সহিহ মুসলিম অঃ→মুওয়ায্‌যিনের আযান অনুরূপ শ্রবণকারীর বলা, নাবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উপর দুরূদ পাঠ করা এবং তাঁর জন্যে ওয়াসীলাহ্‌ প্রার্থনা করা হাঃ-৭৩৭

সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মুওয়ায্‌যিনের আযান শুনে যে ব্যক্তি বলে, “আশহাদু আল লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়াহ্‌দাহু, লা-শারীকা লাহু, ওয়া আন্না মুহাম্মাদান ‘আবদুহু, ওয়া রসূলুহু, রাযীতু বিল্লা-হি রব্বান ওয়াবি মুহাম্মাদিন রসূলান ওয়াবিল ইসলা-মী দীনান” তার গুনাহ মাফ করা হবে। কুতাইবাহ্‌ তার হাদীসে (আরবী) শব্দটি উল্লেখ করেননি। (ই. ফা. ৭৩৫, ই. সে. ৭৫০)


জামে' আত-তিরমিজি অঃ→বিতর নামায পাঁচ রাক’আত হাঃ-৪৫৯

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর রাতের নামাযের সংখ্যা ছিল তের রাক’আত। এর মধ্যে পাঁচ রাক’আত তিনি বিতর আদায় করতেন। এ পাঁচ রাক’আত আদায় করা শেষ করেই তিনি বসতেন। মুয়ায্‌যিন আযান দিলে তিনি উঠে হালকা দুই রাক’আত নামায আদায় করতেন। সহীহ্‌। সহীহ্‌ আবূ দাঊদ- (১২০৯, ১২১০), সালাতুত তারাবীহ, মুসলিম।


সুনান নাসাঈ অঃ→পাঁচ রাকআত দ্বারা বেজোড় কিভাবে করতে হবে? হাঃ-১৭১৭

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কখনো পাঁচ রাকআত দ্বারাও (সালাতকে) বেজোড় বানিয়ে দিতেন, কেবলমাত্র শেষ রাকআতেই বসতেন।


বিষয়ভিত্তিক হাদিস লোড হচ্ছে...

এ্যাডভান্স এনালাসিস লোড হচ্ছে...