📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 তালাকের সংখ্যা

📄 তালাকের সংখ্যা


তালাকের সংখ্যা:
যে স্ত্রীর সাথে স্বামী সহবাস করেছে তার উপর স্বামী তিন বার তালাক দেয়ার ক্ষমতা লাভ করে। আলেমগণ সর্বসম্মত রায়ে বলেছেন, এক বাক্যে তিন তালাক দেয়া কিংবা পরপর ভিন্ন ভিন্ন বাক্যে একই পবিত্রতার মেয়াদের তিন তালাক দেয়া স্বামীর উপর হারাম। তারা এর কারণ বর্ণনা করেন এই যে, একবারে তিন তালাক দিয়ে ফেললে পরে অনুতপ্ত হলে প্রতিকারের পথ বন্ধ হয়ে যায়। শরিয়ত পর্যায়ক্রমে ও বিরতি সহকারে একাধিক তাল- াকের ব্যবস্থা করেছে, যাতে অনুতাপ ও অনুশোচনার ক্ষেত্রে প্রতিকার করতে পারে। তাছাড়া এ দ্বারা স্ত্রীর অপূরণীয় ক্ষতি সাধিত হয়। কেননা এ দ্বারা স্বামীর সাথে তার সম্পর্ক চিরতরে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

নাসায়ী মাহমুদ বিন লাবিদ থেকে বর্ণনা করেন: আমরা রসূলুল্লাহ সা.কে জানালাম, এক ব্যক্তি তার স্ত্রীকে এক সাথে তিন তালাক দিয়েছে। একথা শোনামাত্রই রসূলুল্লাহ সা. রাগান্বিত হয়ে উঠে দাঁড়ালেন এবং বললেন, আমি তোমাদের মধ্যে জীবিত থাকা অবস্থায়ই সে আল্লাহর কিতাব নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে? এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললো, হে রসূলুল্লাহ সা. তবে কি তাকে হত্যা করবো?' ইবনুল কাইয়িম বলেন, এ হাদিস থেকে বুঝা যায়, রসূলুল্লাহ সা. তাকে আল্লাহর কিতাবের সাথে ছিনিমিনি খেলার দায়ে অভিযুক্ত করেছেন। কেননা সে তালাকের পদ্ধতি লংঘন করেছে এবং আল্লাহ যা চেয়েছেন, তার সে বিরোধিতা করেছে। আল্লাহ চেয়েছেন, সে যদি তালাক দিতেই চায় তবে এমন তালাক দিক, যার পরে সে ইচ্ছা করলে স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে পারে। অথচ সে তিন তালাক দিয়ে এই ইচ্ছাই ব্যক্ত করলো যে, সে স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনার ক্ষমতা হাতে রাখতে চায়না। তাছাড়া এক সাথে তিন তালাক দেয়া আল্লাহর এই উক্তির সাথে সরাসরি সাংঘর্ষিক : 'তালাক দু'বার'। আরবি ভাষাতেই হোক অথবা পৃথিবীর আর যে কোনো ভাষাতেই হোক, যদি বলা হয়, দুইবার বা বহুবার, তাহলে স্পষ্টতই একবারের পর আরেকবার বুঝা যায়, এক সাথে একাধিকবার কখনো বুঝায়না। কাজেই কেউ যখন এক সাথে দুটো বা ততোধিক তালাক দেয়, তখন সে আল্লাহর নির্দিষ্ট সীমালংঘন করে, যা আল্লাহর কিতাব থেকে প্রমাণিত। তবে ইমামগণ এক সাথে একাধিক তালাক দানকে সর্বসম্মতভাবে হারাম মনে করলেও তিন তালাকের কার্যকারিতা নিয়ে মতভেদে লিপ্ত। যদি কার্যকর হয়, তবে কি একটা হবে, না কি তিন তালাক কার্যকর হবে?

