সুনানে আবু দাউদ অঃ→জুমু’আহর দিন ও জুমু’আহর রাতের ফযীলত সম্পর্কে হাঃ-১০৪৭

আওস ইবনু আওস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের দিনসমূহের মধ্যে সর্বোত্তম হল জুমু’আহর দিন। এদিন আদম (আ)-কে সৃষ্টি করা হয়েছিলো, এদিনই তাঁর রূহ কবজ করা হয়েছিলো, এদিন শিংগায় ফুৎকার দেয়া হবে এবং এদিনই বিকট শব্দ করা হবে। কাজেই এদিন তোমরা আমার উপর বেশী দরূদ পাঠ করো। কারণ তোমাদের দরূদ আমার কাছে পেশ করা হয়। আওস ইবনু আওস (রাঃ) বলেন, লোকেরা বুঝতে চাচ্ছিল আপনার শরীর তো জরাজীর্ণ হয়ে মিশে যাবে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ মহান সর্বশক্তিমান আল্লাহ মাটির জন্য নাবী-রসূলগনের দেহকে হারাম করে দিয়েছেন।


সুনান নাসাঈ অঃ→সালামের পর (বিতাড়িত শয়তান থেকে) পানাহ চাওয়া হাঃ-১৩৪৭

মুসলিম ইব্‌ন আবূ বাকরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার পিতা প্রত্যেক সালাতের পর বলতেনঃ (আরবি) তারপর আমিও তা বলতে থাকলে আমার পিতা আমাকে বললেন, হে বৎস! তুমি এ দোয়াগুলো কার কাছ থেকে শিখেছ? আমি বললাম, আপনার কাছ থেকে। তারপর তিনি বললেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (প্রত্যেক) সালাতের পর এই দোয়াগুলো বলতেন।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ→নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইনতিকাল ও তার কাফন-দাফন। হাঃ-১৬৩৬

আওস বিন আওস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, এদিনই শিংগায় ফুঁ দেয়া হবে এবং এদিনই কিয়ামাত সংঘটিত হবে। অতএব তোমরা এদিন আমার প্রতি অধিক সংখ্যায় দুরূদ ও সালাম পেশ করো। কেননা তোমাদের দুরূদ আমার সামনে পেশ করা হয়। এক ব্যক্তি বললো, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমাদের দুরূদ আপনার নিকট কিভাবে পেশ করা হবে, অথচ আপনি তো মাটির সাথে মিশে যাবেন? তিনি বলেন, আল্লাহ তা’আলা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)গণের দেহ ভক্ষণ যমীনের জন্য হারাম করে দিয়েছেন। [১৬৩৪]


Ibn Khuzaymah (1733) — এই reference-এর হাদিস টেক্সট বর্তমান হাদিস DB-তে পাওয়া যায়নি।
Ibn Hibban (910) — এই reference-এর হাদিস টেক্সট বর্তমান হাদিস DB-তে পাওয়া যায়নি।
Al-Hakim (1/278) — এই reference-এর হাদিস টেক্সট বর্তমান হাদিস DB-তে পাওয়া যায়নি।
Al-Adhkar (97) — এই reference-এর হাদিস টেক্সট বর্তমান হাদিস DB-তে পাওয়া যায়নি।
Jalaa al-Afham (66) — এই reference-এর হাদিস টেক্সট বর্তমান হাদিস DB-তে পাওয়া যায়নি।
Jalaa al-Afham (67) — এই reference-এর হাদিস টেক্সট বর্তমান হাদিস DB-তে পাওয়া যায়নি।
Al-Bayhaqi (3/249) — এই reference-এর হাদিস টেক্সট বর্তমান হাদিস DB-তে পাওয়া যায়নি।
Al-Targhib (2600) — এই reference-এর হাদিস টেক্সট বর্তমান হাদিস DB-তে পাওয়া যায়নি।
Al-Marasil (212) — এই reference-এর হাদিস টেক্সট বর্তমান হাদিস DB-তে পাওয়া যায়নি।
Jalaa al-Afham (73) — এই reference-এর হাদিস টেক্সট বর্তমান হাদিস DB-তে পাওয়া যায়নি।
Al-Targhib (2585) — এই reference-এর হাদিস টেক্সট বর্তমান হাদিস DB-তে পাওয়া যায়নি।
Al-Thiqat (5/504) — এই reference-এর হাদিস টেক্সট বর্তমান হাদিস DB-তে পাওয়া যায়নি।
Al-Kamil (3/944) — এই reference-এর হাদিস টেক্সট বর্তমান হাদিস DB-তে পাওয়া যায়নি।

সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ→নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইনতিকাল ও তার কাফন-দাফন। হাঃ-১৬৩৭

আবূ-দারদা’ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা জুমুআহ্‌র দিন আমার উপর অধিক দুরূদ পাঠ করবে। কেননা তা আমার নিকট পৌঁছানো হয়, ফেরেশতাগন তা পৌঁছে দেন। যে ব্যক্তিই আমার উপর দুরূদ পাঠ করে তা থেকে সে বিরত না হওয়া পর্যন্ত তা আমার নিকট পৌঁছতে থাকে। রাবী বলেন, আমি বললাম, (আপনার) ইনতিকালের পরেও? তিনি বলেন, হাঁ, ইনতিকালের পরেও। আল্লাহ তা’আলা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)গণের দেহ ভক্ষণ যমীনের জন্য হারাম করে দিয়েছেন। আল্লাহ্‌র নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জীবিত এবং তাঁকে রিযিক দেয়া হয়। [১৬৩৫]


Al-Targhib (2599) — এই reference-এর হাদিস টেক্সট বর্তমান হাদিস DB-তে পাওয়া যায়নি।
Al-Hakim (2/421) — এই reference-এর হাদিস টেক্সট বর্তমান হাদিস DB-তে পাওয়া যায়নি।
Al-Sarim al-Munki (145) — এই reference-এর হাদিস টেক্সট বর্তমান হাদিস DB-তে পাওয়া যায়নি।

বিষয়ভিত্তিক হাদিস লোড হচ্ছে...

এ্যাডভান্স এনালাসিস লোড হচ্ছে...