সহিহ বুখারী অঃ→উপবিষ্ট ব্যক্তির ইঙ্গিতে সালাত আদায়। হাঃ-১১১৬

‘ইমরান ইব্‌নু হুসাইন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি অর্শ রোগী ছিলেন, তিনি বলেন, আমি আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বসে সালাত আদায়কারীর ব্যক্তি সম্পর্কে প্রশ্ন করলাম। তিনি বললেনঃ যে ব্যক্তি দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করল সে উত্তম আর যে ব্যক্তি বসে সালাত আদায় করল তার জন্য দাঁড়ান ব্যক্তির অর্ধেক সওয়াব আর যে শুয়ে আদায় করল, তার জন্যে বসে সালাত আদায়কারীর অর্ধেক সওয়াব। আবূ ‘আবদুল্লাহ (রহঃ) বলেন, আমার মতে এ হাদীসে ------------ (ঘুমন্ত) এর দ্বারা ------------- (শায়িত) অবস্থা বুঝানো হয়েছে।


সহিহ বুখারী অঃ→বসে সালাত আদায় করতে না পারলে কাত হয়ে শুয়ে সালাত আদায় করবে। হাঃ-১১১৭

ইমরান ইব্‌নু হুসাইন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার অর্শ রোগ ছিল। তাই আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খিদমতে সালাত সম্পর্কে প্রশ্ন করলাম, তিনি বললেনঃ দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করবে, তা না পারলে বসে, যদি তাও না পার তাহলে শুয়ে।


জামে' আত-তিরমিজি অঃ→বসে নামায আদায় করলে দাড়িয়ে আদায়ের অর্ধেক সাওয়াব পাওয়া যায় হাঃ-৩৭২

ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামকে অসুস্থ ব্যক্তির নামায আদায় করা প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলাম। তিনি বললেনঃ দাড়িয়ে নামায আদায় কর; যদি দাড়িয়ে আদায় করতে সক্ষম না হও তবে বসে নামায আদায় কর; যদি বসে নামায আদায় করতে সক্ষম না হও তবে (শুয়ে) কাত হয়ে নামায আদায় কর। সহীহ্‌। ইরওয়া-(২৯৯), বুখারী।


সহিহ বুখারী অঃ→মুসাফিরের জন্য তা-ই লিখিত হবে, যা স্বীয় আবাসে ‘আমল করত। হাঃ-২৯৯৬

আবু ইসমাঈল আসসাক্‌সাকী থেকে বর্নিতঃ

আবূ বুরদাহ্‌-কে বলতে শুনেছি, তিনি এবং ইয়াযিদ ইব্‌নু আবূ কাবশা (রাঃ) সফরে ছিলেন। আর ইয়াযিদ (রাঃ) মুসাফির অবস্থায় রোযা রাখতেন। আবূ বুরদাহ (রাঃ) তাঁকে বললেন, আমি আবূ মুসা (আশ’আরী) (রাঃ)- কে একাধিকবার বলতে শুনেছি,তিনি বলেন, আল্লহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যখন বান্দা পীড়িত হয় কিংবা সফরে থাকে, তখন তাঁর জন্য তা-ই লেখা হয়, যা সে সুস্থ অবস্থায় ‘আমল করত।


Tabarani Awsat (4009) — এই reference-এর হাদিস টেক্সট বর্তমান হাদিস DB-তে পাওয়া যায়নি।

বিষয়ভিত্তিক হাদিস লোড হচ্ছে...

এ্যাডভান্স এনালাসিস লোড হচ্ছে...