📘 কাসাসুল কুরআন > 📄 সামিরি কে ছিলো?

📄 সামিরি কে ছিলো?


সামিরি এই অভিনব প্রতারণা একজন গবেষকের জন্য এই প্রশ্ন সৃষ্টি করে দিয়েছে যে, সামিরি ইসরাইলি ছিলো না-কি ভিন্ন কেউ? আর এই সামিরি শব্দটি তার নাম ছিলো না-কি উপাধি ছিলো?
আবদুল ওয়াহহাব নাজ্জার বলেন, খ্রিস্টানরা পত্রিকাসমূহে এ-ক্ষেত্রে এই প্রশ্ন উত্থাপন করেছে যে সামিরি নামটি 'সামিররাহ' শহরের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। আর সামিররাহ নামক শহরটি তখন পর্যন্ত প্রতিষ্ঠিতও হয় নি। সুতরাং কুরআনের এই ঘটনায় সামিরিকে উল্লেখ করার অর্থ কী?
তাদের এই জিজ্ঞাসার জবাব এই যে, সামিরি সামিররাহ শহরের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নয় এবং সম্পর্কযুক্ত হতেও পারে না। কেননা, মুসা আ.-এর যুগে এই শহরটির অস্তিত্ব ছিলো না। তার বহুকাল পরে তা অস্তিত্বের জগতে এসেছে। সামিরি শব্দটি বরং 'শামির' শব্দের দিকে সম্পর্কযুক্ত এবং তা ইবরানি শব্দ। শব্দটি আরবি ভাষায় রূপান্তরিত হওয়ার সময় শ (শীন) হরফটি স (সীন) হরফে পরিবর্তিত হয়েছে। ইবরানি বা হিব্রু ভাষাভাষীদের সিফরে আফরাইম ও সিবতে ইয়াহুয়া নামক দুটি শাখা। এদের মধ্যে আফরাইমিরা 'সীন' উচ্চারণ করে আর ইয়াহুযারা উচ্চারণ করে 'শীন'। আর 'শামির' শব্দটিকে হিব্রু ভাষায় 'শাওমির' উচ্চারণ করা হতো। 'শামর'-এর অর্থ রক্ষণাবেক্ষণ করা, সুতরাং শাওমির বা শামির বা সামিরি-এর অর্থ রক্ষণাবেক্ষণ করা এবং এই সম্পর্কের কারণেই সামিরি বলা হতো।
আবদুল ওয়াহহাব নাজ্জার হিব্রু ভাষার তাওরাত থেকে এই অর্থ প্রমাণের জন্য সাক্ষ্য হিসেবে একটি উদ্ধৃতিও দিয়েছেন : আল্লাহ তাআলা কাবিলকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমার ভাই কোথায়? তখন সে জবাব দিয়েছিলো, আমি জানি না সে কোথায়। مسو میراحی انوخی অর্থাৎ, আমি কি আমার ভাইয়ের রক্ষণাবেক্ষণকারী? ¹¹²
মাওলানা আবুল কালাম আযাদ বলেন: "এখানে এই প্রশ্ন উত্থাপিত হয় যে, সামিরি কে ছিলো? সামিরি শব্দটি কি তার নাম ছিলো না-কি জাতিগত উপাধি ছিলো। অনুমান থেকে বলা যায় যে, এখানে সামিরি (سامری) বলতে সামিরি (سمیری) নামক সম্প্রদায়ের একজন লোক উদ্দেশ্য। কেননা, যে-সম্প্রদায়কে আমরা সামিরি (سیری) নামে আখ্যায়িত করতে শুরু করেছি, আরবি ভাষায় প্রাচীনকাল থেকেই তার নাম সামিরি (سامری) বলা হয়েছে। এখনো ইরাকে তাদের অবশিষ্ট লোকদেরকে এই নামেই আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে। এখানে কুরআন মাজিদে তাকে সামিরি বলে আখ্যায়িত করা পরিষ্কারভাবে বুঝাচ্ছে যে, সামিরি তার নাম নয়, এটি তার সম্প্রদায়সত্তার প্রতি ইঙ্গিত। অর্থাৎ, সে ইসরাইলি ছিলো না, সামিরি সম্প্রদায়ের একজন সদস্য ছিলো। হযরত ইসা আ.