কতক আলেম বলেন, তিন তালাক কার্যকর হবে। অন্যরা বলেন, এক তালাক হবে।

আবার কেউ কেউ বলেন, তালাক প্রাপ্তার সাথে সহবাস সম্পন্ন হয়ে থাকলে তিন তালাক হবে, নচেত এক তালাক হবে।

তিন তালাকের প্রবক্তাদের প্রমাণ হলো: فَإِنْ طَلَّقَهَا فَلَا تَحِلُّ لَهُ مِنْ بَعْدِ حَتَّى تَنْكِحَ زَوْجًا غَيْرَهُ

১. আল্লাহ বলেন, যদি সে স্ত্রীকে তালাক দেয়, তবে অতপর সেই স্ত্রী তার জন্য আর হালাল হবেনা, যতক্ষণ অন্য স্বামীকে বিয়ে না করে।'

২. আল্লাহ বলেন: وَإِنْ طَلَّقْتُمُوهُنَّ مِنْ قَبْلِ أَنْ تَمَسُّوهُنَّ وَقَدْ فَرَضْتُمْ . لا جُنَاحَ عَلَيْكُمْ إِنْ طَلَّقْتُمُ النِّسَاءَ .

"আর যদি তোমরা সহবাসের পূর্বে তালাক দাও”

৩. আল্লাহ বলেন: "তোমরা যদি স্ত্রীদেরকে তালাক দাও, তবে তাতে কোনো দোষ নেই।” এসব আয়াতের বক্তব্য থেকে স্পষ্টতই প্রতীয়মান হয়, এক, দুই বা তিন তালাক যাই দেয়া হোক, তা কার্যকর হবে। কেননা এখানে তালাকের সংখ্যায় কোনো পার্থক্য করা হয়নি।

৪. আর আল্লাহ বলেন ..... الطَّلَاقُ مَرْتَنِ مِن فَإِمْسَاكَ بِمَعْرُوفِ أَوْ تَسْرِيحٌ بِإِحْسَان

"তালাক দুবার। এরপর হয়, ন্যায়সংগতভাবে বহাল রাখতে হবে, নচেত সদাচারের সাথে বিদায় দিতে হবে।” এ আয়াত থেকে স্পষ্টত প্রতীয়মান হয়। তিন, বা দুই তালাক এক সাথে বা আলাদা আলাদাভাবে, যেভাবেই দেয়া হোক, বৈধ হবে ও কার্যকর হবে।

৫. ইমাম আহমদ সাহল বিন সাদ থেকে বর্ণনা করেন, বনু আজলানের এক সদস্য যখন তার স্ত্রীর সাথে লিয়ান করলো, তখন বললো, হে রসূল, তাকে বহাল রাখলে তার উপর যুলুম করা হবে। তাকে তালাক দিলাম, তালাক দিলাম, তালাক দিলাম।"

৬. আব্দুল্লাহ ইবনে উমর জানিয়েছেন, তিনি তার স্ত্রীকে এক তালাক দিলেন। তখন সে ঋতুবতী। অতপর তার পরবর্তী দুই পবিত্রতার মেয়াদে আরো দুই তালাক দিতে ইচ্ছুক ছিলেন। একথা জানতে পেরে রসূল সা. বললেন, হে ইবনে উমর, আল্লাহ তোমাকে এরকম আদেশ দেননি। তুমি সুন্নতের নিয়ম অনুসরণে ভুল করেছ। সুন্নত হলো, স্ত্রী যখন পবিত্রাবস্থার সম্মুখীন হবে, তখন প্রত্যেক পবিত্রাবস্থায় তালাক দিবে। অতপর রসূল সা.-এর আদেশক্রমে আমি তালাক প্রত্যাহার করলাম। তারপর তিনি বললেন, যখন স্ত্রী পবিত্র হবে, তখন হয় তালাক দাও, নচেত বহাল রাখো। আমি বললাম, হে রসূলুল্লাহ সা., আমি যদি তাকে তিন তালাক দিতাম তাহলে কেমন হতো? তালাক প্রত্যাহার করা কি আমার জন্য বৈধ হতো? তিনি বললেন, না, তার সাথে তোমার চূড়ান্ত বিচ্ছেদ ঘটে যেত এবং তা হতো গুনাহর কাজ।

