📘 Biggan zakir naik > 📄 শারীরবৃত্ত বিজ্ঞান

📄 শারীরবৃত্ত বিজ্ঞান


এ নীতিগর্ভ উপমাটি সেসব মানুষের দুর্বলতার দিকেও ইঙ্গিত করে যারা দুনিয়া ও আখেরাতের মুক্তির জন্য আল্লাহ ভিন্ন অন্য কারো কাছে সাহায্য চায়।

📘 Biggan zakir naik > 📄 রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া ও দুধ

📄 রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া ও দুধ


মুসলিম বিজ্ঞানী ইবনে নাফীস রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া উপস্থাপন করার ৬০০ বছর পূর্বে এবং পশ্চিমা বিশ্বে উইলিয়াম হারওয়ের এই মত উপস্থাপনের ১০০০ বছর পূর্বেই কুরআন নাযিল হয়েছিল। অস্ত্রে (পাকস্থলী থেকে মলদ্বার পর্যন্ত খাদ্যনালীর নিম্নাংশ) কী ঘটে তা প্রায় ১৩ শতাব্দি পূর্বে জানা যায় কারণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গ অবশ্যই পরিপাকক্রিয়ার শোষণের মাধ্যমে পরিপুষ্ট হয়। কুরআনের একটি আয়াত দুধের উপাদানের উৎস সম্পর্কে বর্ণনা করে যা এই মতগুলোর সাথে সংগতিপূর্ণ।
উপরের মতগুলো সম্পর্কে কুরআনের আয়াত বুঝতে হলে, এটা জানা দরকার যে, অস্ত্রে যে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে এবং সেখানে খাদ্য থেকে যেসব খাদ্যরস শোষিত হয় তা এক জটিল প্রক্রিয়ায় রক্তে মিশে যায়; কখনো কখনো তা রাসায়নিক বৈশিষ্ট্যের উপর নির্ভর করে লিভারের (যকৃত) মাধ্যমে রক্তে প্রবাহিত হয়। তারপর সেগুলোকে রক্ত শরীরের প্রত্যেক অঙ্গপ্রত্যঙ্গে পৌঁছে দেয়, যার মধ্যে দুধ উৎপাদনকারী লালাগ্রন্থিও অন্তর্ভুক্ত।
সহজ কথায়, অস্ত্রের অভ্যন্তরস্থ বিশেষ ধরণের কিছু নির্যাস অস্ত্রের আবরণের মধ্য দিয়ে বেরিয়ে রক্ত সঞ্চালনের মাধ্যমে বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গে পৌঁছায়।
কুরআনের নিম্নলিখিত আয়াতগুলো বুঝতে হলে শারীরবৃত্তীয় বৈজ্ঞানিক ধারণাটি অবশ্যই পুরোপুরি সঠিকভাবে মূল্যায়িত করতে হবেঃ
وَإِنَّ لَكُمْ فِي الْأَنْعَامِ لَعِبْرَةً ۖ نُّسْقِيكُم مِّمَّا فِي بُطُونِهِ مِن بَيْنِ فَرْثٍ وَدَمٍ لَّبَنًا خَالِصًا سَائِغًا لِّلشَّارِبِينَ
"তোমাদের জন্য গবাদি পশুতেও অবশ্যই শিক্ষা নিহিত রয়েছে। তোমাদেরকে পান করাই ওদের পেটের গোবর আর রক্তের থেকে উৎপন্ন বিশুদ্ধ দুগ্ধ যা পানকারীদের জন্য খুবই উপদেয়।" আর গবাদি পশুর ভিতরে তোমাদের জন্য অবশ্যই শিক্ষণীয় দৃষ্টান্ত রয়েছে।
তাদের পেটে যা আছে তাথেকে আমি তোমাদেরকে পান করাই (দুধ) আর ওতে তোমাদের জন্য আছে বহুবিধ উপকার। তোমরা তাথেকে খাও (গোশত)।
গবাদি পশুর দুধ উৎপাদন সম্পর্কে কুরআনের ১৪০০ বছর আগের বর্ণনা আর অতি সাম্প্রতিক আধুনিক শারীরবৃত্ত বিজ্ঞান যা আবিষ্কার করেছে তাতো বিস্ময়করভাবে মিল রয়েছে।

