উমাইয়্যাহ বিন আবদুল্লাহ বিন খালিদ থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ বিন উমার (রাঃ) কে বলেন, আমরা কুরআনুল কারীমে মুকীম ব্যক্তির সালাত ও ভীতির সালাত (সলাতুল খাউফ) সম্পর্কে বর্ণনা পাই, অথচ মুসাফিরের সলাতের বর্ণনা পাই না। আবদুল্লাহ (রাঃ) তাকে বলেন, আল্লাহ্ তায়ালা আমাদের নিকট মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে প্রেরণ করেছেন এবং আমরা কিছুই জানতাম না। আমরা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে যেরূপ করতে দেখেছি, আমরাও অবশ্যি তদ্রূপ করি। [১০৬৬]
উমাইয়া ইব্ন আব্দুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আব্দুল্লাহ ইব্ন উমর (রাঃ)-কে বললেন, আমরা তো বাড়ীতে অবস্থানকালীন এবং সংকটকালীন সময়ের সালাতের উল্লেখ কুরআনে দেখতে পাই, কিন্তু সফরকালীন সালাতের উল্লেখ কুরআনে দেখতে পাই না। তখন ইব্ন উমর (রাঃ) তাঁকে বললেন, হে আমার ভ্রাতুষ্পুত্র। নিশ্চয় আল্লাহ তা’আলা আমাদের কাছে মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে পাঠিয়েছেন এমতাবস্থায় যে, আমরা তখন কিছুই জানতাম না। আমরা তদ্রুপই করি যেরূপ মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে করতে দেখতাম।
মালিক ইবনু আসবাহী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ)-এর কাছে (পত্র) লিখেছেন, সূর্য ঢলিয়া পড়লে পর তুমি যোহর আদায় কর, আর আসর আদায় কর যখন সূর্য উজ্জ্বল ও পরিচ্ছন্ন থাকে, সেটাতে হলুদ বর্ণ প্রকাশ হওয়ার পূর্বে। সূর্যাস্তের পর মাগরিব আদায় কর। আর ইশা আদায় কর ঘুমানোর আগে। আর নক্ষত্রসমূহ যখন (ফজরের আলোতে) উদ্ভাসিত হয় এবং একে অপরের সাথে খাপিয়া যায় তখন ফজর আদায়। আর ফজর নামাযে মুফাছছল হতে দুইটি দীর্ঘ সূরা পাঠ কর। (নাফি ওমর (রাঃ) হতে হাদীস শুনেনি, মালিক (রঃ) একই বর্ণনা করেন তবে মুয়াত্তার ব্যাখ্যা গ্রন্থ শরহে যুরকানীতে ১/৩৬, এর সমর্থনে একাধিক মারফু ও মাওকুফ হাদীস রয়েছে, হাদীসটি ইমাম মালিক একাই বর্ণনা করেন, এই অধ্যায়ে শাহেদ মারফু ও মাওকুফ- হাদীস রয়েছে)
এ্যাডভান্স এনালাসিস লোড হচ্ছে...