৭. আব্দুর রাজ্জাক উবাদা ইবনে সামেত থেকে বর্ণনা করেছেন: "আমার দাদা তার এক স্ত্রীকে এক হাজার তালাক দিলেন। তারপর উবাদা রসূলুল্লাহ সা.-এর নিকট গেলেন এবং ঘটনা জানালেন। রসূলুল্লাহ সা. বললেন, তোমার দাদা তাকওয়ার উপযোগী কাজ করেনি। এক হাজার তালাকের মধ্যে তিনটে তার। আর বাকি নয়শো সাতানব্বইটি অন্যায় ও যুলুম। আল্লাহ তাকে ক্ষমা করতে চাইলে করবেন, আর আযাব দিতে চাইলে দেবেন।"

অন্য বর্ণনা মতে, তোমার দাদা আল্লাহকে ভয় করেনি এবং নিজের জন্য উদ্ধারের পথ রাখেনি। তিন তালাকের মাধ্যমে স্ত্রী তার কাছ থেকে সুন্নত বিরোধী পন্থায় আলাদা হয়ে গেছে। আর নয়শো সাতানব্বইটি তালাকই তার ঘাড়ে পাপ হয়ে ঝুলে রয়েছে।

৮. রুকানার হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, রসূলুল্লাহ সা. তার কাছ থেকে এই মর্মে শপথ গ্রহণ করেন যে, সে এক তালাকের বেশি দিতে চায়নি। এ থেকে প্রমাণিত হয়, সে তিন তালাক দিতে চাইলে তা কার্যকর হয়ে যেতো। এটা অধিকাংশ তাবেয়ি, বিপুল সংখ্যক সাহাবি ও চার মাযহাবের ইমামদের অভিমত।

পক্ষান্তরে যারা বলেন, এক সাথে একাধিক তালাক দিলেও এক তালাকই কার্যকর হবে, তাদের প্রমাণগুলো নিম্নরূপ:

প্রথমত মুসলিম বর্ণিত হাদিস, আবু সোহাবা ইবনে আব্বাস রা.কে বললেন, আপনি কি জানেন, রসূলুল্লাহ সা. ও আবু বকরের আমলে এবং উমরের আমলের প্রথম ভাগে তিন তালাককে এক তালাক গণ্য করা হতো? ইবনে আব্বাস বললেন, হ্যাঁ, জানি।

মুসলিম থেকে আরো বার্ণিত, রসূলুল্লাহ সা.-এর আমলে আবু বকরের আমলে এবং উমরের খিলাফতের দু'বছর ব্যাপী তিন তালাক এক তালাক গণ্য হতো। উমর রা. বললেন, লোকেরা এমন একটা ব্যাপার নিয়ে তাড়াহুড়ো করছে, যাতে তাদের (তালাক প্রত্যাহারের) অবকাশ ছিলো। এখন আমরা যদি তা চালু করি, তবে কেমন হবে? অতপর তিনি সেটা চালু করলেন। অর্থাৎ আগে লোকেরা এক তালাক দিতো। আর আজকাল এক সাথে তিন তালাক দেয়।

দ্বিতীয়ত, ইকরামা ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন: "রুকানা তার স্ত্রীকে একই বৈঠকে তিন তালাক দিয়ে দিলো। অতপর সে তার জন্য খুব উতলা হয়ে পড়লো। রসূলুল্লাহ সা. তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, কিভাবে তালাক দিয়েছিলে? সে বললো, তিন তালাক। রসূলুল্লাহ সা. বললেন, একই বৈঠকে? সে বললো, হ্যাঁ। তিনি বললেন, ওটা এক তালাক ব্যতীত অন্য কিছু নয়। তুমি ইচ্ছা করলে তোমার স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে পারো। অতপর সে ফিরিয়ে আনলো। -আহমদ, আবু দাউদ।

