আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যার হাঁটার পথ (অর্থাৎ-ঘর) মসজিদ থেকে বেশী দূরে সে সলাতের অধিক সাওয়াব লাভের হাক্বদ্বার আর যে ব্যক্তি সলাতের জন্য অপেক্ষা করে ইমামের সাথে (জামা’আতে) সলাত আদায় করে সে ঐ ব্যক্তির চেয়ে বেশী সাওয়াবের হাক্বদ্বার যে একাকী সলাত আদায় করে ঘুমিয়ে পড়ে। আবূ কুরায়ব-এর বর্ণনাতে “জামা‘আতে ইমামের সাথে সলাত আদায় করে” কথাটি উল্লেখ করা হয়েছে। (ই.ফা. ১৩৮৫, ই.সে. ১৩৯৭)
ইব্নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরোহণ করে কিংবা পায়ে হেঁটে কুবা মসজিদে আসতেন। ইব্নু নুমায়র (রহঃ) নাফি‘ (রহঃ) হতে অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেখানে দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করতেন।
নাফি‘ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইব্নু ‘উমর (রাঃ) দু’ দিন ছাড়া অন্য সময়ে চাশ্তের সালাত আদায় করতেন না, যে দিন তিনি মক্কায় আগমন করতেন। তাঁর অভ্যাস ছিল যে, তিনি চাশ্তের সময় মক্কায় আগমন করতেন। তিনি বাইতুল্লাহ্ ত্বওয়াফ করার পর মাকামে ইব্রাহীম-এর পিছনে দাঁড়িয়ে দু’রাক‘আত সালাত আদায় করতেন। আর যে দিন তিনি কুবা মসজিদে গমন করতেন। তিনি প্রতি শনিবার সেখানে গমন করতেন এবং সেখানে সালাত আদায় না করে বেরিয়ে আসা অপছন্দ করতেন। নাফি‘ (রহঃ) বলেন, তিনি (ইব্নু ‘উমর (রাঃ) হাদীস বর্ণনা করতেন যে, আল্লাহ্র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুবা মসজিদ যিয়ারত করতেন- কখনো সওয়ারীতে, কখনো পদব্রজে।
এ্যাডভান্স এনালাসিস লোড হচ্ছে...