোরআন সূরা ইউনুস আয়াত : ১৫)

আমি নিজের থেকে কিছুই করতে পারি না। আমি (ঈশ্বরের কাছ থেকে) যেমন শুনি তেমনি বিচার করি; আর আমি যা বিচার করি তা ন্যায়, কারণ আমি আমার ইচ্ছামতো কাজ করি না, বরং যিনি (ঈশ্বর) আমাকে পাঠিয়েছেন তাঁরই ইচ্ছপূরণ করার চেষ্টা করি। (যোহন ০৫/৩০) (কোরআন সূরা ইউনুস আয়াত : ১৫) (কোরআন সূরা রাদ আয়াত : ৩৮)

তুমি আমার ভ্রাতৃগণের কাছে গিয়া তাহাদিগকে বল, যিনি আমার পিতা ও তোমাদের পিতা এবং আমার ঈশ্বর ও তোমাদের ঈশ্বর, তাঁহার নিকটে আমি ঊর্ধ্বে যাইতেছি। (যোহন ২০/১৭) (সূরা মায়ীদাহ আয়াত: ৭২)

এখানে দেখেন এসব অনুচ্ছেদের যীশুর প্রত্যেকটা কথা কোরআনের সাথে মিলে যায়। কারন যীশু একজন নবি। গোটা বাইবেলে কোথাও যীশু নিজেকে ইশ্বর দাবি করে নাই বরং সে বলছে তার (পিতা ইশ্বরের) আদেশ মেনে চলতে।

📘 খ্রিস্টান ধর্ম খন্ডন রদ্দে ক্রিশ্চিয়ানিটি > 📄 বাইবেলের ঈশ্বরের অযৌক্তিক কথা "মৃতরা মৃতদের কবর" দিবে।

📄 বাইবেলের ঈশ্বরের অযৌক্তিক কথা "মৃতরা মৃতদের কবর" দিবে।


বাইবেলের ঈশ্বর কতটা অযৌক্তিক কথা বলে দেখেন। এমন ঈশ্বরে বিশ্বাস করা কতটা যৌক্তিক? মৃতরা কি কখনো মৃতদের কবর দিতে পারে? হুম জানি পারে না! কিন্তু বাইবেল এমনটাই বলছে:

* তাঁর অনুগামীদের মধ্যে আর একজন বললেন, প্রভু আগে আমার বাবাকে কবর দিয়ে আসার অনুমতি দিন, তারপর আমি আপনাকে অনুসরণ করব। (মথি ০৮/২১)
* কিন্তু যীশু তাকে বললেন, তুমি আমার সঙ্গে এস, যাঁরা মৃত তারাই মৃতদের কবর দেবে। (মথি ০৮/২২)

কিছু খ্রীষ্টানরা বলে থাকে এখানে মৃতরা মৃতদের কবর দিবে এটা নাকি রূপক অর্থে বলা হয়েছে। তারা এখানে মূলত বোঝাতে চায় যাদের অন্তর মরে গেছে তাদের কথা বোঝানো হয়েছে। আচ্ছা ধরেন যীশুর এই অনুসারীর বাবার অন্তর মরে গেছে তাই বলে কি তার ছেলে তার বাবার অন্তর করব দিবে? এটা কেমন রূপক কথা?

মৃতরা কি কখনো মৃতদের কবর দিতে পারে না এটাই সত্য! মৃতরা মৃতদের কবর দিবে এমন অযৌক্তিক কথা কি কোন ঈশ্বর বলতে পারে আপনারাই বিবেচনা করেন?

বাইবেলের ইশ্বর কতটা অযৌক্তিক কথা বলে দেখেন। এমন ইশ্বরে বিশ্বাস করা কতটা যৌক্তিক?

মৃতরা কি কখনো মৃতদের কবর দিতে পারে? হুম জানি পারে না! কিন্তু বাইবেল এমনটাই বলছে যে মৃতরা মৃতদের কবর দিতে পারে কি হাস্যকর কথা।
তাঁর অনুগামীদের মধ্যে আর একজন বললেন, প্রভু আগে আমার বাবাকে কবর দিয়ে আসার অনুমতি দিন, তারপর আমি আপনাকে অনুসরণ করব। (মথি ০৮/২১)

কিন্তু যীশু তাকে বললেন, তুমি আমার সঙ্গে এস, যাঁরা মৃত তারাই মৃতদের কবর দেবে। (মথি ০৮/২২)

কিছু খ্রীষ্টানরা বলে থাকে এখানে মৃতরা মৃতদের কবর দিবে এটা নাকি রূপক অর্থে বলা হয়েছে। তারা এখানে মূলত বোঝাতে চায় যাদের অন্তর মরে গেছে তাদের কথা বোঝানো হয়েছে।

আচ্ছ ধরেন যীশুর এই অনুসারীর বাবার অন্তর মরে গেছে তাই বলে কি তার ছেলে তার বাবার অন্তর করব দিবে? এটা কেমন রূপক কথা?

