📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 আস ইব্‌ন ওয়াইল কর্তৃক রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর উপহাস এবং তার সম্পর্কে অবতীর্ণ আয়াত

📄 আস ইব্‌ন ওয়াইল কর্তৃক রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর উপহাস এবং তার সম্পর্কে অবতীর্ণ আয়াত


ইবন ইসহাক বলেন: এরূপ আরেকজন দূরাচার হচ্ছে 'আস ইব্‌ন ওয়ায়ল সাহমী। রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর অন্যতম সাহাবী খাব্বাব ইব্‌ন আরাত (রা) ছিলেন একজন কর্মকার। তিনি মক্কায় তরবারি বানাতেন। একবার তিনি 'আস ইবন ওয়ায়লের কাছে কয়েকটি তরবারি বিক্রি করেন। তার নির্দেশেই তিনি সেগুলো তৈরি করেছিলেন। একদিন তিনি তার কাছে সে টাকার তাগাদা দিতে গেলে আস বলল: হে খাব্বাব! তুমি যার দীনের অনুসারী, তোমার সেই সাথী মুহাম্মদ কি বলে না যে, যারা জান্নাতে যাবে, তারা সেখানে যত খুশি সোনা-রূপা, পোশাক-পরিচ্ছদ ও চাকর-বাকর লাভ করবে? খাব্বাব বললেন: বটেই তো। তখন সে বলল:
তা হলে তুমি হে খাব্বাব! আমাকে কিয়ামত পর্যন্ত সময় দাও। সেখানে গিয়ে আমি তোমার পাওনা শোধ করে দেব। আল্লাহ্র কসম, হে খাব্বাব! তুমি ও তোমার সাথী আল্লাহ্র নিকট আমার চেয়ে বেশি প্রাধান্য পাবে না এবং সেখানেও আমার চেয়ে বেশি বেহেশতী নিয়ামত পাবে না। এরই পরিপ্রেক্ষিতে আল্লাহ্ তা'আলা নাযিল করেন:
أَفَرَأَيْتَ الَّذِي كَفَرَ بِأَيْتِنَا وَقَالَ لأُوتِيَنَّ مَالاً وولداً - اطلعَ الغَيْبَ . وَيَأْتِينَ فَرْدًا ونَرِثُهُ مَا يَقُولُ
"তুমি কি লক্ষ্য করেছ তাকে, যে আমার আয়াতসমূহ প্রত্যাখ্যান করে এবং বলে, আমাকে ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি দেওয়া হবেই। সে কি অদৃশ্য সম্বন্ধে অবহিত হয়েছে অথবা দয়াময়ের নিকট হতে প্রতিশ্রুতি লাভ করেছে? কখন-ই নয়, তারা যা বলে, আমি তা লিখে রাখব এবং তাদের শাস্তি বৃদ্ধি করতে থাকব। সে যে বিষয়ের কথা বলে, তা থাকবে আমার অধিকারে এবং সে আমার নিকট আসবে একা।” (১৯: ৭৭-৮০)

📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 আবু জাহল কর্তৃক রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর উৎপীড়ন এবং তার সম্পর্কে অবতীর্ণ আয়াত

📄 আবু জাহল কর্তৃক রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর উৎপীড়ন এবং তার সম্পর্কে অবতীর্ণ আয়াত


আমি শুনেছি একবার আবু জাহল ইব্‌ন হিশাম রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর সাথে সাক্ষাৎ করে বলল: হে মুহাম্মদ! তুমি আমাদের দেবদেবীদের গালমন্দ করা বন্ধ কর, অন্যথায় আমরাও তোমার ইলাহের গালমন্দ করব, যার ইবাদত তুমি কর। এ প্রেক্ষিতে আল্লাহ্ তার সম্পর্কে নাযিল করেন:
وَلَا تَسُبُّوا الَّذِينَ يَدْعُونَ مِنْ دُونِ اللَّهِ فَيَسُبُّوا اللَّهَ عَدُوا بِغَيْرِ عِلْمٍ -
"আল্লাহকে ছেড়ে যাদের তারা ডাকে, তাদের তোমরা গালি দিও না, কেননা তারা সীমালংঘন করে অজ্ঞতাবশত আল্লাহকেও গালি দেবে।" (৬: ১০৮) বর্ণিত আছে, এরপর রাসূলুল্লাহ্ (সা) তাদের দেবদেবীদের নিন্দা করা হতে বিরত হন এবং তাদের জন্য আল্লাহর কাছে দু'আ করতে থাকেন।

📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 নাঘ্র ইবন হারিস কর্তৃক রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর নির্যাতন এবং তার সম্পর্কে অবতীর্ণ আয়াত

📄 নাঘ্র ইবন হারিস কর্তৃক রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর নির্যাতন এবং তার সম্পর্কে অবতীর্ণ আয়াত


রাসূলুল্লাহ্ (সা)-কে উত্যক্তকারীদের মধ্যে আরেকজন হচ্ছে নাঘ্র ইবন হারিস ইন 'আলকামা ইব্‌ন কাল্দা ইন্ন 'আব্দ মানাফ ইবন 'আবদুদ্দার ইব্‌ন কুসাই। রাসূলুল্লাহ্ (সা) যখনই কোন মজলিসে মানুষকে আল্লাহ্র পথে আহবান জানাতেন, কুরআন তিলাওয়াত করে শোনাতেন এবং কুরায়শদের বিগত ধ্বংসপ্রাপ্ত জাতিসমূহের ইতিহাস দ্বারা সতর্ক করে মজলিস ত্যাগ করতেন, তখন নাঘ্র ইন্ন হারিস উঠে সে মজলিসের লোকদের পারস্য বীর রুস্তম, ইসফানদিয়ার ও ইরানী রাজা-বাদশাহদের কাহিনী বর্ণনা করে শোনাত। সে বলত, আল্লাহ্র কসম! মুহাম্মদ আমার চাইতে ভাল বর্ণনাকারী নয়। তার বর্ণনা তো অতীত যুগের উপকথা মাত্র। তার মত আমিও সেগুলো লিখে রেখেছি। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ্ তা'আলা নাযিল করেন:
وَقَالُوا أَسَاطِيرُ الْأَوَّلِينَ اكْتَتَبَهَا فَهِيَ تُمْلَى عَلَيْهِ بُكْرَةً وَأَصِيلاً - قُلْ أَنْزَلَهُ الَّذِي يَعْلَمُ السِّرِّ فِي السموات والْأَرْضِ إِنَّهُ كَانَ غَفُورًا رَّحِيمًا
"তারা বলে 'এগুলো তো সেকালের উপকথা, যা সে লিখে নিয়েছে; এগুলো সকাল-সন্ধ্যা তার নিকট পাঠ করা হয়।' বল, 'এটা তিনিই অবতীর্ণ করেছেন, যিনি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সমুদয় রহস্য অবগত আছেন; তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।” (২৫: ৫-৬)
আরও নাযিল হয় : اذا تتلَى عَلَيْهِ أَيْتُنَا قَالَ أَسَاطِيْرُ الْأَوَّلِينَ "তার নিকট আমার আয়াত আবৃত্তি করা হলে সে বলে, 'এ তো সেকালের উপকথা মাত্র." (৬৮: ১৫; ৮৩ : ১৩)
