মুয়াত্তা ইমাম মালিক অঃ->কুরবানী সম্পর্কিত অধ্যায় বাব->কুরবানীর মধ্যে শরীক লওয়া এবং গরু ও উট কত জনের পক্ষ হতে যবেহ করা যাবে হাঃ-১০২৭

জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রা) থেকে বর্নিতঃ

হুদায়বিয়ার বৎসর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে প্রতিটি উট সাতজনের এবং প্রতিটি গরু সাতজনের পক্ষে যবেহ করেছি (কুরবানীর উদ্দেশ্যে)। (সহীহ, মুসলিম ১৩১৮)


মুয়াত্তা ইমাম মালিক অঃ->বিবাহ বাব->আযাদ স্ত্রীর উপর দাসীকে বিবাহ করা হাঃ-১১১১

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলতেন, আযাদ স্ত্রী থাকতে তাহার অনুমতি ব্যতীত দাসী বিবাহ করা যাবে না, আযাদ স্ত্রী অনুমতি দিলে তিনি বন্টনে দুই-তৃতীয়াংশের অধিকার লাভ করবেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : কোন আযাদ ব্যক্তির উচিত নয় ক্রীত দাসীকে বিবাহ করা, যদি আযাদ মহিলাকে বিবাহ করার সামর্থ্য সে ব্যক্তির থাকে। আর সামর্থ্য না থাকলেও ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়ার আশংকা না হলে দাসী মহিলাকে বিবাহ করবে না। ইহা এইজন্য যে, কুরআনুল করীমে আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেছেনঃ وَمَنْ لَمْ يَسْتَطِعْ مِنْكُمْ طَوْلًا أَنْ يَنْكِحَ الْمُحْصَنَاتِ الْمُؤْمِنَاتِ فَمِمَّا مَلَكَتْ أَيْمَانُكُمْ مِنْ فَتَيَاتِكُمْ الْمُؤْمِنَاتِ “তোমাদের মধ্যে কারো স্বাধীনা বিশ্বাসী নারী বিবাহের সামর্থ্য না থাকলে তোমরা তোমাদের অধিকারভুক্ত বিশ্বাসী যুবতী বিবাহ করবে।” (সূরা: আন-নিসা, ২৫) আরও ইরশাদ করেছেন ذَلِكَ لِمَنْ خَشِيَ الْعَنَتَ مِنْكُمْ “তোমাদের মধ্যে যারা ব্যভিচারকে ভয় করে ইহা তাদের জন্য।” (সূরা: আন-নিসা, ২৫) মালিক (র) বলেন, ‘আনাতের অর্থ ব্যভিচার।