📄 বিধবা বিবাহ : একটি সুন্নাহ!
আমরা একটা সুন্নাতকে আবার জাগাতে পারি!
বিধবা মা-বোনের সংখ্যা সমাজে কম নয়। সমাজ এদের আড়াল করে রাখে। এখন পুরুষের জন্য বিধবা বিয়ে লজ্জার বিষয়। তালাকপ্রাপ্ত ব্যক্তির সাথেও এমনি আচরণ করা হয়। যেকোনো কারণে বিয়ে ভেঙ্গে যেতে পারে—আল্লাহর ইচ্ছায়। আল্লাহ তায়ালা মানুষকে তো আর ফেরেশতা করে দুনিয়াতে পাঠায়নি। বিধবা বা তালাকপ্রাপ্ত বলে অনেক পুরুষ বিশাল হাদিয়া দাবী করে! এমন ভাব ধরে যেন সে অনেক বড় ইহসান করে ফেলেছে! আল্লাহ পানাহ।
আমার কাছে বিধবা বিয়েটা সম্মানের মনে হয়। কারণ, বিশেষ করে এখানে একজন নারীর আশ্রয়ের বিষয় জড়িত। বিধবার জীবন খুব কাছে থেকে দেখেছি। বিয়ের সময় বাড়িতে বিধবা বিয়ের আগ্রহের কথা জানালে খুব তিরস্কার করা হয় আমাকে। ছি! এতটা নিচে নেমে গেলি তুই? ঘর সংসার করা মেয়েকে তুই? এমন কথা কানে শুনতে হয়েছিল! পরে সে সুযোগ হয়নি আর।
আমরা বিধবা বিয়েকে ঘৃণা না করি। এটি একটি সুন্নাহ। উম্মুল মুমিনিন আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা ছাড়া আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সকল স্ত্রীই বিধবা বা তালাকপ্রাপ্ত ছিলেন। সচেতনতা বাড়াই নিজেদের মধ্যে। এগিয়ে আসি।
আমরা কি পারি না, এই অসহায় মা-বোনগুলোর প্রতি একটু ভালবাসা আর মুহাব্বতের দৃষ্টি দিতে? আর বিধবা আশ্রিত মা-বাপ-ভাইদের চেহারায় হাসি দেখতে?
টিকাঃ
১৪৯ লিখেছেন: মাওলানা সারোয়ার সাহেল।
আমরা একটা সুন্নাতকে আবার জাগাতে পারি!
বিধবা মা-বোনের সংখ্যা সমাজে কম নয়। সমাজ এদের আড়াল করে রাখে। এখন পুরুষের জন্য বিধবা বিয়ে লজ্জার বিষয়। তালাকপ্রাপ্ত ব্যক্তির সাথেও এমনি আচরণ করা হয়। যেকোনো কারণে বিয়ে ভেঙ্গে যেতে পারে—আল্লাহর ইচ্ছায়। আল্লাহ তায়ালা মানুষকে তো আর ফেরেশতা করে দুনিয়াতে পাঠায়নি। বিধবা বা তালাকপ্রাপ্ত বলে অনেক পুরুষ বিশাল হাদিয়া দাবী করে! এমন ভাব ধরে যেন সে অনেক বড় ইহসান করে ফেলেছে! আল্লাহ পানাহ।
আমার কাছে বিধবা বিয়েটা সম্মানের মনে হয়। কারণ, বিশেষ করে এখানে একজন নারীর আশ্রয়ের বিষয় জড়িত। বিধবার জীবন খুব কাছে থেকে দেখেছি। বিয়ের সময় বাড়িতে বিধবা বিয়ের আগ্রহের কথা জানালে খুব তিরস্কার করা হয় আমাকে। ছি! এতটা নিচে নেমে গেলি তুই? ঘর সংসার করা মেয়েকে তুই? এমন কথা কানে শুনতে হয়েছিল! পরে সে সুযোগ হয়নি আর।
আমরা বিধবা বিয়েকে ঘৃণা না করি। এটি একটি সুন্নাহ। উম্মুল মুমিনিন আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা ছাড়া আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সকল স্ত্রীই বিধবা বা তালাকপ্রাপ্ত ছিলেন। সচেতনতা বাড়াই নিজেদের মধ্যে। এগিয়ে আসি।
আমরা কি পারি না, এই অসহায় মা-বোনগুলোর প্রতি একটু ভালবাসা আর মুহাব্বতের দৃষ্টি দিতে? আর বিধবা আশ্রিত মা-বাপ-ভাইদের চেহারায় হাসি দেখতে?
টিকাঃ
১৪৯ লিখেছেন: মাওলানা সারোয়ার সাহেল।
📄 একজন বিধবা নারীর কান্না যে কত অসহনীয়!