আরও ইরশাদ হয়: وَيْلٌ لَكُلِّ أَفاك أَثِيم - يَسْمَعُ أَيْتِ اللهَ تُتْلَى عَلَيْهِ ثُمَّ يُصِرُّ مُسْتَكْبِرًا كَانْ لَمْ يَسْمَعْهَا فَبَشِّرْهُ بعذاب اليم -
"দুর্ভোগ প্রত্যেক ঘোর মিথ্যাবাদী পাপীর, যে আল্লাহর আয়াতের আবৃত্তি শোনে অথচ ঔদ্ধত্যের সংগে অটল থাকে যেন সে তা শোনেনি। তাকে সংবাদ দাও মর্মন্তুদ শাস্তির।" (৪৫: ৭-৮)
ইব্‌ন হিশাম বলেন: أَفاك মানে ঘোর মিথ্যাবাদী।
কুরআন মজীদে আছে: أَلَّا إِنَّهُمْ مِّنْ أفكهمْ لَيَقُولُونَ - وَلَدَ اللهُ وَأَنَّهُمْ لَكُذِبُونَ "দেখে তারা তো মনগড়া কথা বলে যে, আল্লাহ্ সন্তান জন্ম দিয়েছেন। তারা নিশ্চয়ই মিথ্যাবাদী।” (৩৭: ১৫১-১৫২)
রু'বা ইব্‌ন 'আজ্জাজ তাঁর এক কবিতায় বলেন : ما لامرى افك قولا افكا "কোন মানুষের মিথ্যা রটনায় কি লাভ।"
ইব্‌ন ইসহাক বলেন: আমি শুনেছি, একদা রাসূলুল্লাহ্ (সা) ওয়ালীদ ইব্‌ন মুগীরার সাথে মসজিদে বসে ছিলেন। এ সময় নাযর ইব্‌ন হারিস সেখানে উপস্থিত হয় এবং মজলিসে তাদের সাথে বসে পড়ে। সেখানে কুরায়শ গোত্রের লোক উপস্থিত ছিল। রাসূলুল্লাহ্ (সা) তাদের সাথে আলোচনায় প্রবৃত্ত হন। নাযর ইব্‌ন হারিস আলোচনায় তাঁর সঙ্গে তর্ক শুরু করে দিলে রাসুলুল্লাহ (সা) তাকে নিরুত্তর করে দিতে সক্ষম হন। এরপর তিনি তাদের সকলের উদ্দেশ্যে
إِنَّكُمْ وَمَا تَعْبُدُونَ مِنْ دُونِ اللَّهِ حَصَبُ جَهَنَّمَ أَنْتُمْ لَهَا وَارِدُونَ - لَوْ كَانَ هؤُلَاءِ آلِهَةً مَأَرَدُوهَا وَكُلُّ فِيهَا خُلِدُونَ - لَهُمْ فِيْهَا زَفِيْرٌ وَهُمْ فيها لايَسْمَعُونَ তোমরা এবং আল্লাহর পরিবর্তে তোমরা যাদের ইবাদত কর সেগুলো তো জাহান্নামের ইন্ধন, তোমরা সকলে তাতে প্রবেশ করবে। যদি এরা উপাস্য হত তবে জাহান্নামে প্রবেশ করত নাদের সকলেই তাতে স্থায়ী হবে চিরকাল থাকবে তাদের আর্তনাদ এবং সেথায় তারা কিছুই শুনতে পাবে না।” (সূরা আম্বিয়া : ৯৮-১০০) [তাফসীরে ইব্‌ন কাসীর]

📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 ইন্ন যাবা'রীর উক্তি এবং তার সম্পর্কে অবতীর্ণ আয়াত