মৃতরা কি কখনো মৃতদের কবর দিতে পারে না এটাই সত্য! মৃতরা মৃতদের কবর দিবে এমন অযৌক্তিক কথা কি কোন ইশ্বর বলতে পারে আপনারাই বিবেচনা করেন?

📘 খ্রিস্টান ধর্ম খন্ডন রদ্দে ক্রিশ্চিয়ানিটি > 📄 বাইবেলের অনুযায়ী (পিতা - ঈশ্বর) মিথ্যাবাদি।

📄 বাইবেলের অনুযায়ী (পিতা - ঈশ্বর) মিথ্যাবাদি।


দেখেন বাইবেলের ঈশ্বর কিভাবে মিথ্যা কথা ও মিথ্যা আশা দেয় তার অনুসারীদেরকে। বাইবেল পড়লে দেখতে পাবেন বাইবেলের ঈশ্বর এমন অনেক মিথ্যা কথা ও মিথ্যা আশা মানুষদেরকে দিয়েই থাকে।

* তখন প্রভু বললেন, “মানুষ নেহাতই রক্তমাংসের জীব মাত্র... আমি ওদের (১২০) বছর করে আয়ু দেব। (আদিপুস্তক ০৬/০৪)
দেখেন বাইবেলের ঈশ্বর মানুষদের কথা দিয়েছে তাদেরকে তিনি (১২০) বছর আয়ু দেবে। অথচ পৃথিবীর কোটি কোটি খ্রীষ্টান আছে যারা (১২০) বছরের আগেই মারা যায়। এখান থেকে প্রমানিত বাইবেলের ঈশ্বর তিনি মিথ্যাবাদি।

* কিন্তু যে বৃক্ষ ভালো আর মন্দ বিষয়ে জ্ঞান দেয় সেই বৃক্ষের ফল কখনও খেও না। যদি তুমি সেই বৃক্ষের ফল খাও, তোমার মৃত্যু হবে! (আদিপুস্তক ০২/১৮)
দেখেন এখানে আদম ও হাওয়াকে নিষিদ্ধ গাছের ফল খেতে মানা করেছিল তাদের ঈশ্বর। বাইবেলের ঈশ্বর বলছে নিষিদ্ধ গাছের ফল খেলে মারা যাবে। অথচ দেখেন আদম নিষিদ্ধ গাছের ফল খাওয়ার পরও সে মারা যায় নাই। সে বেচে ছিল। এখান থেকে প্রমান হয় যে তিনি মিথ্যাবাদি ছাড়া আর কিছুই না।

এমন মিথ্যাবাদি ঈশ্বরকে বিশ্বাস করলে স্বর্গ তো দূরের কথা উল্টো নরকে যেতে হবে। বাইবেলের ঈশ্বর যে মিথ্যাবাদি তা নিজের কথা দ্বারাই প্রমানিত হল।

দেখেন বাইবেলের ইশ্বর কিভাবে মিথ্যা কথা ও মিথ্যা আশা দেয় তার অনুসারীদেরকে।

বাইবেল পড়লে দেখতে পাবেন বাইবেলের ইশ্বর এমন অনেক মিথ্যা কথা ও মিথ্যা আশা মানুষদেরকে দিয়েই থাকে। এবার আসেন দেখি বাইবেলের ইশ্বরের কিছু মিথ্যা কথা ও মিথ্যা আশা।

তখন প্রভু বললেন, “মানুষ নেহাতই রক্তমাংসের জীব মাত্র। ওদের দ্বারা আমি আমার আত্মাকে চিরকাল পীড়িত হতে দেব না। আমি ওদের (১২০) বছর করে আয়ু দেব। (আদিপুস্তক ০৬/০৪)

দেখেন বাইবেলের ইশ্বর মানুষদের কথা দিয়েছে তাদেরকে তিনি (১২০) বছর আয়ু দেবে। অথচ পৃথিবীর কোটি কোটি খ্রীষ্টান আছে যারা (১২০) বছরের আগেই মারা যায়। এখান থেকে প্রমানিত বাইবেলের ইশ্বর তিনি মিথ্যাবাদি।

কিন্তু যে বৃক্ষ ভালো আর মন্দ বিষয়ে জ্ঞান দেয় সেই বৃক্ষের ফল কখনও খেও না। যদি তুমি সেই বৃক্ষের ফল খাও, তোমার মৃত্যু হবে! (আদিপুস্তক ০২/১৮)

