সুনানে আবু দাউদ অঃ→রোগীকে দেখতে গিয়ে তার জন্য দু’আ করা হাঃ-৩১০৬

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে ব্যক্তি এমন রোগীকে দেখতে গেলো যার অন্তিম সময় আসেনি, সে যেন তার সামনে সাতবার বলে : “আমি মহান আরশের প্রভু মহামহিম আল্লাহ্‌র নিকট প্রার্থনা করছি, তিনি যেন তোমাকে রোগমুক্তি দেন,” তাহলে তাকে নিশ্চয়ই রোগমুক্তি দেয়া হবে। সহীহ : মিশকাত (১৫৫৩)।


জামে' আত-তিরমিজি অঃ→রোগীর জন্য দু’আ তাঁর সুস্থতার কারণ হয় হাঃ-২০৮৩

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন লোক যদি কোন রোগীকে দেখতে যায় যার মৃত্যুক্ষণ আসেনি, সে তাকে সাতবার এই দু’আ করলে : “আমি মহান আরশের রব (প্রভু) মহামহিম আল্লাহ তা’আলার নিকট দু’আ প্রার্থনা করছি, তিনি তোমাকে রোগ হতে সুস্থতা দান করুন”, তাকে রোগমুক্ত করা হবে। সহীহ, মিশকাত (১৫৫৩), আল কালিমুত তাইয়্যিব (১৪৯)।


Al-Hakim (1/342) — এই reference-এর হাদিস টেক্সট বর্তমান হাদিস DB-তে পাওয়া যায়নি।

সুনান নাসাঈ অঃ→রুকুতে প্রতিপালকের শ্রেষ্ঠত্ব ও মর্যাদা বর্ণনা করা হাঃ-১০৪৫

ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পর্দা উন্মোচন করলেন, তখন লোক আবু বকর (রাঃ)- এর পেছনে কাতারে দাঁড়ানো ছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে লোক সকল! নবুয়তের সুসংবাদ আর অবশিষ্ট থাকবে না, নেক সপ্ন ব্যতিত যা মুসলমান দেখবে এবং তাঁকে দেখানো হবে। এরপর তিনি বললেন, তোমরা শুনে রেখ ! আমাকে নিষেধ করা হয়েছে রুকু অবস্থায় কিরাআত থেকে এবং সিজদা অবস্থায়। রুকুতে তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের শ্রেষ্ঠত্ব ও মর্যাদা বর্ণনা কর। আর সিজদায় তোমরা দোয়া করতে চেষ্টা কর। তোমাদের জন্য দোয়া কবুল হওয়ার উপযুক্ত সময় এটাই।


সুনান নাসাঈ অঃ→রুকূ’র দোয়া হাঃ-১০৪৬

হুযায়ফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে সালাত আদায় করেছি। তিনি রুকু করতে গিয়ে বললেন, ‘সুবহানা রাব্বিয়াল আজীম’ আর সিজদা করতে গিয়ে বললেন, ‘সুবহানা রাব্বিয়াল আ’লা’।


সুনান নাসাঈ অঃ→রুকূ’র অন্য প্রকার দোয়া হাঃ-১০৪৭

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অধিকাংশ সময় রুকূ এবং সিজদায় বলতেনঃ (আরবী)।


Al-Tabarani (1115) — এই reference-এর হাদিস টেক্সট বর্তমান হাদিস DB-তে পাওয়া যায়নি।
Al-Tabarani (1116) — এই reference-এর হাদিস টেক্সট বর্তমান হাদিস DB-তে পাওয়া যায়নি।
Al-Tabarani (1118) — এই reference-এর হাদিস টেক্সট বর্তমান হাদিস DB-তে পাওয়া যায়নি।
Al-Tabarani (1119) — এই reference-এর হাদিস টেক্সট বর্তমান হাদিস DB-তে পাওয়া যায়নি।
Al-Tabarani (1117) — এই reference-এর হাদিস টেক্সট বর্তমান হাদিস DB-তে পাওয়া যায়নি।
Al-Tabarani (1120) — এই reference-এর হাদিস টেক্সট বর্তমান হাদিস DB-তে পাওয়া যায়নি।
Ahmad (2138) — এই reference-এর হাদিস টেক্সট বর্তমান হাদিস DB-তে পাওয়া যায়নি।
Ahmad (3298) — এই reference-এর হাদিস টেক্সট বর্তমান হাদিস DB-তে পাওয়া যায়নি।
Bukhari Adab al-Mufrad (536) — এই reference-এর হাদিস টেক্সট বর্তমান হাদিস DB-তে পাওয়া যায়নি।
Al-Hakim (4/213) — এই reference-এর হাদিস টেক্সট বর্তমান হাদিস DB-তে পাওয়া যায়নি।
Ibn Hibban (2975) — এই reference-এর হাদিস টেক্সট বর্তমান হাদিস DB-তে পাওয়া যায়নি।

বিষয়ভিত্তিক হাদিস লোড হচ্ছে...

এ্যাডভান্স এনালাসিস লোড হচ্ছে...