আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন ফজর আদায় করতেন তখন মেয়েলোকেরা নামায আদায়ের পর তাদের চাদর গায়ে দিয়ে (ঘরের দিকে) ফিরতেন, অন্ধকারের জন্য তাঁদেরকে চেনা যেত না। (বুখারী ৩৭২ মুসলিম ৬৪৫)
‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ক্কিবলার দিকের দেওয়ালে থুথু দেখে তা পরিষ্কার করে দিলেন। অতঃপর লোকদের দিকে ফিরে বললেনঃ যখন তোমাদের কেউ সালাত আদায় করে সে যেন তার সামনের দিকে থুথু না ফেলে। কেননা, সে যখন সালাত আদায় করে তখন তার সামনের দিকে আল্লাহ্ তা’আলা থাকেন। আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৯১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৯৭)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা জনৈক বেদুঈন এসে মাসজিদের এক কোণে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করতে থাকলে লোকজন চিৎকার করে তাকে বিরত রাখার চেষ্টা করল। তা দেখে রসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, থাম, তাকে বাধা দিওনা। তার প্রস্রাব করা শেষ হলে রসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক বালতি পানি আনতে আদেশ দিলেন এবং প্রস্রাবের উপর ঢেলে দিলেন। (ই.ফা. ৫৫১, ই.সে. ৫৬৭)
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খুতবাহ দানকালে মসজিদের ক্বিবলার দিকে কফ্ দেখতে পেয়ে তিনি লোকদের উপর অসন্তুষ্ট হন এবং পরে তিনি তা তুলে ফেলেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমার ধারণা পরে তিনি জাফরান আনিয়ে সেখানে তা লাগিয়ে দিয়ে বললেনঃ সলাত আদায়কালে মহান আল্লাহ তোমাদের সামনেই থাকেন। কাজেই সলাত আদায়ের সময় কেউ যেন সামনে থু থু না ফেলে। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিমে জাফরান লাগানোর কথাটি বাদে। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, কোন কোন বর্ণনায় জাফরানের কথা উল্লেখ নেই। আবার কোন বর্ণনায় ‘আল-খালুক’ তথা ‘কস্তুরীযুক্ত সুগন্ধি’র কথা উল্লেখ আছে।
এ্যাডভান্স এনালাসিস লোড হচ্ছে...