সহিহ বুখারী অঃ→‘ঈদের দিন নারীদের প্রতি ইমামের নসীহত করা। হাঃ-৯৭৮

জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘ঈদুল ফিতরের দিন দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করলেন, পরে খুতবা দিলেন। খুতবা শেষে নেমে নারীদের নিকট আসলেন এবং তাঁদের নসীহত করলেন। তখন তিনি বিলাল (রাঃ)-এর হাতের উপর ভর দিয়ে ছিলেন এবং বিলাল (রাঃ) তাঁর কাপড় প্রসারিত করে ধরলেন। এতে নারীগণ দান সামগ্রী ফেলতে লাগলেন আমি (ইব্‌নু জুরায়জ) আত্বা (রহঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, এ কি ‘ঈদুল ফিতরের সদকা? তিনি বললেন না, বরং এ সাধারণ সদকা যা তাঁরা ঐ সময় দিচ্ছিলেন। কোন মহিলা তাঁর আংটি দান করলে অন্যান্য নারীরাও তাঁদের আংটি দান করতে লাগলেন। আমি আতা (রহঃ)-কে (আবার), জিজ্ঞেস করলাম, মহিলাগণকে উপদেশ দেয়া কি ইমামের জন্য জরুরী? তিনি বললেন, অবশ্যই, তাদের উপর তা জরুরী। তাঁদের (অর্থাৎ ইমামগণের) কী হয়েছে যে, তাঁরা তা করবেন না?


সহিহ মুসলিম অঃ→অবাঞ্ছিত কিছু ঘটার সম্ভাবনা না থাকলে মহিলাদের মাসজিদে যাওয়া কিন্তু সুগন্ধি মেখে তারা বের হবে না হাঃ-৮৮৫

‘আবদুর রহমান-এর কন্যা ‘আমরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর স্ত্রী ‘আয়িশা (রাঃ) -কে বলতে শুনেছেন। মহিলারা (সাজসজ্জার যেসব) নতুন পন্থা বের করে নিয়েছে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এগুলো দেখলে বনী ইসরাঈলের মহিলাদের মত তাদেরকেও মাসজিদে আসতে নিষেধ করতেন। ইয়াহইয়া ইবনু সা’ঈদ বলেনঃ আমি ‘আমরাহ্ কে জিজ্ঞেস করলাম, ইসরাঈল বংশের মহিলাদেরকে কি মাসজিদে আসতে নিষেধ করে দেয়া হয়েছিল? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। (ই.ফা. ৮৮১, ই.সে. ৮৯৪)


সুনান নাসাঈ অঃ→ইমামের খুৎবা দেওয়াকালীন কোন মানুষের উপর ভর করে দাঁড়ানো হাঃ-১৫৭৫

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ঈদের দিন আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে সালাতে উপস্থিত ছিলাম। তিনি আযান ইকামাত ব্যতীতই খুৎবা দেওয়ার পূর্বে সালাত শুরু করে দিলেন। যখন সালাত শেষ করলেন, বিলাল (রাঃ)-এর উপর ভর করে দাঁড়িয়ে গেলেন, আল্লাহর প্রশংসা এবং গুণ বর্ণনা করলেন, লোকদের ওয়াজ করলেন, তাদের নসীহত করলেন এবং আল্লাহর ইবাদতের প্রতি উদ্বুদ্ধ করলেন। অতঃপর চেহারা ফিরিয়ে নিলেন এবং নারীদের দিকে গেলেন। তাঁর সাথে বিলাল (রাঃ)-ও ছিলেন। তিনি তাদেরকে আদেশ দিলেন আল্লাহকে ভয় করতে, ওয়াজ করলেন, নসীহত করলেন, আল্লাহর প্রশংসা ও গুণ বর্ণনা করলেন এবং তাদেরকে আল্লাহর ইবাদতের প্রতি উদ্বুদ্ধ করলেন এবং বললেন, তোমরা দান-খয়রাত করবে, যেহেতু তোমাদের অধিকাংশই জাহান্নামের ইন্ধন। তখন নিম্ন শ্রেণীর একজন মহিলা বলে উঠল যার গণ্ডদ্বয়ে হালকা কাল দাগ ছিল, কেন ইয়া রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)? তিনি বললেন, তোমরা অত্যধিক গীবত কর এবং স্বামীর নাফরমানী কর। তখন তারা নিজেদের হার, কানের বালী এবং আংটি টেনে টেনে খুলে ফেলতে শুরু করল, যা বিলালের (রা) কাপড়ে ছুঁড়ে মারতে শুরু করল সদকা স্বরূপ।


বিষয়ভিত্তিক হাদিস লোড হচ্ছে...

এ্যাডভান্স এনালাসিস লোড হচ্ছে...