সহিহ মুসলিম অঃ→আগুনে রান্না খাবার খেয়ে ওযূ করার বিধান মানসুখ (রহিত) হওয়া সম্পর্কে হাঃ-৬৮৬

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার কাপড় পরে সলাতের জন্য বের হলেন। এমন সময় কিছু রুটি ও গোশ্‌ত উপঢৌকন এলো। এরপর তিনি (সেখান থেকে) তিনি লুকমা খেলেন। তারপর লোকদেরকে নিয়ে সলাত আদায় করলেন এবং পানি স্পর্শও করলেন না। (ই.ফা. ৬৮৫, ই.সে. ৭০০)


জামে' আত-তিরমিজি অঃ→সূরা আন –নিসা হাঃ-৩০৩৪

ইয়া’লা ইবনু উমাইয়্যাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘উমার (রাঃ) কে বললাম, আল্লাহ তা’আলা বলেছেনঃ “তোমরা যখন শত্রুর আশংকা করবে তখন নামায কসর করবে” – (সূরা আন –নিসা ১০১)। এখন তো মানুষ নিরাপদ ও ভীতিমুক্ত হয়ে গেছে (এখন নামা কসর করার কি প্রয়োজন)। ‘উমার (রাঃ) বললেন, তুমি যে বিষয়ে বিস্ময়বোধ করছ, আমিও একই বিষয়ে বিস্ময়বোধ করেছি এবং বিষয়টি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট উত্থাপন করেছি। তিনি বলেছেনঃ এটা তো তোমাদের জন্য আল্লাহ তা’আলার পক্ষ হতে সাদাক্বাহ্। অতএব তোমরা তাঁর সাদাক্বাহ্ (অনুগ্রহ) গ্রহণ কর। সহীহ : ইবনু মাজাহ (১০৬৫), মুসলিম।


সুনানে আবু দাউদ অঃ→মুসাফিরের সলাত হাঃ-১১৯৯

ইয়া'লা ইবনু উমাইয়্যাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি 'উমার উবনুল খাত্তাব (রাঃ)- কে জিজ্ঞেস করলাম, আজকাল লোকেরা যে সলাত ক্বসর করে এ বিষয়ে আপনার অভিমত কি? কেননা মহাপরাক্রশালী আল্লাহ বলেছেন, "যদি তোমরা কাফিরদের হামলার আশংকা করো তাহলে সলাত ক্বসর হিসেবে আদায় করতে পারো " (৪ : ১০১)। কিন্তু বর্তমানে আশংকা দূরীভূত হয়ে গেছে। 'উমার (রাঃ) বললেন, তুমি যে ব্যাপারে আশ্চর্যবোধ করছো, আমিও তাতে আশ্চর্যবোধ করেছিলাম। অতঃপর আমি এ বিষয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেছেনঃ এটি একটি সদাক্বাহ, যা মহান আল্লাহ তোমাদেরকে দান করেছেন। সুতরাং তোমরা তাঁর অনুদান গ্রহণ করো। সহীহঃ মুসলিম।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ→সফরে সালাত কসর (হ্রাস) করা। হাঃ-১০৬৫

উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-এর নিকট এই আয়াত উল্লেখপূর্বক (অনুবাদ) : “যদি তোমাদের আশঙ্কা হয় যে, কাফেররা তোমাদের জন্য ফিতনা সৃষ্টি করবে, তবে সালাত সংক্ষিপ্ত করলে এতে তোমাদের কোন দোষ নেই” জিজ্ঞেস করলাম যে, মানুষ তো এখন নিরাপদে আছে? তিনি বলেন, তুমি যে বিষয়ে বিস্ময় বোধ করছো, আমিও সে বিষয়ে বিস্ময় বোধ করেছিলাম। এ বিষয়ে আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, এতো একটি দানবিশেষ, যা আল্লাহ্‌ তায়ালা তোমাদের দিয়েছেন। কাজেই তোমরা তাঁর দান গ্রহন করো। [১০৬৫]


বিষয়ভিত্তিক হাদিস লোড হচ্ছে...

এ্যাডভান্স এনালাসিস লোড হচ্ছে...