সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->সালাত আরম্ভ ও কিরাআতের মাঝখানে অন্য দোয়া হাঃ-৮৯৯

আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন সালাত আরম্ভ করতেন তখন বলতেনঃ (আরবী) অর্থ: তোমার পবিত্রতা বর্ণনা করছি, হে আল্লাহ! তোমার প্রশংসার সাথে। তোমার নাম মঙ্গলময়, উচ্চ তোমার মহিমা এবং তুমি ব্যতীত কোন মাবূদ নেই।


মুয়াত্তা ইমাম মালিক অঃ->হজ্জ বাব->আইয়্যামে তাশরীকের তাকবীর হাঃ-৯০০

ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রা) ১০ তারিখ একটু বেলা হয়ে এলে তাকবীর পড়া শুরু করেন। তাঁর সঙ্গিগণও তাকবীর বলতে শুরু করেন। পরের দিন তিনি একটু বেলা হয়ে এলে তাকবীর পড়া শুরু করেন। এবং সঙ্গিগণও তখন পড়া শুরু করেন। তৃতীয় দিন সূর্য হেলে যাওয়ার পর তিনি তাকবীর বললেন। সঙ্গিগণও তখন তাকবীর বললেন। সমস্বরে তাকবীর বলার এই আওয়ায মক্কা পর্যন্ত গিয়ে পৌঁছায়। অন্যান্য মানুষ তখন বুঝতে পারে যে, উমার (রা) প্রস্তর নিক্ষেপের (রমীয়ে জামরাহ্) জন্য রওয়ানা হয়ে গিয়ে‎ছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আমাদের নিকট হুকুম হল, আইয়্যামে তাশরীকের সময় প্রত্যেক নামাযের পর তাকবীর পড়তে হবে। ইমাম প্রথমে তাকবীর বলবেন, মুকতাদি গণ তাঁর অনুসরণ করবেন। যিলহজ্জ মাসের ১০ তারিখের যুহর হতে তাকবীর বলা শুরু করবেন এবং ১৩ তারিখ ফজরের সময় তা শেষ করবে। ইমাম-মুকতাদি সকলেই এই তাকবীর পাঠ করবেন। নারী-পুরুষ সকলের উপরই পাঠ করা ওয়াজিব। জামাতে নামায পড়ুক বা একাকী, মিনায় অবস্থানরত থাকুক বা অন্য কোনখানে, সকল অবস্থায়ই উহা পাঠ করতে হবে। ইমামুল-হজ্জ এবং মিনার ময়দানে অবস্থিত হাজীগণের অনুসরণ করবে অন্যান্য লোক। তাকবীরের বেলায় তারা যখন মিনা হতে প্রত্যাবর্তন করবে ও ইহরাম ভঙ্গ করবে, তখন মুহলিদের (ইহরাম অবস্থায় যারা নেই) অনুসরণ করবে যাতে তাদেরই মত হয় অর্থাৎ মুহরিম ও মুহিল দুই দলের মধ্যে তাকবীর বলার ব্যাপারে পার্থক্য নেই। আর যারা হজ্জ সম্পাদনকারী নয়, তারা কেবল আইয়্যামে তাশরীকের বেলায় হাজীদের অনুসরণ করবে। মালিক (র) বলেন, কুরআনে উল্লেখিত ‘আইয়্যামে মা’দুদাত’ হল আইয়্যামে তাশরীক। [১]