এক দম্পত্তিদের সংসার চলছে খুব ধুমধামে, আমোদ-প্রমোদে, একদিন স্বামী স্ত্রীকে বলল-আমি দ্বিতীয় বিবাহ করতে চাই একজন বিধবা নারীকে, ঐ বিধবা নারীর স্বামীর আরো দুটি সন্তান রেখে ইন্তেকাল করার পরে তাদের দেখাশোনার কেউ নেই, যার কারণে ঐ বিধবা নারী অতি কষ্টে দিন-যাপন করছে, আমি তাকে বিবাহ করে তার সমস্যাগুলোর সমাধানে সাহায্য করতে চাই।
স্ত্রী বলল-কেনো বিবাহ করবেন, আমি কি আপনার জন্য যথেষ্ট নই? আপনার চাওয়া-পাওয়ার ব্যাপারে কি কোনো কমতি করছি? বা কোনো অন্যায় করেছি? দরকার হলে আপনি ঐ বিধবা মহিলাকে আর্থিক সাহায্য সহযোগীতা করুন, তবুও আপনাকে বিবাহ করতে দেয়া হবেনা।
যদি দ্বিতীয় বিবাহ করেন তাহলে আমি আপনার সংসারে থাকবোনা- এমনও হতে পারে আত্মহত্যা করব।
স্বামী বেচারা স্ত্রীর কথা শুনে কষ্ট পেল ও ভয় পেল এবং বলল যে, ঠিক আছে আমি দ্বিতীয় বিবাহ করবো না। এভাবে চলতে লাগলো তাদের আনন্দময় সুখের সংসার।
প্রায় দুবছর পর হঠাৎ স্বামী অসুস্থ হয়ে পড়লো, কিছুদিন হাসপাতালে চিকিৎসা হল-সুস্থ হলোনা, ডাক্তার বলল-বাড়িতে নিয়ে যান, যা খেতে চায় তা খাওয়ান, হয়তো আপনার স্বামী বেশি দিন বাঁচবেনা। একথা শুনে স্ত্রীর মাথায় যেন আকাশ ভেঙ্গে পড়লো, পায়ের নিচের মাটিটাও যেন সরে গেল। কি আর করার, স্বামীকে বাড়িতে নিয়ে এল আর দিনরাত কান্না করে আল্লাহর কাছে হায়াত বৃদ্ধির দুআ করতে লাগলো। একদিন রাতে সবাই ঘুমিয়ে পড়লো, স্বামী ও স্ত্রীর কথপোকথন শুরু হল-
স্বামী : আমি তোমার জন্য কিছুই করতে পারলামনা, হয়ত আর বেশিদিন তোমার কাছে আমাকে পাবেনা, কখন যেন ডাক পড়ে যায় চিরনিদ্রায় শায়ীত হবো, চলে যাব অচিনদেশে। যেখানে নেই কোন আপনজন-স্ত্রী কথাগুলো শুনছে আর অঝরধারায় কান্না করছে, কে থামাবে তার কান্না? এই যেন শুরু হবে তার জীবনের দুঃখ-কষ্টের অকুল নদীর শ্রোত।
স্বামী বলতেই লাগলো-হে আমার প্রাণপ্রিয় স্ত্রী! তোমাকে কিছু ওসিয়ত করছি মন দিয়ে শোনো-কোনো একদিন যদি মৃত্যু এসে যায়, কবরে চলে যাই। তুমি আমার কথাগুলো মেনে চলবে,
আমি মরে গেলে, তুমি আমার যে সন্তানগুলো আছে তাদেরকে দেখে রেখো। তাদের পড়াশুনা করিও এবং তুমি তোমার পছন্দমত একজন জীবনসাথীকে বিবাহ করে সংসার করিও এবং আমার সন্তানদের খোঁজখবর রেখো।
এভাবে বলতেছিল আর স্ত্রীর দুচোখ যেন সাগরের পানিতে বিনাশ হতে ছিল, একপর্যায়ে তারা ঘুমিয়ে পড়লো, সকালে ঘুম ভাঙ্গলো স্ত্রীর, স্বামীর দিকে নজর পড়তেই কান্না জুড়ে দিল, কারণ স্বামী আর তার সাথে উঠতে পারবেনা, চলে গেলেন চিরদিনের জন্য।
দাফন-কাফন সমাপ্তি হল, এরপর কিছুদিন এভাবেই চলতে লাগলো, সবার মন মরা, কারো মনে আগের মত সেই আনন্দ নাই।
