তারিক ইবনু শিহাব (আবূ বাক্র ইবনু আবী শাইবার হাদীসে) থেকে বর্নিতঃ
মারওয়ান ঈদের দিন সলাতের পূর্বে খুত্বাহ্ দেয়ার (বিদ‘আতী) প্রথা প্রচলন করে। এ সময় এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বলল, ‘‘খুতবার আগে সলাত’’ (সম্পন্ন করুন)। মারওয়ান বললেন, এখন থেকে সে নিয়ম পরিত্যাগ করা হলো। সাথে সাথে আবূ সা‘ঈদ আল খুদরী (রাঃ) উঠে বললেন, ঐ ব্যক্তি তার কর্তব্য পালন করেছে। আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, তোমাদের কেউ গর্হিত কাজ হতে দেখলে সে যেন স্বহস্তে (শক্তি প্রয়োগে) পরিবর্তন করে দেয়, যদি তার সে ক্ষমতা না থাকে, তবে মুখ (বাক্য) দ্বারা এর পরিবর্তন করবে। আর যদি সে সাধ্যও না থাকে, তখন অন্তর দ্বারা করবে, তবে এটা ঈমানের দুর্বলতম পরিচায়ক। (ই.ফা. ৮৩; ই.সে. ৮৫)
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (মুযদালিফায়) মাগরিব ও ‘ইশার সলাত একত্রে (একই সময়ে কিন্তু ভিন্ন ভিন্ন নিয়্যাতে) আদায় করেছেন। তিনি এক ইক্বামাতেই মাগরিবের সলাত তিন রাক‘আত এবং ‘ইশার সলাত দু’রাক‘আত আদায় করেছেন। (ই.ফা. ২৯৮০, ই.সে. ২৯৭৭)
‘উমর ইব্নু খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি এক জুমু’আর দিন মিম্বরে দাঁড়িয়ে সুরা নাহ্ল তিলাওয়াত করেন। এতে যখন সিজদার আয়াত এল, তখন তিনি মিম্বর হতে নেমে সিজদা করলেন এবং লোকেরাও সিজদা করল। এভাবে যখন পরবর্তী জুমু’আ এল, তখন তিনি সে সূরা পাঠ করেন। এতে যখন সিজদার আয়াত এল, তখন তিনি বললেন, হে লোক সকল! আমরা যখন সিজদার আয়াত তিলাওয়াত করি, তখন যে সিজদা করবে সে ঠিকই করবে, যে সিজদা করবে না তার কোন গুনাহ নেই। তার বর্ণনায় (বর্ণনাকারী বলেন) আর ‘উমর (রাঃ) সিজদা করেননি। নাফি’(রহঃ) ইব্নু ‘উমর (রাঃ) হতে আরো বলেছেন, আল্লাহ তা’আলা সিজদা ফরয করেননি, তবে আমরা ইচ্ছা করলে সিজদা করতে পারি।
আবূ সুহায়ল (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর পিতা মালিক (র) বলেছেন, আমি জুম’আর দিন আকীল ইবনু আবূ তালিবের একটি ছোট চাটাই (অথবা চাদর) দেখতে পেতাম। এটা মসজিদের পশ্চিম প্রাচীরের দিকে ফেলে রাখা হত। প্রাচীরের ছায়া যখন চাটাইকে সম্পূর্ণভাবে ঢেকে ফেলত, তখন উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) বের হতেন এবং জুম’আ আদায় করাতেন। জুম’আর নামায শেষে আমরা ফিরে আসতাম এবং দুপুরের বিশ্রাম নিতাম। (মালিক (রঃ) একাই বর্ণনা করছেন)
এ্যাডভান্স এনালাসিস লোড হচ্ছে...