সহিহ বুখারী অঃ->আযান বাব->সব সালাতেই ইমাম ও মুক্তাদীর কিরাআত পড়া জরুরী, মুকীম অবস্থায় হোক বা সফরে, সশব্দে কিরাআতের সালাত হোক বা নিঃশব্দে সব সালাতেই ইমাম ও মুক্তাদীর কিরাআত পড়া জরুরী হাঃ-৭৫৬

‘উবাদাহ ইব্‌নু সমিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সালাতে সূরা আল-ফাতিহা পড়ল না তার সালাত হলো না। [১]


সহিহ মুসলিম অঃ->সালাত বাব->প্রতি রাক’আতে সুরাহ্‌ ফা-তিহাহ্‌ পড়া অপরিহার্য, কেউ যদি (ভালভাবে) সূরাহ্‌ ফা-তিহাহ্‌ পড়তে বা শিখতে সক্ষম না হয়, তবে সে যেন তার সুবিধামত স্থান থেকে কিরাআত পাঠ করে নেয় হাঃ-৭৬০

‘উবাইদাহ্‌ ইবনু সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে ব্যক্তি (সলাতে) সূরাহ্‌ ফা-তিহাহ্‌ পাঠ করে না তার সলাত ই হয় না। (ই. ফা. ৭৫৮, ই. সে. ৭৭১)


সহিহ মুসলিম অঃ->সালাত বাব->প্রতি রাক’আতে সুরাহ্‌ ফা-তিহাহ্‌ পড়া অপরিহার্য, কেউ যদি (ভালভাবে) সূরাহ্‌ ফা-তিহাহ্‌ পড়তে বা শিখতে সক্ষম না হয়, তবে সে যেন তার সুবিধামত স্থান থেকে কিরাআত পাঠ করে নেয় হাঃ-৭৬৭

আবূ হুরাইরাহ্(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোন সলাত আদায় করল, কিন্তু তাতে ফাতিহাতুল কিতাব (সূরাহ্‌ ফা-তিহাহ্‌) পাঠ করল না-তবে এ সলাত ত্রুটিপূর্ণ ও অসম্পূর্ণ। এ কথাটি তিনি তিনবার বলেছেন। তাদের হাদীসের অনুরূপ। (ই. ফা. ৭৬৪, ই. সে. ৭৭৬)


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->সালাত (নামায) বাব->ফাতিহাতুল কিতাব ছাড়া নামায হয় না হাঃ-২৪৭

উবাদা ইবনু সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: যে ব্যক্তি সূরা ফাতিহা পাঠ করেনি তার নামায হয়নি। সহীহ্‌। ইবনু মাজাহ-(৮৩৭), বুখারী ও মুসলিম।


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->সালাতে ফাতিহা পড়া ওয়াজিব হাঃ-৯১০

উবাদাহ ইবন সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, যে ব্যক্তি সালাতে সূরা ফাতিহা পড়েনি তার সালাত হয়নি।


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->সালাতে ফাতিহা পড়া ওয়াজিব হাঃ-৯১১

উবাদা ইবন সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি সালাতে সূরা ফাতিহা -এর পর অধিক (অন্য সূরা) পড়ল না, তার সালাত হয়নি।