ইবনে তাইমিয়া বলেছেন, (ফাতওয়া, ৩য় খণ্ড, ২২ পৃ:): "শরিয়তের উৎসসমূহে, তথা কুরআনে, সুন্নতে, ইজমায় ও কিয়াসে, এমন কিছু নেই, যা দ্বারা তার জন্য তিন তালাক অবধারিত হয়ে পড়ে। তার বিয়ে নিশ্চিতভাবে বহাল রয়েছে। নিশ্চিতভাবে তার স্ত্রী অন্য পুরুষের জন্য নিষিদ্ধ। যদি তিন তালাক অবধারিত হতো, তাহলে তার স্ত্রী তার জন্য হারাম ও অন্যদের জন্য হালাল হয়ে যেত। তাছাড়া আল্লাহ ও তার রসূল যে হিল্লা বিয়ে হারাম করেছেন, তার জন্য ওজুহাত খোঁজার পথ খুলে যেত। রসূলুল্লাহ সা. ও তার খলিফাদের আমলে হিল্লা বিয়ে বা তাহলীল বিয়ের উদ্ভব ঘটেনি। এমন কোনো ঘটনা বর্ণিত হয়নি যে, তাদের আমলে কোনো স্ত্রীকে তিন তালাকের পর তাহলীলের মাধ্যমে তার স্বামীর নিকট ফিরিয়ে নেয়া হয়েছে। বরং রসূলুল্লাহ সা. যে ব্যক্তি তাহলীল বিয়ে করে এবং যার জন্য করে, উভয়কে অভিসম্পাত করেছেন। মোটকথা, রসূলুল্লাহ সা. এটিকে তার উম্মতের জন্য এমন কোনো শরয়ী বিধানে পরিণত করেননি, যার কোনো পরিবর্তন সম্ভব নয়। কারণ রসূলুল্লাহ সা.-এর পরে কোনো বিধান রহিত করা সম্ভব নয়। রসূলুল্লাহ সা. থেকে বিশুদ্ধভাবে প্রমাণিত, তাছাড়া আবু বকরের আমলে ও উমরের খেলাফতের প্রথমভাগে তিন তালাক এক তালাক গণ্য হতো। পরবর্তীকালে বড়জোর যেটুকু প্রতীয়মান হয় তা হলো, সাহাবিগণ এই বিধানই অনুসরণ করে চলতেন, কিন্তু তিনি জানতেননা।

এটা যদিও অসম্ভবের মত মনে হয়, তবে এ থেকে প্রমাণিত হয়, তারা তাঁর আমলে ও আবু বকরের আমলে এই বিধি অনুসারেই ফতোয়া দিতেন। রসূলুল্লাহ সা.ও ইতিপূর্বে এভাবেই ফতোয়া দিয়েছেন। তাঁর ফতোয়া এটাই। তাঁর সাহাবিগণ এই ফতোয়া এমনভাবে কার্যকর করেছেন যেন হাতে হাতেই নিয়েছেন এবং কেউ তার বিরোধিতাও করেননি।

উমর রা. এক পর্যায়ে জনগণকে শাস্তি হিসেবে তিন তালাক কার্যকর করা পছন্দ করেছিলেন, যাতে তারা আর কখনো এক সাথে তিন তালাক না দেয়। এটা ছিলো উমর রা.-এর ইজতিহাদ। তাঁর উদ্দেশ্য ছিলো একটা জনহিতকর ব্যবস্থা চালু করা। তাই বলে উমারের এই ইজতিহাদের কারণে রসূলুল্লাহ সা.-এর ফতোয়াকে ত্যাগ করা বৈধ নয়। কেননা তাঁর সাহাবিগণ তাঁর আমলে ও তাঁর খলিফাদের আমলে এই ফতোয়াই অনুসরণ করতেন। সত্য যখন প্রকাশিত হলো, তখন যার যা ইচ্ছা বলুক।

