উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর যবানীতে সফরের সালাত দু’ রাকাআত, জুমুআহ্র সালাত দু’ রাকাআত, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার সালাত দু’ রাকাআত করে, এগুল কসর ব্যতীত পূর্ণ সালাত। [১০৬৪]
উমর ইব্ন খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ঈদুল আযহার সালাত দু’রাকআত, ঈদুল ফিত্রের সালাত দু’রাকআত, মুসাফিরের সালাত দু’রাকআত এবং জুমুআর সালাত দু’রাকআতই পরিপূর্ণ; অসম্পূর্ণ নয়, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ভাষ্য মতে।
উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, জুমু’আর সালাত দু’রাকআত, ঈদুল ফিত্রের সালাত দু’রাকআত, ঈদুল আযহার সালাত দু’রাকআত আর সফরের সালাত দু’রাকআতই পরিপূর্ণ, অসম্পূর্ণ নয়। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ভাষ্য মতে।
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) খলীফা নির্বাচিত হওয়ার পর লোকেদের উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে মাত্র তিন দিন মুতআ বিবাহের অনুমতি দিয়েছিলেন। এরপর তিনি তা হারাম ঘোষণা করেন। আল্লাহ্র শপথ! আমি যদি কোন বিবাহিত পুরুষের ব্যাপারে জানতে পারি যে সে মুতআ বিবাহ করে তবে আমি প্রস্তরাঘাতে তাকে মৃত্যুদণ্ড দিবো। তবে সে যদি আমার সামনে চারজন সাক্ষী উপস্থিত করতে পারে, যারা সাক্ষ্য দিবে যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুতআ বিবাহ হারাম ঘোষণার পর তা আবার হালাল করেছেন। [১৯৬৩]
এ্যাডভান্স এনালাসিস লোড হচ্ছে...