সহিহ বুখারী অঃ->যাকাত বাব->২৪/১১.২. অধ্যায়ঃ হাঃ-১৪২০

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

কোন নবী-সহধর্মিনী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বললেনঃ আমাদের মধ্য হতে সবার পূর্বে (মৃত্যুর পর) আপনার সাথে কে মিলিত হবে? তিনি বললেনঃ তোমাদের মধ্যে যার হাত সবচেয়ে লম্বা। তাঁরা একটি বাঁশের কাঠির মাধ্যমে হাত মেপে দেখতে লাগলেন। সওদার হাত সকলের হাতের চেয়ে লম্বা বলে প্রমাণিত হল। পরে [সবার আগে যায়নাব (রাঃ)-এর মৃত্যু হলে] আমরা বুঝলাম হাতের দীর্ঘতার অর্থ দানশীলতা। তিনি [যায়নাব (রাঃ)] আমাদের মধ্যে সবার আগে তাঁর ( (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ) সাথে মিলিত হন এবং তিনি দান করতে ভালবাসতেন।


সহিহ মুসলিম অঃ->মসজিদ ও সালাতের স্থানসমূহ বাব->ইমামতির জন্য বেশী যোগ্য কে ? হাঃ-১৪১৮

আবূ মাস’ঊদ আল আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদিন আমাদেরকে বললেনঃ যে স‍‌র্বাপেক্ষা বেশী কুরাআনের পাঠক ও কুরআনী জ্ঞানের অধিকারী সে-ই ক্বওমের (লোকজনের) ইমামাত করবে। সবাই যদি কুরানের জ্ঞানের সমপর্যায়ের হয় সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তি সুন্নাত সম্পর্কে অধিক পরিজ্ঞাত হবে সে-ই ইমামাত করবে। সুন্নাহর জ্ঞানেরও সবাই সমান হলে হিজরাতে যে অগ্রগামী সে ইমামাত করবে। কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির নিজস্ব প্রভাবাধীন এলাকায় ইমামাত করবে না কিংবা তার অনুমতি ছাড়া তার বাড়ীতে তার বিছানায় বসবে না। বর্ণনাকারী আশাজ্জ তার বর্ণনায় (ইসলাম) শব্দের স্হানে (বয়স) শব্দ উল্লেখ করেছেন। (ই.ফা. ১৪০৪, ই.সে. ১৪১৬)


সুনান নাসাঈ অঃ->ইমামত বাব->কে ইমাম হওয়ার যোগ্য ব্যক্তি হাঃ-৭৮০

আবূ মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দলের ইমামতি করবে ঐ ব্যক্তি যে তাদের মধ্যে আল্লাহর কিতাব অধিক ভাল পাঠ করে। যদি তারা সকলেই কিরাআতে সমপর্যায়ভুক্ত হয়, তাহলে তাদের মধ্যে যে পূর্বে হিজরত করেছে। যদি তারা সকলেই হিজরতে সমপর্যায়ের হয়, তবে তাদের মধ্যে যে সুন্নাহ সম্পর্কে অধিক জ্ঞাত। যদি তারা সুন্নাহতেও সমপর্যায়ের হয়, তাহলে যার বয়স অধিক, সে ব্যক্তি। আর তুমি কোন ব্যক্তির কর্তৃত্বের স্থানে ইমামতি করবে না। আর তুমি তার আসনে উপবেশন করবে না, হ্যাঁ, যদি তিনি তোমাকে অনুমতি দেন।