-এর প্রায় সাড়ে তিন হাজার পূর্বে দাজলা ও ফোরাত নদীর মধ্যবর্তী এলাকায় দুটি ভিন্ন ভিন্ন সম্প্রদায় বসবাস করতো এবং তারা এক জাঁকজমকপূর্ণ সভ্যতার ভিত্তি স্থাপন করেছিলো। এদের মধ্যে একটি সম্প্রদায়, যারা দক্ষিণ দিক থেকে এসে এখানে বসতি স্থাপন করেছিলো, ছিলো আরব। দ্বিতীয় সম্প্রদায়টি, যাদের সম্পর্কে ধারণা করা হয় যে তারা উত্তর দিক থেকে এসেছিলো, ছিলো সামিরি। এই সম্প্রদায়েরই নামানুসারে প্রাচীন ইতিহাসের 'সামিররাহ' শহরটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো, যার অবস্থান তিল আল-আবিদে বলে জানা গেছে। এই শহর থেকে পাঁচ হাজার বছর পূর্বে নির্মিত অলঙ্কার ও স্বর্ণনির্মিত পাত্র আবিষ্কৃত হয়েছে।
সামিরি সম্প্রদায়ের উৎপত্তি কী ছিলো, এ-সম্পর্কে এ-পর্যন্ত কোনো সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্তে পৌঁছা যায় নি। কিন্তু নিনোভাতে ইশোরি পলের (মৃত্যু : ৬৬৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দে) যে-গ্রন্থাগার আবিষ্কৃত হয়েছে, তাতে কাঠের ফলকে লিখিত ভাষা-সঙ্কলনগ্রন্থও রয়েছে। এতে 'আকাদি' ও 'সামিরি' ভাষার সমার্থক শব্দসমূহ সংগ্রহ করা হয়েছে। তা থেকে জানা যায় যে, সামিরি ভাষার ধ্বনিসমূহ সামি বর্ণমালার ধ্বনি থেকে ততটা ভিন্ন নয়।
খুব সম্ভব, তারাও মূলত এসব গোত্রের সঙ্গে কোনো দূরবর্তী সম্পর্কে সম্পর্কিত ছিলো, যার জন্য আমরা তাওরাতের পরিভাষা সামি গ্রহণ করেছি। যাইহোক। সামিরি সম্প্রদায়ের আসল জন্মভূমি ছিলো ইরাকে। কিন্তু কালক্রমে তারা বহু এলাকায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়েছিলো।
অনুসন্ধানে জানা গেছে যে, মিসরের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক খ্রিস্টপূর্ব এক হাজার বছর আগেও বিদ্যমান ছিলো। সুতরাং বুঝা যায় যে, এই সম্প্রদায়েরই এক ব্যক্তি হযরত মুসা আ.-এর ভক্ত হয়ে পড়েছিলো। বনি ইসরাইল যখন মিসর থেকে বের হয়ে এলো, তখন সেই ব্যক্তিও তাদের সঙ্গে মিসর থেকে বের হয়ে এলো। এই ব্যক্তিকেই কুরআন মাজিদ সামিরি বলে উল্লেখ করেছে। গাভী, বলদ ও বাছুরের পবিত্রতায় বিশ্বাস সামিরিদেরও ছিলো, মিসরীয়দেরও ছিলো।"¹¹³
আবদুল ওয়াহহাব নাজ্জার এবং মাওলানা আবুল কালাম আযাদ—এই দুজনের ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ পাঠ করার পর সহজেই অনুমান করা যেতে পারে যে, নাজ্জারের ব্যাখ্যার মোকাবিলায় মাওলানা আযাদের ব্যাখ্যা অধিকতর সঠিক ও প্রবল এবং নাজ্জারের ব্যাখ্যা একটি দূরবর্তী ব্যাখ্যা। সামির শব্দের অর্থ যদি রক্ষণাবেক্ষণকারী হয়, তবে তার নাম সামিরি হলো কেনো? নাজ্জারের ব্যাখ্যায় এই প্রশ্নের জবাব পাওয়া যায় না। আর মাওলানা আযাদের বর্ণনায় যে-ঐতিহাসিক বিশ্লেষণের সঙ্গে খ্রিস্টানদের জিজ্ঞাসার জবাব পাওয়া যায় তা-ই সঠিক।
