সহিহ বুখারী অঃ→আল্লাহর বাণীঃ এই বিষয়ে আপনার করণীয় কিছুই নেই। (সূরাহ আলু ‘ইমরান ৩/১২৮) হাঃ-৪৫৬০

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কারো জন্যে বদদু‘আ অথবা দু‘আ করার মনস্থ করতেন, তখন সলাতের রুকূর পরেই কুনূতে নাযিলা (বদ্দু‘আ ও হিফাযাতের জন্য অবতারিত দু‘আ) পড়তেন। কখনো কখনো سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ, اللهُمَّ رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ ’ বলার পর বলতেন, হে আল্লাহ! ওয়ালিদ ইবনু ওয়ালিদ, সালামাহ ইবনু হিশাম এবং আইয়াশ ইবনু আবূ রাবিয়াহ্কে মুক্তি দিন। হে আল্লাহ! মুদার গোত্রের উপর শাস্তি কঠোর করুন। এ শাস্তিকে ইউসুফ (‘আ.)-এর যুগের দুর্ভিক্ষের মত দুর্ভিক্ষে পরিণত করুন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এ কথাগুলোকে উচ্চৈঃস্বরে বলতেন। কখনো কখনো তিনি কয়েকটি গোত্রের ব্যাপারে ফাজ্রের সলাতে বলতেন, হে আল্লাহ! অমুক এবং অমুককে লা‘নাত দিন। অবশেষে আল্লাহ তা‘আলা অবতীর্ণ করলেন ঃ لَيْسَ لَكَ مِنَ الأَمْرِ شَيْءٌ । [৭৯৭] (আ.প্র. ৪১৯৯, ই.ফা. ৪২০১)


সহিহ মুসলিম অঃ→অগ্নি স্পৃষ্ট দ্রব্যাদি থেকে (খাবার পর) ওযূ করা সম্পর্কে [৯৭] হাঃ-৬৭৫

ইবনু শিহাব বলেন, ‘উমার ইবনু ‘আবদুল ‘আযীয (রহঃ) তাঁকে বলেছেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু ইব্‌রাহীম ইবনু কারিয (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি একদিন আবূ হুরায়রা (রাঃ)- কে মাসজিদের সামনে ওযূ করতে দেখেছেন। আবূ হুরায়রা(রাঃ) বলেন, আমি কয়েক টুকরো পনির খেয়েছি, তাই ওযূ করছি। কেননা, আমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি। তোমরা আগুনের রান্না করা খাবার খেলে ওযূ করবে। (ই.ফা. ৬৭৮, ই.সে. ৬৯৩)


সহিহ মুসলিম অঃ→কুরআন সাত হরফে অবতীর্ণ হওয়ার বিবরণ ও এর যথার্থতা হাঃ-১৭৯১

উবাই ইবনু কা'ব (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গিফার গোত্রের জলাশয়ের (কূপের) নিকট ছিলেন। তখন জিব্‌রীল ('আঃ) তাঁর নিকট এসে বলেন, নিশ্চয় আল্লাহ আপনাকে এ নির্দেশ দিয়েছেন যে, আপনি আপনার উম্মাতকে এক হার্‌ফে (পদ্ধতিতে) কুরআন পড়ান। তিনি বলেনঃ আমি আল্লাহর নিকট তাঁর মার্জনা ও ক্ষমা প্রার্থনা করি। নিশ্চয় আমার উম্মাত এতে সমর্থ হবে না। জিব্‌রীল ('আঃ) তৃতীয়বার এসে বলেন, নিশ্চয় আল্লাহ আপনাকে এ নির্দেশ দিয়েছেন যে, আপনি যেন আপনার উম্মাতকে তিন হার্‌ফে (পদ্ধতিতে) কুরআন পড়ান। তিনি বলেনঃ নিশ্চয় আমার উম্মাত এতে সমর্থ হবে না। আমি আল্লাহর নিকট তাঁর মার্জনা ও ক্ষমা প্রার্থনা করি। জিব্‌রীল (আঃ) চতুর্থবার তাঁর নিকট এসে বলেন, নিশ্চয় আল্লাহ আপনাকে এ নির্দেশ দিয়েছেন যে, আপনি যেন আপনার উম্মাতকে সাত হার্‌ফে (পদ্ধতিতে) কুরআন শিক্ষা দেন। তারা এর যে কোন একটি পদ্ধতিতে পাঠ করলে তা যথার্থ হবে। (ই.ফা. ১৭৭৬, ই.সে. ১৭৮৩)


বিষয়ভিত্তিক হাদিস লোড হচ্ছে...

এ্যাডভান্স এনালাসিস লোড হচ্ছে...