স্বামী যে সম্পদ রেখে গেছে তা বিক্রি করতে করতে প্রায় শেষ, জমি বিক্রি করলো, গরু-ছাগল বিক্রি করলো, নিজে অন্যের বাড়িতে কাজ করবে তাও সে পারছেনা, কারণ, বয়স কম, যুবতী মহিলা। যে পুরুষই তাকে দেখে সেই খারাপ চরিতার্থের প্রস্তাব দেয়। কোথাও যেন বের হতেই পারেনা, কেউ বিবাহের জন্য প্রস্তাব দেয়না, পর-পুরুষগুলোও চায় অবৈধ সম্পর্ক করতে, তাই সে অন্য কোনো কাজও করতে পারেনা। এদিকে বাচ্চাদের খাবার জোগাড় করার কোনো ব্যবস্থা নাই। শেষমেষ সন্তানদের নিয়ে বাপের বাড়িতে চলে আসলো। বাবা-মা নেই, আছে ভাই-ভাবি। এখানে কিছুদিন থাকার পর ভাবিও দিনদিন বিভিন্ন ধরনের খোঁটা দিয়ে কথা বলে। বাবার বাড়িতে থাকাও যেন কষ্টকর হয়ে উঠেছে। তবুও কি করবে-যাওয়ার কোনো পথ নেই। এখন সে অনুভব করতে লাগলো-তার এখন দরকার আলাদা একটা ঘরের। যার কাছে মনের কষ্টগুলো বলতে পারে এরকম একজনকে দরকার। যে তার সমস্যাগুলো সমাধান করবে। কি করবে, কোথায় পাবে, কেউ তো তাকে বিবাহও করবেনা, বিবাহ করলেও তার সন্তানদের কি করবে ভেবে পাচ্ছেনা, তার সুখের জীবনটাই যেন যন্ত্রনার আগুনে দ্রোহ হচ্ছে আর দিনরাত কান্না করছে, কোনো লাভ হয়না। একজন বিধবা নারীর এরপর কি হতে পারে, পাঠক একটু চিন্তা করুন প্লিজ!
আপনি আমি কি চিন্তা করছি?
হে বোন! তুমি যেমন তোমার স্বামীকে একাই চাও, সে মরে গেলে তুমিও বিধবাই হবে, বোন! তোমাকেই বলছি, তুমি অন্য বিধবার প্রতি সহানুভূতিশীল হও, তোমার প্রতি আল্লাহ সদয় হবেন।
প্রিয় পাঠক! আল্লাহ পুরুষদেরকে বহুবিবাহের অনুমতি দিয়েছে, তার কারণও অনেক। চিন্তা করুন।
সমাপ্ত
টিকাঃ
১২০ লিখেছেন: Faisal R Mahbub
এক দম্পত্তিদের সংসার চলছে খুব ধুমধামে, আমোদ-প্রমোদে, একদিন স্বামী স্ত্রীকে বলল-আমি দ্বিতীয় বিবাহ করতে চাই একজন বিধবা নারীকে, ঐ বিধবা নারীর স্বামীর আরো দুটি সন্তান রেখে ইন্তেকাল করার পরে তাদের দেখাশোনার কেউ নেই, যার কারণে ঐ বিধবা নারী অতি কষ্টে দিন-যাপন করছে, আমি তাকে বিবাহ করে তার সমস্যাগুলোর সমাধানে সাহায্য করতে চাই।
স্ত্রী বলল-কেনো বিবাহ করবেন, আমি কি আপনার জন্য যথেষ্ট নই? আপনার চাওয়া-পাওয়ার ব্যাপারে কি কোনো কমতি করছি? বা কোনো অন্যায় করেছি? দরকার হলে আপনি ঐ বিধবা মহিলাকে আর্থিক সাহায্য সহযোগীতা করুন, তবুও আপনাকে বিবাহ করতে দেয়া হবেনা।
যদি দ্বিতীয় বিবাহ করেন তাহলে আমি আপনার সংসারে থাকবোনা- এমনও হতে পারে আত্মহত্যা করব।
স্বামী বেচারা স্ত্রীর কথা শুনে কষ্ট পেল ও ভয় পেল এবং বলল যে, ঠিক আছে আমি দ্বিতীয় বিবাহ করবো না। এভাবে চলতে লাগলো তাদের আনন্দময় সুখের সংসার।
প্রায় দুবছর পর হঠাৎ স্বামী অসুস্থ হয়ে পড়লো, কিছুদিন হাসপাতালে চিকিৎসা হল-সুস্থ হলোনা, ডাক্তার বলল-বাড়িতে নিয়ে যান, যা খেতে চায় তা খাওয়ান, হয়তো আপনার স্বামী বেশি দিন বাঁচবেনা। একথা শুনে স্ত্রীর মাথায় যেন আকাশ ভেঙ্গে পড়লো, পায়ের নিচের মাটিটাও যেন সরে গেল। কি আর করার, স্বামীকে বাড়িতে নিয়ে এল আর দিনরাত কান্না করে আল্লাহর কাছে হায়াত বৃদ্ধির দুআ করতে লাগলো। একদিন রাতে সবাই ঘুমিয়ে পড়লো, স্বামী ও স্ত্রীর কথপোকথন শুরু হল-
