সহিহ মুসলিম অঃ→মুওয়ায্‌যিনের আযান অনুরূপ শ্রবণকারীর বলা, নাবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উপর দুরূদ পাঠ করা এবং তাঁর জন্যে ওয়াসীলাহ্‌ প্রার্থনা করা হাঃ-৭৩৫

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্‌র ইবনুল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি নাবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেনঃ তোমরা যখন মুওয়ায্‌যিনকে আযান দিতে শুন, তখন সে যা বলে তোমরা তাই বল। অতঃপর আমার উপর দুরূদ পাঠ কর। কেননা, যে ব্যক্তি আমার ওপর একবার দরূদ পাঠ করে আল্লাহ তা’আলা এর বিনিময়ে তার উপর দশবার রহমাত বর্ষণ করেন। অতঃপর আমার জন্যে আল্লাহর কাছে ওয়াসীলাহ্‌ প্রার্থনা কর। কেননা, ‘ওয়াসীলাহ্‌’ জান্নাতের একটি সম্মানজনক স্থান। এটা আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে একজনকেই দেয়া হবে। আমি আশা করি, আমিই হব সে বান্দা। যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে আমার জন্যে ওয়াসীলাহ্‌ প্রার্থনা করবে তার জন্যে (আমার) শাফা’আত ওয়াজিব হয়ে যাবে। (ই. ফা. ৭৩৩, ই. সে. ৭৪৮)


মুয়াত্তা ইমাম মালিক অঃ→‘দুলুকুশ শামস ও গাসাকুল লাইল’-এর বর্ণনা হাঃ-১৯

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) বলতেন, ‘দুলুকুশ শাম্স’ হচ্ছে (মধ্যাকাশ হতে) সূর্য পশ্চিমে হেলিয়া পড়া। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)


বিষয়ভিত্তিক হাদিস লোড হচ্ছে...

এ্যাডভান্স এনালাসিস লোড হচ্ছে...