📄 ইন্ন যাবা'রীর উক্তি এবং তার সম্পর্কে অবতীর্ণ আয়াত


ইবন ইসহাক বলেন: তাদেরকে উল্লিখিত আয়াত শুনিয়ে রাসূলুল্লাহ্ (সা) মজলিস ত্যাগ করলেন। এ সময় সেখানে আবদুল্লাহ ইব্‌ন যাবা'রী সাহমী এসে উপস্থিত হল। সে অন্যদের সাথে মজলিসে আসন গ্রহণ করল। ওয়ালীদ ইব্‌ন মুগীরা তাকে লক্ষ্য করে বলল: আল্লাহর কসম! আবদুল মুত্তালিবের সন্তান এইমাত্র নাফ্র ইব্‌ন হারিসকে নির্বাক করে দিয়েছে। মুহাম্মদ দাবি করে বলে: আমরা এবং আমরা যাদের উপাসনা করি, সকলেই জাহান্নামের ইন্ধন হব। একথা শুনে আবদুল্লাহ্ ইব্‌ন যাবা'রী বলল: দেখ আমি যদি তাকে পেতাম, তবে নির্ঘাত হারিয়ে দিতাম। তোমরা গিয়ে মুহাম্মদকে জিজ্ঞেস কর, আল্লাহ্ ছাড়া যাদেরই ইবাদত করা হয়, সকলেই কি উপাসকদের সাথে জাহান্নামী হবে? আমরা তো ফেরেশতাদেরও উপাসনা করি। অনুরূপ ইয়াহুদীরা হযরত উযায়র (আ)-এর এবং নাসারা সম্প্রদায় 'ঈসা ইব্‌ন মারইয়াম (আ)-এর পূজা করে। এ উত্তর শুনে ওয়ালীদ এবং মজলিসের অন্যরা খুবই খুশি হল। তারা ভাবল, ইব্‌ন যাবা'রীর এ প্রতিউত্তরে মুহাম্মদ (সা)-এর পরাজয় অনিবার্য। তার এ উক্তি রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর নিকট উত্থাপন করা হল। তিনি বললেন: আল্লাহ্ ছাড়া আর যে-কেউ এটা ভালবাসে যে তার উপাসনা করা হোক, সে অবশ্যই উপাসকের সাথে জাহান্নামী হবে। তারা তো কেবল শয়তানদেরই পূজা করে। আর করে তাদের পূজা, যারা তাদের উপাসনা করতে বলে। এ প্রসঙ্গেই আল্লাহ্ তা'আলা নাযিল করেন: إِنَّ الَّذِينَ سَبَقَتْ لَهُمْ مِّنَّا الْحُسْنَى أُولَئِكَ عَنْهَا مُبْعَدُونَ - لَا يَسْمَعُوْنَ حَسِيْسَهَا وَهُمْ فِي مَا اشْتَهَتْ أَنْفُسُهُمْ خَلِدُونَ - "যাদের জন্য আমার নিকট হতে আগে থেকেই কল্যাণ নির্ধারিত রয়েছে তাদের তা থেকে দূরে রাখা হবে। তারা তার ক্ষীণতম শব্দও শুনবে না এবং সেথায় তারা তাদের মন যা চায়, চিরকাল তা ভোগ করবে।” (২১ : ১০১-১০২)
এ আয়াতে 'ঈসা ইবন মারইয়াম (আ) ও উযায়র (আ)-কে বোঝানো হয়েছে। অনুরূপ সেইসব ইয়াহুদী ধর্মশাস্ত্রবিদ (আহবার) ও খ্রিস্টান ধর্মযাজক (রাহিব)-ও এর অন্তর্ভুক্ত, যারা আল্লাহ্ তা'আলার আনুগত্যে জীবন নির্বাহ করেছেন, কিন্তু পরবর্তীকালের বিভ্রান্ত সম্প্রদায়গুলো তাদেরকে আল্লাহ্র স্থলে রব ঠাউরে নিয়েছে এবং তাদের পূজা-অর্চনায় লিপ্ত হয়েছে।
তারা বলত: তারা ফেরেশতাদের পূজা করে এবং ফেরেশতারা আল্লাহ্র কন্যা। এ সম্পর্কে আল্লাহ্ নাযিল করেন:
