সহিহ মুসলিম অঃ→ফাজরের সলাতের কিরাআত হাঃ-৯১৯

আবূ বারযাহ্‌ আল আস্‌লামী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফাজরের সলাতে ষাট থেকে একশ আয়াত পর্যন্ত পাঠ করতেন। (ই.ফা. ৯১৪, ই.সে. ৯২৬)


জামে' আত-তিরমিজি অঃ→অন্তিম সময়ের লোককে তালকীন দেয়া এবং তার জন্য দু’আ করা হাঃ-৯৭৭

উম্মু সালামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমাদেরকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন অসুস্থ বা মৃত লোকের নিকটে তোমরা হাযির হলে তার সম্বন্ধে ভাল কথা বলবে। কেননা, তোমরা যেসব কথা বল সে প্রসঙ্গে ফেরেশতাগণ আমীন বলে থাকেন। উন্মু সালামা (রাঃ) বলেন, আবূ সালামা (রাঃ) মারা যাবার পর আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকটে এসে বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আবূ সালামা মারা গিয়েছে। তিনি বললেনঃ তুমি বল, “হে আল্লাহ আমাকে এবং তাকে ক্ষমা করে দিন এবং তার পরে আমাকে তার চেয়ে আরও উত্তম পরিণতি দান করুন। উম্মু সালামা (রাঃ) বলেন, আমি বুঝতে পারলাম যে, আল্লাহ্ তা'আলা তার পরবর্তীতে আমাকে তার চাইতে উত্তম ব্যক্তি দান করেছেন। তিনি হচ্ছেন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। -সহীহ, ইবনু মা-জাহ (১৪৪৭), মুসলিম।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ→রোগীর নিকট উপস্থিত হয়ে যে দুআ পড়তে হয়। হাঃ-১৪৪৭

উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা রোগী কিংবা মৃতের নিকট উপস্থিত হলে (তার সম্পর্কে) ভালো কথা বলবে। কেননা তোমরা যা বলবে, ফেরেশতারা তার উপর আমীন’ বলবেন। আবূ সালামাহ (রাঃ) ইনতিকাল করলে, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আবূ সালামাহ ইন্তিকাল করেছেন। তিনি বলেন, তুমি বলো, “হে আল্লাহ্! তুমি আমাকে ও তাকে ক্ষমা করো এবং আমাকে তার চেয়েও উত্তম প্রতিদান দাও।” রাবী বলেন, আমি তাই করলাম। আল্লাহ্ আমাকে তার চাইতেও উত্তম বিনিময় মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দান করেছেন। [১৪৪৭]


জামে' আত-তিরমিজি অঃ→(জ্বর পৃথিবীতে মু’মিন গুনাহগানের শাস্তি) হাঃ-২০৮৭

আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রা:) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তোমরা কোন অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে গেলে তাকে বেঁচে থাকারই আশান্বিত করবে। তা যদিও কোন কিছুকে (তাকদীরকে) রোধ করতে পারবে না তবুও তার মনটা এতে প্রফুল্ল হবে, শান্তি পাবে। খুবই দুর্বল। যঈফা (১৮৪), আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি গারীব।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ→রোগীকে দেখতে যাওয়া হাঃ-১৪৩৮

আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, বলেছেনঃ তোমরা রুগ্ন ব্যক্তিকে দেখতে গেলে তার দীর্ঘায়ু কামনা করবে। যদিও তা কিছুই প্রতিরোধ করতে পারে না, তবুও তা রোগীর অন্তরে আনন্দের উদ্রেক করে। [১৪৩৮]


Al-'Ilal (2/241) — এই reference-এর হাদিস টেক্সট বর্তমান হাদিস DB-তে পাওয়া যায়নি।

বিষয়ভিত্তিক হাদিস লোড হচ্ছে...

এ্যাডভান্স এনালাসিস লোড হচ্ছে...