📘 Biggan zakir naik > 📄 পিঁপড়ার জীবনপ্রণালী ও যোগাযোগ

📄 পিঁপড়ার জীবনপ্রণালী ও যোগাযোগ


এপ্রসঙ্গে আল্লাহ পাক কোরআনে বলেন-
"আর সুলাইমানের সামনে তাঁর বাহিনীকে সমবেত করা হয়েছিল, জীন ও মানুষ ও পাখিদের থেকে; আর তাদের কুচকাওয়াজ করানো হলো। তারপর যখন তাঁরা পিঁপড়াদের উপত্যকায় এসেছিলেন তখন একজন পিঁপড়া বলল- "ওহে নমল জাতি! তোমাদের বাড়িঘরে ঢুকে যাও, সুলাইমান ও তাঁর বাহিনী যেন তাদের অজ্ঞাতসারে তোমাদের পিষে না ফেলে" -আন-নমলঃ ১৭-১৮
পিঁপড়াদের একে অপরের সাথে কথা বলা এবং উন্নত পর্যায়ের বার্তা আদান-প্রদান করার বিষয়টি কুরআনে বর্ণিত হওয়ার কারণে অতীতে কিছু মূর্খ মানুষ কুরআনকে রূপকথার গল্প হিসেবে আখ্যায়িত করে এর প্রতি ব্যঙ্গ- বিদ্রুপ করত। সাম্প্রতিক কালে গবেষণায় পিঁপড়ার জীবনপ্রণালী সম্পর্কে কিছু বাস্তবতা জানা গেছে, যে সম্পর্কে মানুষ পূর্বে জ্ঞাত ছিল না। গবেষণায় দেখা গেছে, মানুষের জীবনপ্রণালীর সাথে যে প্রাণী বা কীটপতঙ্গের জীবনপ্রণালীর সবচেয়ে বেশি সাদৃশ্য রয়েছে তা হল পিঁপড়া। এ সম্পর্কে নীচের তথ্যগুলো থেকে বিষয়টির যথার্থতা প্রমাণ করা যায়:
(ক) মানুষের মতই তাদের মৃতদেহকে মাটিতে সমাহিত করে।
(খ) পিপীলিকাদের উন্নত পর্যায়ের শ্রম বিভাজন পদ্ধতি রয়েছে ফলে তাদের মধ্যে ব্যবস্থাপক, তত্ত্বাবধায়ক, সর্দার (শ্রমিকদের প্রধান), শ্রমিক ইত্যাদি রয়েছে।
(গ) কোন কোন সময় তারা খোশগল্প করতে একত্রিত হয়।
(ঘ) নিজেদের মধ্যে যোগাযোগের জন্য পিঁপড়াদের অত্যন্ত অগ্রসর পন্থা রয়েছে।
(ঙ) পিপীলিকারা নিয়মিত বাজার বসায় যেখানে তারা পণ্য বিনিময় করে।
(চ) শীতকালে তারা দীর্ঘদিনের জন্য খাদ্যশস্য মজুদ করে রাখে এবং খাদ্যশস্য অঙ্কুরিত হলে তারা শিকড় কেটে দেয়; মনে হয় তারা এটা বুঝতে পারে যে, খাদ্যশস্যকে অঙ্কুরিত অবস্থায় রেখে দিলে তা পচে যাবে। যদি তাদের মজুদকৃত খাদ্যশস্য বৃষ্টির কারণে ভিজে যায়, তাহলে তারা এগুলোকে রোদ্রে শুকাতে বাইরে যায় এবং শুকানোর পর আবার ভিতরে নিয়ে যায়; মনে হয় তারা এটাও জানে যে, আর্দ্রতায় খাদ্যশস্য অঙ্কুরিত হবে, ফলে তা পচে যাবে।

📘 Biggan zakir naik > 📄 চিকিৎসা বিজ্ঞান

📄 চিকিৎসা বিজ্ঞান


এই অধ্যায়ে কোনো কন্টেন্ট এখনো যোগ করা হয়নি।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00