মালিক ইব্নু হুওয়াইরিস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ সালাতের সময় হলে তোমাদের দু’জনের একজন আযান দিবে এবং ইক্বামাত বলবে। অতঃপর তোমাদের মধ্যে যে বয়সে অধিক বড় সে ইমামাত করবে।
মালিক ইব্নু হুয়ায়রিস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট হতে ফিরে এলাম। তিনি আমাকে ও আমার একজন সঙ্গীকে বললেন, তোমরা আযান দিবে ও ইকামত দিবে এবং তোমাদের মধ্যে যে বয়সে বড় সে ইমামত করবে।
মালিক ইবনু হুওয়াইরিস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি এবং আমার এক বন্ধু নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে গেলাম। যখন আমরা তাঁর নিকট থেকে ফিরতে চাইলাম তখন তিনি আমাদেরকে লক্ষ্য করে বললেনঃসলাতের সময় হলে আযান দিবে এবং তারপর ইক্বামত দিবে (অর্থাৎ-সলাত আদায় করবে)। তবে তোমাদের মধ্যে যে বয়সে বড় হবে সেই যেন ইমামাত করে। (ই.ফা. ১৪০৯, ই.সে. ১৪২১)
মালিক ইব্ন হুওয়ায়রিস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন : একবার আমি এবং আমার চাচাত ভাই (কখনো বলেছেন আমি এবং আমার সাথী) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলাম। তিনি বললেন : তোমরা দু’জন যখন সফরে যাবে, আযান দিবে এবং ইকামত দিবে, তারপর তোমাদের যে বড় সে ইমামতি করবে।
মালিক ইব্ন হুয়াইরিস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ এক সময় আমি এবং আমার এক চাচাত ভাই রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এলাম। অন্য এক সময় বলেছেন, আমি এবং আমার এক সাথী রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এলে তিনি বললেনঃ যখন তোমরা সফর করবে, তখন তোমরা আযান দিবে এবং ইকামত বলবে, আর তোমাদের ইমামতি করবে, তোমাদের মধ্যে যে বয়সে বড়।
আবদুর রহমান ইবনু কাসিম (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর পিতা বলতেন, যার উপর রমযানের কাযা রয়েছে, সে রোযা রাখতে সক্ষম, তবু কাযা (রোযা) রাখে নি, এইভাবে পরবর্তী রমযান এসে গিয়েছে, তবে সে প্রতিদিনের পরিবর্তে একজন মিসকিনকে এক মুদ করে গম দিবে, তদুপরি তার উপর কাযাও জরুরী হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, সাঈদ ইবনু যুবায়র (র) হতেও অনুরূপ বর্ণনা তাঁর কাছে পৌঁছেছে।