আবদুল আযীয ইবনু জুরাইজ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ) -কে প্রশ্ন করলাম, রাসূলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিতরের নামাযে কোন্ কোন্ সূরা পাঠ করতেন। তিনি বলেন, তিনি প্রথম রাক’আতে ‘সাব্বিহিসমা রব্বিকাল আলা’, দ্বিতীয় রাক’আতে ‘কুল ইয়া আয়্যুহাল কাফিরূন এবং তৃতীয় রাক’আতে “কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ, কুল আঊযু বিরব্বিল ফালাক ও কুল আঊযু বিরব্বিন-নাস” সূরা পাঠ করতেন। -সহীহ্। ইবনু মাজাহ- (১১৭৩)।
আবদুল আযীয বিন জুরায়জ [(আরবী) অর্থাৎ হাদীস বর্ণনার ব্যাপারে দুর্বল] থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা আয়িশা (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিত্রের সলাতে কি (সূরা) পড়তেন? তিনি বলেন প্রথম রাকআতে সূরা আলা, দ্বিতীয় রাকআতে সূরাহ কাফিরূন, তৃতীয় রাকআতে সূরাহ ইখলাস ও মুআব্বিয়াতাইন (সূরাহ ফালাক ও নাস) পড়তেন। [১১৭৩]
আবূ মিজলায (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ মূসা (রাঃ) একবার মক্কা এবং মদীনার মাঝামাঝি স্থানে অবস্থান করেছিলেন তিনি সেখানে দু’রাকআত ইশার সালাত আদায় করলেন। তারপর দাঁড়ালেন এবং একটি রাকআত দ্বারা বেজোড় করে দিলেন, তাতে সূরায়ে নিসা একশ’টি আয়াত তিলাওয়াত করলেন। তারপর বললেন, আমি যেখানে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর পদদ্বয় রাখতেন সেখানে আমার পদদ্বয় রাখতে এবং রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যা যা তিলাওয়াত করতেন তা তিলাওয়াত করতে কোন ত্রুটি করিনি।
এ্যাডভান্স এনালাসিস লোড হচ্ছে...