সহিহ বুখারী অঃ→মৃগী রোগে আক্রান্ত রোগীর ফাযীলাত । হাঃ-৫৬৫২

আত্বা ইবনু আবূ রাবাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) আমাকে বললেনঃ আমি কি তোমাকে একজন জান্নাতী মহিলা দেখাব না? আমি বললামঃ অবশ্যই। তখন তিনি বললেনঃ এই কালো রঙের মহিলাটি, সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসেছিল। তারপর সে বললঃ আমি মৃগী রোগে আক্রান্ত হই এবং এ অবস্থায় আমার লজ্জাস্থান খুলে যায়। সুতরাং আপনি আমার জন্য আল্লাহ্‌র কাছে দু’আ করুন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি যদি চাও ধৈর্যধারণ করতে পার। তোমার জন্য আছে জান্নাত। আর তুমি যদি চাও, তাহলে আমি আল্লাহ্‌র কাছে দু’আ করি, যেন তোমাকে আরোগ্য করেন। স্ত্রীলোকটি বললঃ আমি ধৈর্যধারণ করব। সে বললঃ ঐ অবস্থায় আমার লজ্জাস্থান খুলে যায়, কাজেই আল্লাহর নিকট দু’আ করুন যেন আমার লজ্জাস্থান খুলে না যায়। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর জন্য দু’আ করলেন। ‘আত্বা (রহ:) হতে বর্ণিত যে, তিনি সেই উম্মু যুফার (রাঃ) -কে দেখেছেন কা’বার গিলাফ ধরা অবস্থায়। সে ছিল দীর্ঘ দেহী কৃষ্ণ বর্ণের এক মহিলা।[মুসলিম ৪৫/১৪, হাঃ ২৫৭৬, আহমাদ ৩২৪০]আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৪১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৩৭)


সহিহ মুসলিম অঃ→আল্লাহর বাণী –“আর যারা সিয়াম পালন করতে সক্ষম তারা ফিদ্‌ইয়াহ্ হিসেবে একজন মিসকীনকে খাদ্য দিবে” – এ হুকুম মানসূখ হয়ে গেছে হাঃ-২৫৭৬

সালমাহ্ ইবনু আকওয়া’ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর যুগে রমাযান মাসে আমাদের মধ্যে যার ইচ্ছা হত সিয়াম পালন করত আর যে চাইত ভঙ্গ করত এবং এর বিনিময়ে ফিদইয়াহ্ হিসেবে একজন মিসকীনকে খাদ্য দান করত। অবশেষে এ আয়াত নাযিল হল, “কাজেই আজ হতে যে ব্যক্তিই এ মাসের সম্মুখিন হবে তার জন্য এ পূর্ণ মাসের সিয়াম পালন করা একান্ত কর্তব্য।” (ই.ফা. ২৫৫৩, ই.সে. ২৫৫২)


বিষয়ভিত্তিক হাদিস লোড হচ্ছে...

এ্যাডভান্স এনালাসিস লোড হচ্ছে...