আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমাকে আবূ বকর (রাঃ) [যখন আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর পক্ষ হতে তাঁকে হজ্জের আমীর বানানো হয়েছিল] কুরবানির দিন ঘোষকদের সাথে মিনায় এ ঘোষণা করার জন্য পাঠালেন যে, এ বছরের পর কোন মুশরিক বায়তুল্লাহ্র হজ্জ করতে পারবে না। আর উলঙ্গ লোকও বায়তুল্লাহ্ ত্বওয়াফ করতে পারবে না। হুমায়দ ইব্নু ‘আব্দুর রহমান (রহঃ) বলেন, অতঃপর আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আলী (রাঃ) কে আবূ বক্র এর পিছনে প্রেরণ করেন আর তাঁকে সূরা বারা’আতের (প্রথম অংশের) ঘোষণা করার নির্দেশ দেন। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেনঃ তখন আমাদের সঙ্গে ‘আলী (রাঃ) কুরবানীর দিন মিনায় ঘোষণা দেন যে, এ বছরের পর হতে আর কোন মুশরিক হজ্জ করতে পারবে না এবং কোন উলঙ্গ ব্যক্তিও আর ত্বওয়াফ করতে পারবে না। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৬, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬২)
মুহাম্মদ ইবনু ‘আমর ইবনুল হাসান ইবনু ‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, হাজ্জাজ (ইবনু ইউসুফ) সলাত দেরী করে আদায় করতেন। তাই আমরা জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলাম। (ই.ফা.১৩৩৪, ই.সে.১৩৪৬)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন: আমি আলী ইব্ন আবূ তালিব (রাঃ)-এর সঙ্গে গিয়েছিলাম। যখন রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে মক্কাবাসীদের কাছে দায় মুক্তির (বারাআত) ঘোষণা প্রচারের জন্য পাঠিয়েছিলেন। তিনি বলেন: আপনারা কিসের ঘোষণা দেন? তাঁরা বলেন: আমরা এ কথা ঘোষণা দেই যে, মু'মিন ব্যক্তি ব্যতীত কেউ জান্নাতে প্রবেশ করবে না, আর কোন উলঙ্গ ব্যক্তি বায়তুল্লাহ্র তাওয়াফ করবে না, আর রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও যাদের মধ্যে চুক্তি রয়েছে এর সময় বা তাঁর মেয়াদ চার মাস পর্যন্ত (বহাল থাকবে)। যখন চার মাস অতিবাহিত হবে, তখন আল্লাহ এবং তাঁর রাসুল মুশরিকদের ব্যাপারে দায়মুক্ত থাকবেন। আর এ বছরের পর কোন মুশরিক হজ্জ করবে না। আমি এই ঘোষণা দিচ্ছিলাম। এমনকি (ঘোষণা প্রচার করতে করতে) আমার আওয়াজ বসে (অস্পষ্ট হয়ে) যায়।
এ্যাডভান্স এনালাসিস লোড হচ্ছে...