সহিহ বুখারী অঃ→মহান আল্লাহ্‌র বাণী : “অতঃপর যখন সালাত সমাপ্ত হবে তখন তোমরা যমীনে ছড়িয়ে পড়বে এবং আল্লাহ্‌র অনুগ্রহ তালাশ করবে।” (সুরাহ্ জুমু’আ ৬২/১০) হাঃ-৯৩৯

সাহ্‌ল ইব্‌নু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আরো বলেছেন, জুমু’আ (সালাতের) পরই আমরা কায়লূলাহ (দুপুরের শয়ন ও হাল্‌কা নিদ্রা) এবং দুপুরের আহার্য গ্রহণ করতাম।


সহিহ মুসলিম অঃ→সলাতের লাইনগুলো সুশৃঙ্খলভাবে সমান করে সাজানো, প্রথম লাইনের মর্যাদা, প্রথম লাইনে দাঁড়ানোর জন্য ভীড় করে অগ্রগামী হওয়া এবং মর্যাদাসম্পন্ন লোকেদের সামনে যাওয়া ও ইমামের কাছে দাঁড়ানো হাঃ-৮৫৯

ইবনু 'উয়াইনাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি এ সূত্রেও উপরের হাদীসের অনুরূপ হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। (ই.ফা. ৮৫৫, ই.সে. ৮৬৮)


সহিহ বুখারী অঃ→মহান আল্লাহ্‌র বাণী : “অতঃপর যখন সালাত সমাপ্ত হবে তখন তোমরা যমীনে ছড়িয়ে পড়বে এবং আল্লাহ্‌র অনুগ্রহ তালাশ করবে।” (সুরাহ্ জুমু’আ ৬২/১০) হাঃ-৯৩৮

সাহ্‌ল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমাদের মধ্যে বসবাসকারিণী জনৈকা মহিলা একটি ছোট নহরের পাশে ক্ষেতে বীটের চাষ করতেন। জুমু’আর দিনে সে বীটের মূল তুলে এনে রান্নার জন্য ডেগে চড়াতেন এবং এর উপর এক মুঠো যবের আটা দিয়ে রান্না করতেন। তখন এ বীট মূলই এর গোশ্‌ত (গোশতের বিকল্প) হয়ে যেত। আমরা জুমু’আর সালাত হতে ফিরে এসে তাঁকে সালাম দিতাম। তিনি তখন খাদ্য আমাদের সামনে রাখতেন এবং আমরা তা খেতাম। আমরা সে খাদ্যের আশায় জুমু’আর দিন উদগ্রীব থাকতাম।


সহিহ বুখারী অঃ→গাছ লাগানো সম্পর্কে। হাঃ-২৩৪৯

সাহ্‌ল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, জুমু’আর দিন আসলে আমরা আনন্দিত হতাম এজন্য যে, আমাদের (প্রতিবেশী) এক বৃদ্ধা ছিলেন, তিনি আমাদের নালার ধারে লাগানো বীট গাছের মূল তুলে এনে তার ডেকচিতে রাখতেন এবং তার সাথে যবের দানাও মিশাতেন। (বর্ণনাকারী বলেন) আমার যতটুকু মনে পড়ে তিনি (সাহ্‌ল) বলেছেন যে, তাতে কোন চর্বি না তৈলাক্ত কিছু থাকত না। আমরা জুমু’আর সালাতের পর বৃদ্ধার নিকট আসতাম এবং তিনি তা আমাদের সামনে পরিবেশন করতেন। এ কারণে জুমু’আর দিন আমাদের খুব আনন্দ হত। আমরা জুমু’আর সালাতের পরই আহার করতাম এবং কায়লুলাহ (বিশ্রাম) করতাম।


বিষয়ভিত্তিক হাদিস লোড হচ্ছে...

এ্যাডভান্স এনালাসিস লোড হচ্ছে...