মোটকথা এই যে, হযরত মুসা আ. এসব ব্যাপার থেকে অবসর হয়ে আল্লাহ তাআলার দরবারে মনোনিবেশ করলেন। তিনি বললেন, হে প্রতিপালক, এখন আপনার দরবারে এদের ধর্মত্যাগের শাস্তি কী? জবাব এলো, যারা এই শিরক করেছে তাদেরকে প্রাণ বিসর্জন দিতে হবে। নাসায়ি শরিফের রেওয়ায়েতে আছে, হযরত মুসা আ. বনি ইসরাইলকে বললেন, তোমাদের তওবার জন্য কেবল একটি উপায়ই নির্ধারিত হয়েছে : অপরাধীরা তাদের জীবনকে এইভাবে ধ্বংস করে দেবে যে, যে-ব্যক্তি যার যত নিকটতম আত্মীয় হবে, সে তার আত্মীয়কে নিজ হাতে হত্যা করবে। অর্থাৎ, পিতা পুত্রকে, পুত্র পিতাকে এবং ভাই ভাইকে। শেষ পর্যন্ত বনি ইসরাইলকে এই আদেশ মান্য করতে হলো। তাওরাতে বর্ণিত আছে যে, এইভাবে তিন হাজার বনি ইসরাইল নিহত হলো। আর কোনো কোনো ইসলামি রেওয়ায়েতে নিহতের সংখ্যা এর চেয়েও অধিক উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনা এই পর্যন্ত পৌঁছলে হযরত মুসা আ. আল্লাহ তাআলার দরবারে সিজদায় পতিত হলেন এবং আরজ করলেন, ইয়া আল্লাহ, এখন এদের প্রতি রহম করুন এবং এদের অপরাধ ক্ষমা করে দিন। হযরত মুসা আ.-এর দোয়া কবুল হলো এবং আল্লাহ তাআলা বললেন, আমি হত্যকারী ও নিহত উভয়কে ক্ষমা করে দিলাম। আর যারা জীবিত আছে এবং অপরাধী তাদেরকেও ক্ষমা করে দিলাম। তুমি তাদেরকে বুঝিয়ে দাও তারা যেনো ভবিষ্যতে শিরকের ধারে-কাছেও না যায়।
এই-বিষয়টি কুরআন মাজিদে বর্ণিত হয়েছে এভাবে-
وَإِذْ قَالَ مُوسَى لِقَوْمِهِ يَا قَوْمِ إِنَّكُمْ ظَلَمْتُمْ أَنْفُسَكُمْ بِاتِخاذِكُمُ الْعِجْلَ فَتُوبُوا إِلَى بَارِئِكُمْ فَاقْتُلُوا أَنْفُسَكُمْ ذَلِكُمْ خَيْرٌ لَكُمْ عِنْدَ بَارِئِكُمْ فَتَابَ عَلَيْكُمْ إِنَّهُ هُوَ التَّوَّابُ الرَّحِيمُ (سورة البقرة)
'আর স্মরণ করো (সেই সময়ের কথা,) যখন মুসা তার সম্প্রদায়ের লোকদের বললো, “হে আমার সম্প্রদায়, গো-বৎসকে উপাস্যরূপে গ্রহণ করে তোমরা নিজেদের প্রতি ঘোর অত্যাচার করেছো”¹¹⁴, সুতরাং তোমরা তোমাদের স্রষ্টার প্রতি ফিরে যাও এবং তোমরা নিজেদেরকে হত্যা”¹¹⁵ করো। তোমাদের স্রষ্টার কাছে এটাই শ্রেয়। তিনি তোমাদের প্রতি ক্ষমাপরবশ হবেন। তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।" [সুরা বাকারা: আয়াত ৫৪)
এই ঘটনা সম্পর্কে তাওরাত ও কুরআনের মধ্যে বিশেষ মতবিরোধ রয়েছে। তাওরাতে বলা হয়েছে যে, হযরত হারুন আ. গো-বৎস নির্মাণ করেছিলেন:
আর লোকেরা দেখলো যে, হযরত মুসা আ. তুর পাহাড় থেকে ফিরে আসতে বিলম্ব করে ফেলেছেন। তারা তখন হারুন আ.-এর কাছে একত্র হয়ে তাঁকে বলতে লাগলো, ওঠো, আমাদের জন্য দেবতা নির্মাণ করে দাও। যা আমাদের সামনে সামনে চলবে। কেননা, আমরা জানি না যে মুসা নামের এই ব্যক্তি, যে আমাদেরকে মিসর থেকে বের করে এনেছে, তার কী হয়েছে? হারুন তাদেরকে বললেন, তোমাদের স্ত্রীদের, কন্যাদের এবং পুত্রদের কানে যেসব স্বর্ণের বালি রয়েছে, সেগুলো খুলে আমার কাছে নিয়ে এসো। তারা সবাই তাদের কান থেকে স্বর্ণের বালিগুলো খুলে হারুনের কাছে এনে উপস্থিত করলো। তিনি তাদের হাত থেকে অলঙ্কারগুলো গ্রহণ করে আগুনে গলিয়ে একটি বাছুর নির্মাণ করলেন এবং ছেনি দিয়ে ছেঁচে ওটার আকৃতি ঠিক করে দিলেন। এরপর তিনি তাদের উদ্দেশে বললেন, হে বনি ইসরাইল, এটিই তোমাদের সেই দেবতা, যা তোমাদেরকে মিসর রাজ্য থেকে বের করে এনেছে। তারপর হারুন তার জন্য একটি কুরবানির স্থান নির্ধারণ করে ঘোষণা দিলেন যে, আগামীকাল আল্লাহর উদ্দেশে এখানে ঈদ-উৎসব অনুষ্ঠিত হবে। "¹¹⁶
