আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জনৈক আনসারীর নিকট লোক পাঠালেন। তিনি আসলেন। তখন তাঁর মাথা থেকে পানির ফোঁটা ঝরছিল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ‘সম্ভবত আমরা তোমাকে তাড়াহুড়া করতে বাধ্য করেছি।’ তিনি বললেন, ‘জী’। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যখন তাড়াহুড়ার কারণে মনী বের না হবে (অথবা বললেন), মনীর অভাবজনিত কারণে তা বের না হবে তখন উযূ করে নিবে। ওয়াহ্ব (রহঃ) শু’বাহ (রহঃ) সূত্রে এ রকমই বর্ণনা করেন। তিনি [ শু’বাহ (রহঃ)] বলেন, আবূ ‘আবদুল্লাহ (রহঃ) বলেছেনঃ গুনদার (রহঃ) ও ইয়াহ্ইয়া (রহঃ) শু’বাহ (রহঃ)- এর সূত্রে বর্ণনায় উযূর কথা উল্লেখ করেন নি। [২] (মুসলিম ৩/২১, হাঃ ৩৪৫, আহমাদ ১১১৬২, ১১২০৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৫, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৮০)
আবূ সা’ঈদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক আনসারীর (বাড়ির) সামনে দিয়ে যাচ্ছিলেন। এরপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে সংবাদ পাঠালেন। সে বেরিয়ে এলো আর তার মাথা থেকে তখন ফোঁটা ফোঁটা পানি ঝরছিল। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, সম্ভবত আমরা তোমাকে তাড়াহুড়োর মধ্যে ফেলেছি। সে বলল হ্যাঁ, ইয়া রসূলুল্লাহ্! তিনি বললেন, যখন (কোন কারণে) তোমাকে তাড়াতাড়ি (বীর্য বের হবার আগেই উঠে পড়তে হয়) অথবা বীর্য বের হতে বাধাপ্রাপ্ত হও তখন তোমার উপর গোসল করা (ফারয) নয় বরং তোমার উপর শুধু ওযূ করা জরুরী। আর ইবনু বাশশার বলেন, যখন তোমাকে তাড়াহুড়ার মধ্যে ফেলা হয়েছে বা তোমাকে বীর্যপাত করতে বাধা দেয়া হয়েছে। (ই.ফা. ৬৬৯, ই.সে. ৬৬৮)