দেখেন এখানে (আদম ও হাওয়াকে) নিষিদ্ধ গাছের ফল খেতে মানা করেছিল তাদের ইশ্বর। বাইবেলের ইশ্বর বলছে নিষিদ্ধ গাছের ফল খেলে মারা যাবে। অথচ দেখেন (আদম) নিষিদ্ধ গাছের ফল খাওয়ার পরও সে মারা যায় নাই। সে বেচে ছিল। এখান থেকে প্রমান হয় যে তিনি মিথ্যাবাদি ছাড়া আর কিছুই না।

এমন মিথ্যাবাদি ইশ্বরকে বিশ্বাস করলে স্বর্গ তো দূরের কথা উল্টো নরকে যেতে হবে। বাইবেলের ইশ্বর যে মিথ্যাবাদি তা নিজের কথা দ্বারাই প্রমানিত হল।

📘 খ্রিস্টান ধর্ম খন্ডন রদ্দে ক্রিশ্চিয়ানিটি > 📄 যীশুর শিক্ষায় কোনো কিছু সংযোজন ও বাদ দেওয়া যাবে না! এবং তাকে বাদে অন্য কাউকে শিক্ষক হিসাবে গ্রহন করা যাবে না।

📄 যীশুর শিক্ষায় কোনো কিছু সংযোজন ও বাদ দেওয়া যাবে না! এবং তাকে বাদে অন্য কাউকে শিক্ষক হিসাবে গ্রহন করা যাবে না।


বাইবেল স্পষ্ট করে বলেছে যীশুর শিক্ষায় কোন কিছু বাদ দেওয়া যাবে না ও নতুন কিছু সংযোজনও করা যাবে না। এবং তাকে বাদে অন্য কাউকে শিক্ষক হিসেবে গ্রহন করা যাবে না।

আসুন দেখি বাইবেলে যীশু কি বলেছেন?
* আমি তোমাদের যে আদেশ দিয়েছি তার সঙ্গে তোমরা কোন কিছু যোগ কর না এবং তার থেকে কোনো কিছু বাদ দিও না। তোমরা অবশ্যই তোমাদের প্রভু, ঈশ্বরের আদেশ মান্য করবে, যা আমি তোমাদের দিয়েছি। (দ্বিতীয় বিবরন ০৪/১১)
* কেউ যেন তোমাদের শিক্ষক বলে না ডাকে, কারণ তোমাদের শিক্ষক একজনই, তিনি খ্রীষ্ট। (মথি ২৩/১০)

বাইবেল স্পষ্ট করে বলে দিয়েছে যীশুকে ছাড়া কারো শিক্ষা গ্রহন করা যাবে না এবং তার শিক্ষা ও আদেশের মধ্যে অন্য কোন মানুষের আদেশ ও শিক্ষা যেন না ঢোকানো হয়। তারপরও খ্রীষ্টানরা তাদের চার্চের শিক্ষা, সাধারণ মানুষের বানানো গল্প, পলের মত খুনির কথা মেনে চলে। খ্রীষ্টানরা যে যীশুর শিক্ষা মেনে চলে না তার প্রমান বর্তমান বিকৃত বাইবেল ও তার অনুসারীদের দেখলেই বুঝা যায়।

বাইবেল স্পষ্ট করে বলেছে যীশুর শিক্ষায় কোন কিছু বাদ দেওয়া যাবে না ও নতুন কিছু সংযোজনও করা যাবে না। এবং তাকে বাদে অন্য কাউকে শিক্ষক হিসেবে গ্রহন করা যাবে না।

আসুন দেখি বাইবেলে যীশু কি বলেছেন?
আমি তোমাদের যে আদেশ দিয়েছি তার সঙ্গে তোমরা কোন কিছু যোগ কর না এবং তার থেকে কোনো কিছু বাদ দিও না। তোমরা অবশ্যই তোমাদের প্রভু, ঈশ্বরের আদেশ মান্য করবে, যা আমি তোমাদের দিয়েছি। (দ্বিতীয় বিবরন ০৪/১১)

কেউ যেন তোমাদের শিক্ষক বলে না ডাকে, কারণ তোমাদের শিক্ষক একজনই, তিনি খ্রীষ্ট। (মথি ২৩/১০)

বাইবেল স্পষ্ট করে বলে দিয়েছে যীশুকে ছাড়া কারো শিক্ষা গ্রহন করা যাবে না এবং তার শিক্ষা ও আদেশের মধ্যে অন্য কোন মানুষের আদেশ ও শিক্ষা যেন না ঢোকানো হয়। তারপরও খ্রীষ্টানরা তাদের চার্চের শিক্ষা, সাধারণ মানুষের বানানো গল্প, পলের মত খুনির কথা মেনে চলে।

খ্রীষ্টানরা যে যীশুর শিক্ষা মেনে চলে না তার প্রমান বর্তমান বিকৃত বাইবেল ও তার অনুসারীদের দেখলেই বুঝা যায়।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00