ইমাম শওকানি বলেছেন, আবু মূসা, আলী, ইবনে আব্বাস, তাউস, আতা, জাবের, ইবনে যায়দ, হাদি, কাসেম, বাকের, আহমদ ইবনে ঈসা, আব্দুল্লাহ ইবনে মূসা, যায়দ বিন আলি, ইবনে তাইমিয়া, ইবনুল কাইয়েম, ইবনে দিনার, ইবনে মাসউদ, আব্দুর রহমান বিন আওযা ও যুবাইরের অভিমতও এরূপ। আর এই অভিমত সাম্প্রতিককালে আদালতেও চালু হয়েছে।

পক্ষান্তরে যারা বলেন, এক সাথে তিন তালাক দিলে আদৌ তালাকই হয়না। তাদের যুক্তি হলো, এটা বেদয়াতি তালাক, যা সম্পূর্ণ নিরর্থক। কিছু সংখ্যক তাবেয়ি, যথা ইবনে আলিয়া, হিশাম, আবু উবায়দা, যাহেরি মাযহাবের কতক ইমাম, বাকের, সাদেক, নাসের প্রমুখ এই মতের প্রবক্তা। তাদের বক্তব্য হলো, বেদয়াতি তালাক কার্যকর হয়না। আর যারা সহবাসের আগে ও পরে তালাক দেয়ায় পার্থক্য করেন, তারা ইবনে আব্বাস ও ইসহাক বিন রাহওয়ারই এর একদল শিষ্য।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 বিচ্ছেদের তালাক

📄 বিচ্ছেদের তালাক


বিচ্ছেদের তালাক:
ইমাম তিরমিযি বলেছেন, বিচ্ছেদের তালাক সম্পর্কে সাহাবি ও তাদের পরবর্তী আলেমদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। উমর ইবনুল খাত্তাব রা. বিচ্ছেদের তালাক এক তালাক বলে অভিমত দিয়েছেন, আর আলি রা. একে তিন তালাকে রূপান্তরিত করেছেন। কেউ কেউ বলেন, এতে স্বামীর নিয়ত বিচার্য। সে যদি এক তালাকের নিয়ত করে থাকে তবে তা এক তালাক। আর যদি তিন তালাক নিয়ত করে তবে তিন তালাক। আর দুই তালাক নিয়ত করলে এক তালাক হবে। এটা ইমাম ছাওরি ও কুফাবাসি আলেমদের মত। মালেক ইবনে আনাস বলেন, যে স্ত্রীর সাথে সহবাস করা হয়েছে, তার ক্ষেত্রে বিচ্ছেদ অর্থ তিন তালাক। শাফেয়ি বলেন, এক তালাকের নিয়ত করে থাকলে এক তালাক হবে এবং স্বামী তা প্রত্যাহার করতে পারবে। আর দুই তালাক নিয়ত করলে দুই এবং তিন তালাক নিয়ত করলে তিন তালাক পড়বে।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 রজয়ী ও বায়েন তালাক

📄 রজয়ী ও বায়েন তালাক


রজয়ী ও বায়েন তালাক:
তালাক রজয়ি (অর্থাৎ প্রত্যাহারযোগ্য) অথবা বায়েন (বিচ্ছেদকারী বা অপ্রত্যাহারযোগ্য) এই দু'রকমের হয়ে থাকে। আর বায়েনও হয়ে থাকে দুই প্রকারের ছোট বায়েন ও বড় বায়েন। উভয় প্রকারের তালাকের সুনির্দিষ্ট বিধান রয়েছে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00