উরওয়া ইবনু যুবায়র (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ)-এর কাছ লিখেছেন, তুমি আসর আদায় করো যখন সূর্য উজ্জ্বল ও পরিষ্কার থাকে; আরোহী তিন ফরসখ পথ যেতে পারে সেই পরিমাণ সময় পর্যন্ত। আর ইশা আদায় কর তোমার সম্মুখে যখন ইশা উপস্থিত হয় সেই সময় হতে এক তৃতীয়াংশ রাত্রি পর্যন্ত। যদি তুমি আরও দেরি কর তবে অর্ধরাত্রি পর্যন্ত কর। তবে তুমি অলসদের অন্তর্ভুক্ত হইও না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) এককভাবে বর্ণনা করেন, পূর্বে এর সমর্থনে হাদীস রয়েছে)
উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আল্লাহ তা’আলা মুকীম অবস্থায় ও সফরে দু’রাক’আত সালাত ফরয করেছিলেন। পরে সফরের সালাত আগের মত রাখা হয় আর মুকীম অবস্থার সালাত বাড়িয়ে দেয়া হয়। (১০৯০, ৩৯৩৫; মুসলিম ৬/১, হাঃ ৬৮৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৩৭, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৩)
আহমাদ ইবনু ‘ঈসা (রহঃ), যুহায়র ইবনু হার্ব, হারমালাহ্ ইবনু ইয়াহ্ইয়া প্রত্যেকেই থেকে বর্নিতঃ
ইবনু শিহাব থেকে ‘উকায়ল-এর সানাদে যুহরী থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৮৪, ই.সে. ৬৯৯)
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, প্রথম অবস্থায় সালাত দু’ রাক’আত করে ফরজ করা হয় অতঃপর সফরে সালাত সেভাবেই স্থায়ী থাকে এবং মুকীম অবস্থায় সালাত পূর্ণ (চার রাক’আত) করা হয়েছে। যুহরী (রহঃ) বলেন, আমি ‘উরওয়াহ (রহঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, (মিনায়) ‘‘আয়িশা (রাঃ) কেন সালাত পূর্ণ আদায় করতেন? তিনি বললেন, ‘উসমান (রাঃ) যে ব্যাখ্যা গ্রহণ করেছেন, ‘‘আয়িশা (রাঃ) তা গ্রহণ করেছেন।
এ্যাডভান্স এনালাসিস লোড হচ্ছে...