আতা ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এল এবং ফজর নামাযের সময় সম্পর্কে জানতে চাইলো। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার প্রশ্নের উত্তর দানে বিরত থাকলেন। দ্বিতীয় দিন ফজর (সূবহে সাদিক) হলে তিনি ফজরের নামায আদায় করলেন। তারপরের দিন ফজর আদায় করলেন (ভোরের আলো) পূর্ণাঙ্গ প্রকাশিত হওয়ার পর। অতঃপর তিনি বললেন, নামাযের সময় সম্পর্কে প্রশ্নকারী কোথায়? (সেইলোক) বলল, আমিই সেই ব্যক্তি ইয়া রসূলাল্লাহ। তিনি বললেন, এতদুভয়ের মধ্যবর্তী মুহূর্তগুলিই ফজর নামাযের সময়। (নাসাঈ, আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত ৬৪২, আলবানী সহীহ বলেছেন। ইমাম মালিক মুরসাল ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রী ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ইয়াহুদী মহিলা তাঁর নিকট কিছু জিজ্ঞেস করতে এলো। সে ‘আয়িশা (রাঃ) কে বলল, আল্লাহ্ তা’আলাও আপনাকে কবর আযাব হতে রক্ষা করুন। অতঃপর ‘আয়িশা (রাঃ) আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে জিজ্ঞেস করেন, কবরে কি মানুষকে আযাব দেয়া হবে? আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এত্থেকে আল্লাহ্র নিকট পানাহ চাই।
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ইয়াহূদী মহিলা তাঁর নিকট কিছু জিজ্ঞেস করতে এল। মহিলাটি বলল, আল্লাহ্ আপনাকে কবরের ‘আযাব হতে পানাহ্ দিন। অতঃপর ‘আয়িশা (রাঃ) আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করেন, কবরে কি মানুষকে ‘আযাব দেয়া হবে? তখন আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি আল্লাহ্র নিকট পানাহ্ চাই ক্ববরের ‘আযাব হতে।
জাবির ইবনু সামুরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কুফার অধিবাসীরা (তাদের গভর্নর) সা’দ (রাঃ) -এর বিরুদ্ধে তার সলাত সম্পর্কে ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) -এর কাছে অভিযোগ করল। ‘উমার (রাঃ) তাকে ডেকে পাঠালেন। তিনি তার দরবারে উপস্থিত হলেন। ‘উমার (রাঃ) তার সলাত সম্পর্কে উত্থাপিত অভিযোগ তাকে শুনালেন। সা’দ (রাঃ) বললেন, আমি তাদেরকে নিয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর অনুরূপ সলাত আদায় করি। এতে কোনরূপ ত্রুটি করি না। আমি প্রথম দু’রাক’আত দীর্ঘ করি এবং শেষের দু’রাক’আত সংক্ষিপ্ত করি। ‘উমার (রাঃ) বললেন, হে আবূ ইসহাক্ (সা’দ) ! এটাই তোমার কাছে আশা করি। (ই. ফা. ৮৯৮, ই. সে. ৯১০)
এ্যাডভান্স এনালাসিস লোড হচ্ছে...