📄 পারস্যের রাজ প্রাসাদের অভ্যর্থনা কক্ষ ও মসজিদ
পাশ্চাত্যবিদ ক্রেজওয়েলের মতে, মুসলমানদের মসজিদ নির্মাণ পদ্ধতি দু'টো। একটি হচ্ছে, সিরিয়ার খৃষ্টান পদ্ধতি এবং অন্যটি হচ্ছে, ইরাকের গৃহীত পারস্য রাজপ্রাসাদের অভ্যর্থনা কক্ষ পদ্ধতি। পারস্য রাজপ্রাসাদের অভ্যর্থনা কক্ষ ছিল চারকোণ বিশিষ্ট। মসজিদেরও রয়েছে চারকোন। ক্রেজওয়েল এর ওপর ভিত্তি করে মসজিদ সম্পর্কে ঐ ভ্রান্ত মন্তব্য করেন। ১
অথচ এটা সবার কাছে পরিষ্কার, ইরাকের মসজিদগুলোও মদীনার মসজিদে নববীর অনুকরণে তৈরি করা হয়েছে। কেননা, মসজিদগুলোর সাদামাটা রূপ এ কথার সুস্পষ্ট প্রমাণ যে, তা কোন রাজপ্রাসাদের অনুকরণে তৈরি করা হয়নি।
টিকাঃ
১. মাওখাল ইলা মাসাজিদিল কাহেরা ওয়া মাদারিসেহা- ২৮৯ পৃঃ
📄 রোমান বাজার এবং আদালত মডেল ও মসজিদ
প্রাচ্যবিদ সোভাজিয়ার মতে, ২ مسلمانوں মসজিদ রোমাণ বাজার ও আদালতের অনুকরণে গড়ে উঠেছে। তার মতে, মসজিদ হচ্ছে সরকারী ও জাতীয় ভিত্তিক সভা-বৈঠকের স্থান। এটা মূলত আদালত কক্ষ এবং অস্ত্রাগার ও বাইতুলমালের সমপর্যায়ের। তাই সোভাজিয়া বলেছেন, মসজিদের এ ভূমিকার সাথে রোমান অভ্যর্থনা কক্ষের মিল রয়েছে, তিনি আরো বলেছেন, এ দু'য়ের মধ্যে পার্থক্য এতটুকু যে, অভ্যর্থনা কক্ষ বিশেষ লোকদের জন্য এবং মসজিদ হচ্ছে সাধারণ লোকদের জন্য।
বাস্তবতা হচ্ছে এ যে, সোভাজিয়ার এ মতটি ভারসাম্যপূর্ণ নয়। তিনি মসজিদের মূল কক্ষকে উপেক্ষা করেছেন। অর্থাৎ রোমান অভ্যর্থনা কক্ষ ও মসজিদের কক্ষের মধ্যে কোন পার্থক্য করেননি।
মূল কথা হল, مسلمانوں মসজিদের পরিকল্পনা সম্পূর্ণ মৌলিক ও নিজস্ব। এটা অন্য কোন প্রতিষ্ঠান বা উপাসনালয়ের পদ্ধতি থেকে ধার করা নয়। ইসলামের পূর্বে মসজিদের এ আকৃতি ও ডিজাইন কোথাও ছিল না। তাই পাশ্চাত্যবিদদের ঐ সকল মনগড়া কথার কোন যৌক্তিকতা নেই। মুসলমানরা সম্পূর্ণ নিজস্ব শক্তি ও প্রতিভার ভিত্তিতে ঐ নূতন পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন।
টিকাঃ
২. ঐ