তাওরাতকে বিকৃত ও রূপান্তরিত করার সাক্ষ্য এর চেয়ে অধিক আর কী হতে পারে যে, যে-তাওরাত এই 'নিষ্ক্রমণ' অধ্যায়েই হযরত হারুন আ.- কে আল্লাহর নবী এবং হযরত মুসা আ.-এর সহকারী বলে ঘোষণা করছে, সেই তাওরাতই হারুন আ.-কে (নাউযুবিল্লাহ) কেবল মুশরিক ও মূর্তিপূজকই সাব্যস্ত করছে না; বরং শিরকের দীক্ষাদাতা ও মূর্তিপূজার পথপ্রদর্শক বলছে।
তাওরাত পাঠ করলে আপনি সহজেই এটা অনুমান করতে পারবেন যে, আহলে কিতাব ইহুদি-নাসারার বিস্ময়কর কর্মকাণ্ড এবং আল্লাহর কিতাবকে বিকৃত করার কাহিনিসমূহের মধ্যে সবচেয়ে অধিক ঘৃণ্য কাহিনি এই যে, তারা আল্লাহ তাআলার মনোনীত যে-সকল মহামানবদেরকে নবী ও রাসুল বলে থাকে, তাদের ওপরই শিরক, কুফর এবং অসৎ চরিত্রের অপবাদ আরোপ করতে দ্বিধা করে না। যেমন : এখানে তারা সামিরির শিরকি কর্মকাণ্ডকে হযরত হারুন আ.-এর ওপর আরোপ করেছে। কুরআন মাজিদ তাদের অপবাদকে জোরেশোরে খণ্ডন করেছে এবং ঘোষণা করেছে যে, হযরত হারুন আ. এই ধরনের অপবিত্রতা থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত। গো-বৎস নির্মাণ করা এবং গো-বৎসের পূজার প্রতি উৎসাহ প্রদান করা ছিলো সামিরিরই কাজ; হযরত হারুন আ.-এর মতো উচ্চ মর্যাদাবান নবীর কাজ ছিলো না। তিনি তো কঠোরতার সঙ্গে বনি ইসরাইলকে এই অপবিত্র-ঘৃণ্য কাজ থেকে বিরত রাখার জন্য চেষ্টা করেছেন; কিন্তু সেই দুর্ভাগারা কোনোক্রমেই তাঁর কথা মানে নি। যেমন: কুরআন মাজিদে বলা হয়েছে-
وَلَقَدْ قَالَ لَهُمْ هَارُونُ مِنْ قَبْلُ يَا قَوْمِ إِنَّمَا فُتِنْتُمْ بِهِ وَإِنْ رَبَّكُمُ الرَّحْمَنُ فَاتَّبِعُونِي وَأَطِيعُوا أَمْرِي )) قَالُوا لَنْ تَبْرَحَ عَلَيْهِ عَاكِفِينَ حَتَّى يَرْجِعَ إِلَيْنَا مُوسَى (سورة طه)
'আর হারুন তাদেরকে আগেই বলেছিলো, "হে আমার সম্প্রদায়, এটা (গো-বৎস) দ্বারা তো তোমাদেরকে কেবল পরীক্ষায় ফেলা হয়েছে। তোমাদের প্রতিপালক তো দয়াময়; সুতরাং তোমরা আমার অনুসরণ করো এবং আমার আদেশ মেনে চলো।" তারা বলেছিলো, "আমাদের কাছে মুসা ফিরে না আসা পর্যন্ত আমরা এর পূজা থেকে কিছুতেই বিরত হবো না।"' [সুরা তোয়া-হা: আয়াত ৯০-৯১]

টিকাঃ
¹¹² 'কাসাসুল আম্বিয়া, আবদুল ওয়াহহাব নাজ্জার, পৃষ্ঠা ৩৬৬।
¹¹³ তরজুমানুল কুরআন, দ্বিতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা ৪৬৫-৪৬৬।
¹¹⁴ তারা গো-বৎসের পূজা করে নিজেদের প্রতি জুলুম ও অত্যাচার করেছিলো।
¹¹⁵ কাতলুন (قتل) শব্দের অর্থ প্রাণনাশ করা, হত্যা করা, বধ করা। অর্থাৎ, তোমাদের স্বজনদের মধ্যে যারা গো-বৎসরের পূজা করে অপরাধী হয়েছে তাদেরকে হত্যা করো। কাতলুন নাফস (قتل النفس) কুপ্রবৃত্তি দমন করা এবং আত্মাকে সংযত করা অর্থেও ব্যবহৃত হয়। —রাগিব। কেউ কেউ এখানে দ্বিতীয় অর্থও গ্রহণ করেছেন।
¹¹⁶ নিষ্ক্রমণ অধ্যায়, অনুচ্ছেদ ৩২, আয়াত ১-৬।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00