সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->কিয়াম এবং কিরাআত সংক্ষিপ্ত করা হাঃ-৯৮২

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সালাতের সাথে অমুকের চেয়ে সামঞ্জস্যপূর্ণ সালাত আর কারও পেছনে আদায় করিনি। সুলাইমান (রাঃ) বলেন -তিনি জোহরের প্রথম দু’রাকআত লম্বা করতেন, শেষের দু’রাকআত সংক্ষিপ্ত করতেন। আর আসরের সালাত সংক্ষিপ্ত করতেন। আর মাগরিবের সালাত কিসারে মুফাস্‌সাল দ্বারা আদায় করতেন। আর ইশার সালাত আওসাতে মুফাস্‌সাল দ্বারা আদায় করতেন। আর ভোরের সালাত অর্থাৎ ফজর তিওয়ালে মুফাস্‌সাল দ্বারা আদায় করতেন।১


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->মাগরিবের সালাতে কিসারে মুফাস্‌সাল পড়া হাঃ-৯৮৩

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি এমন কোন ব্যক্তির পেছনে সালাত আদায় করিনি যার সালাত অমুক ব্যক্তির চেয়ে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সালাতের সাথে সঠিক সামাঞ্জস্যপূর্ণ। অতএব, আমরা ঐ ব্যক্তির পেছনে সালাত আদায় করলাম। তিনি জোহরের প্রথম দু’রাকআত লম্বা করতেন, পরের দু’রাকআত সংক্ষিপ্ত করে আদায় করতেন। আসরের সালাতও সংক্ষিপ্ত করে আদায় করতেন। আর মাগরিবে কিসারে মুফাস্‌সাল পড়তেন। আর ইশার সালাত আদায় করতেন ‘ওয়াশ্‌ শামসি ওয়াদ্‌দুহাহা’ এবং এর মত সূরা দ্বারা। আর ফজরের সালাত আদায় করতেন দু’টি লম্বা সূরা দ্বারা।