স্বামী : আমি তোমার জন্য কিছুই করতে পারলামনা, হয়ত আর বেশিদিন তোমার কাছে আমাকে পাবেনা, কখন যেন ডাক পড়ে যায় চিরনিদ্রায় শায়ীত হবো, চলে যাব অচিনদেশে। যেখানে নেই কোন আপনজন-স্ত্রী কথাগুলো শুনছে আর অঝরধারায় কান্না করছে, কে থামাবে তার কান্না? এই যেন শুরু হবে তার জীবনের দুঃখ-কষ্টের অকুল নদীর শ্রোত।
স্বামী বলতেই লাগলো-হে আমার প্রাণপ্রিয় স্ত্রী! তোমাকে কিছু ওসিয়ত করছি মন দিয়ে শোনো-কোনো একদিন যদি মৃত্যু এসে যায়, কবরে চলে যাই। তুমি আমার কথাগুলো মেনে চলবে,
আমি মরে গেলে, তুমি আমার যে সন্তানগুলো আছে তাদেরকে দেখে রেখো। তাদের পড়াশুনা করিও এবং তুমি তোমার পছন্দমত একজন জীবনসাথীকে বিবাহ করে সংসার করিও এবং আমার সন্তানদের খোঁজখবর রেখো।
এভাবে বলতেছিল আর স্ত্রীর দুচোখ যেন সাগরের পানিতে বিনাশ হতে ছিল, একপর্যায়ে তারা ঘুমিয়ে পড়লো, সকালে ঘুম ভাঙ্গলো স্ত্রীর, স্বামীর দিকে নজর পড়তেই কান্না জুড়ে দিল, কারণ স্বামী আর তার সাথে উঠতে পারবেনা, চলে গেলেন চিরদিনের জন্য।
দাফন-কাফন সমাপ্তি হল, এরপর কিছুদিন এভাবেই চলতে লাগলো, সবার মন মরা, কারো মনে আগের মত সেই আনন্দ নাই।
স্বামী যে সম্পদ রেখে গেছে তা বিক্রি করতে করতে প্রায় শেষ, জমি বিক্রি করলো, গরু-ছাগল বিক্রি করলো, নিজে অন্যের বাড়িতে কাজ করবে তাও সে পারছেনা, কারণ, বয়স কম, যুবতী মহিলা। যে পুরুষই তাকে দেখে সেই খারাপ চরিতার্থের প্রস্তাব দেয়। কোথাও যেন বের হতেই পারেনা, কেউ বিবাহের জন্য প্রস্তাব দেয়না, পর-পুরুষগুলোও চায় অবৈধ সম্পর্ক করতে, তাই সে অন্য কোনো কাজও করতে পারেনা। এদিকে বাচ্চাদের খাবার জোগাড় করার কোনো ব্যবস্থা নাই। শেষমেষ সন্তানদের নিয়ে বাপের বাড়িতে চলে আসলো। বাবা-মা নেই, আছে ভাই-ভাবি। এখানে কিছুদিন থাকার পর ভাবিও দিনদিন বিভিন্ন ধরনের খোঁটা দিয়ে কথা বলে। বাবার বাড়িতে থাকাও যেন কষ্টকর হয়ে উঠেছে। তবুও কি করবে-যাওয়ার কোনো পথ নেই। এখন সে অনুভব করতে লাগলো-তার এখন দরকার আলাদা একটা ঘরের। যার কাছে মনের কষ্টগুলো বলতে পারে এরকম একজনকে দরকার। যে তার সমস্যাগুলো সমাধান করবে। কি করবে, কোথায় পাবে, কেউ তো তাকে বিবাহও করবেনা, বিবাহ করলেও তার সন্তানদের কি করবে ভেবে পাচ্ছেনা, তার সুখের জীবনটাই যেন যন্ত্রনার আগুনে দ্রোহ হচ্ছে আর দিনরাত কান্না করছে, কোনো লাভ হয়না। একজন বিধবা নারীর এরপর কি হতে পারে, পাঠক একটু চিন্তা করুন প্লিজ!
আপনি আমি কি চিন্তা করছি?
হে বোন! তুমি যেমন তোমার স্বামীকে একাই চাও, সে মরে গেলে তুমিও বিধবাই হবে, বোন! তোমাকেই বলছি, তুমি অন্য বিধবার প্রতি সহানুভূতিশীল হও, তোমার প্রতি আল্লাহ সদয় হবেন।
প্রিয় পাঠক! আল্লাহ পুরুষদেরকে বহুবিবাহের অনুমতি দিয়েছে, তার কারণও অনেক। চিন্তা করুন।
সমাপ্ত
টিকাঃ
১২০ লিখেছেন: Faisal R Mahbub