জামে' আত-তিরমিজি অঃ→উত্তরাধিকারীদের জন্য ওয়াসিয়াত করার বৈধতা নেই হাঃ-২১২১

আমর ইবনু খা-রিজাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর উষ্ট্রীর পিঠে বসে থাকাবস্থায় খুতবাহ দেন। আমি এর ঘাড়ের নীচে দাঁড়িয়ে ছিলাম। উষ্ট্রী জাবর কাটছিল এবং আমার কাঁধের মাঝখান দিয়ে এর লালা গড়িয়ে পড়ছিল। আমি তাঁকে বলতে শুনেছিঃ সকল হকদারের হক আল্লাহ তা‘আলা নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন। অতএব, উত্তরাধিকারীদের জন্য ওয়াসিয়াত করা বৈধ নয়। সন্তান বৈধ বিছানার (মালিকের) এবং ব্যভিচারীর জন্য রয়েছে পাথর। যে ব্যক্তি নিজের বাবাকে পরিত্যাগ করে অন্যজনকে বাবা বলে পরিচয় দেয় অথবা যে গোলাম নিজ মনিবকে পরিত্যাগ করে অন্য মনিবের পরিচয় দেয় তার প্রতি আল্লাহর অভিসম্পাত। আল্লাহ তার ফরয ও নফল কোন ইবাদাতই কবূল করবেন না। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (২৭১২)।


সুনান নাসাঈ অঃ→ওয়ারিসের জন্য ওয়াসিয়াত করা বাতিল হাঃ-৩৬৪১

আমর ইৱ্‌ন খারিজা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খুতবায় বললেনঃ আল্লাহ্‌ তা’আলা প্রত্যেক হকদারের হক দিয়ে দিয়েছেন আর ওয়ারিসদের জন্য ওয়াসিয়াত নেই (বৈধ নয়)।


সুনান নাসাঈ অঃ→ওয়ারিসের জন্য ওয়াসিয়াত করা বাতিল হাঃ-৩৬৪২

আমর ইৱ্‌ন খারিজা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে দেখলেন যে, তিনি নিজের সওয়ারীর উপর থেকে লোকদের খুতবা দিচ্ছেন। তখন ঐ সওয়ারী (উট) জাবর কাটছিল এবং তার মুখ থেকে ফেনা বেয়ে পড়ছিল। তিনি তাঁর খুতবায় বললেনঃ আল্লাহ্‌ তা’আলা প্রত্যেক লোকের মীরাসের হিস্‌সা বণ্টন করে দিয়েছেন; কাজেই ওয়ারিসদের জন্য ওয়াসিয়াত করা বৈধ হবে না।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ→ওয়ারিসের অনুকূলে ওসিয়াত করা যাবে না হাঃ-২৭১২

আমর বিন খারিজাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর জন্ত্তযানে আরোহিত অবস্থায় তাদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন। জন্ত্তটি তখন জাবর কাটছিল এবং মুখের লালা আমার উভয় কাঁধের মাঝখান দিয়ে পড়ছিল। তিনি বলেনঃ আল্লাহ তাআলা (মৃতের) পরিত্যক্ত মালে প্রত্যেক ওয়ারিসের অংশ নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন। তাই কোন ওয়ারিসের অনুকূলে ওসিয়াত করা জায়েয নয়। সন্তান যার অধীন সন্তানের মালিকানা তার, যেনাকারীর জন্য রয়েছে পাথর। যে ব্যক্তি তার পিতাকে বাদ দিয়ে অন্যের সন্তান বলে পরিচয় দেয় অথবা নিজের মনিবকে ত্যাগ ক‘রে অপরকে মনিব বলে পরিচয় দেয়, তার উপর আল্লাহ, তাঁর ফেরেশতাকুল এবং সকল মানুষের অভিশাপ। তার নফল বা ফরয কোন ইবাদাতই কবুল করা হবেনা। [২৭১২] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।


Ahmad (17664) — এই reference-এর হাদিস টেক্সট বর্তমান হাদিস DB-তে পাওয়া যায়নি।
Ahmad (17665) — এই reference-এর হাদিস টেক্সট বর্তমান হাদিস DB-তে পাওয়া যায়নি।
Ahmad (17666) — এই reference-এর হাদিস টেক্সট বর্তমান হাদিস DB-তে পাওয়া যায়নি।

বিষয়ভিত্তিক হাদিস লোড হচ্ছে...

এ্যাডভান্স এনালাসিস লোড হচ্ছে...