وَقَالُوا اتَّخَذَ الرَّحْمَنُ وَلَداً سُبْحْنَهُ بَلْ عِبَادٌ مُّكْرَمُونَ - لَا يَسْبِقُونَهُ بِالْقَوْلِ وَهُمْ بِأَمْرِهِ يَعْمَلُونَ وَمَنْ يَقُلْ مِنْهُمْ إِنَّى الهُ مِنْ دُونِهِ فَذَلِكَ نَجْزِيْهِ جَهَنَّمَ كَذَلِكَ نَجْزِي الظَّلِمِينَ -
"তারা বলে, 'দয়াময় (আল্লাহ্) সন্তান গ্রহণ করেছেন'। তিনি পবিত্র, মহান! তারা তো তাঁর সম্মানিত বান্দা। তারা আগে বেড়ে কথা বলে না; তারা তো তাঁর আদেশ অনুসারেই কাজ করে থাকে। তাদের সামনে ও পেছনে যা কিছু আছে তা তিনি অবগত। তারা সুপারিশ করে শুধু তাদের জন্য, যাদের প্রতি তিনি সন্তুষ্ট এবং তারা তাঁর ভয়ে ভীত-সন্ত্রস্ত। তাদের মধ্যে যে বলবে, 'আমি-ই ইলাহ্ তিনি (আল্লাহ্) ব্যতীত', তাকে আমি প্রতিফল দেব জাহান্নাম; এভাবেই আমি যালিমদের শাস্তি দিয়ে থাকি।” (২১: ২৬-২৯)
আবদুল্লাহ্ ইব্‌ন যাবা'রী-এর এ উক্তি যে, আল্লাহ্ ব্যতীত ঈসা ইবন মারইয়াম (আ)-এরও পূজা-অর্চনা করা হয়, যা শুনে ওয়ালীদ ও উপস্থিত শ্রোতারা মুগ্ধ হয়ে যায় এবং রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর বিরুদ্ধে এটাকে অপ্রতিরোধ্য আক্রমণ বলে মনে করে। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ্ তা'আলা নাযিল করেন:
وَلَمَّا ضُرِبَ ابْنُ مَرْيَمَ مَثَلاً إِذا قَوْمُكَ مِنْهُ يَصِدُّونَ -
"যখন মারইয়াম-তনয়ের দৃষ্টান্ত উপস্থিত করা হয়, তখন তোমার সম্প্রদায় শোরগোল আরম্ভ করে দেয়।" (৪৩: ৫৭)
তারপর 'ঈসা (আ) সম্পর্ক বলা হচ্ছে:
إِنْ هُوَ إِلَّا عَبْدٌ انْعَمْنَا عَلَيْهِ وَجَعَلْتُهُ مَثَلاً لَبَنِي إِسْرَائِيلَ - وَلَوْ نَشَاءُ لَجَعَلْنَا مِنْكُمْ مَّلْئِكَةٌ فِي الْأَرْضِ يَخْلُفُونَ - وَإِنَّهُ لَعِلْمُ للسَّاعَةِ لَا تَمْتَرُنَّ بِهَا وَاتَّبِعُونِ هَذَا صِرَاطٍ مُسْتَقِيمُ -
"সে তো ছিল আমারই এক বান্দা, যাকে আমি অনুগ্রহ করেছিলাম এবং করেছিলাম বনী ইসরাঈলের জন্য দৃষ্টান্ত। আমি ইচ্ছা করলে তাদের মধ্য হতে ফেরেশতা সৃষ্টি করতে পারতাম, যারা পৃথিবীতে উত্তরাধিকারী হত। ঈসা তো কিয়ামতের নিদর্শন; সুতরাং তোমরা কিয়ামতে সন্দেহ পোষণ করো না এবং আমাকে অনুসরণ কর। এটাই সরল পথ।” (৪৩: ৫৯-৬১)
وَإِنَّهُ لَعَلْمُ السَّاعَةِ অর্থাৎ মৃত ব্যক্তিকে জীবিত করা, রুগ্নকে সুস্থ করা সহ যে সকল নিদর্শন আমি তার হাতে তুলে দিয়েছি, কিয়ামতের সত্যতা উপলব্ধি করার জন্য সেগুলো প্রমাণ হিসেবে যথেষ্ট।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00