সহিহ বুখারী অঃ->সালাত বাব->মোযা পরা অবস্থায় সালাত আদায় করা। হাঃ-৩৮৭

হাম্মাম ইব্‌নু হারিস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি জারীর ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) কে দেখলাম যে, তিনি পেশাব করলেন। অতঃপর উযূ করলেন আর উভয় মোজার উপরে মাস্‌হ্‌ করলেন। অতঃপর তিনি দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করলেন। তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেনঃ আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কেও এরূপ করতে দেখেছি। ইবরাহীম (রহঃ) বলেনঃ এ হাদীস মুহাদ্দিসীনের নিকট অত্যন্ত পছন্দনীয়। কারণ জারীর (রাঃ) ছিলেন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর শেষ সময়ে ইসলাম গ্রহণকারীদের মধ্যে একজন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৪, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৮০)


সহিহ মুসলিম অঃ->তাহারাত (পবিত্রতা) বাব->মোজার উপর মাসাহ করা হাঃ-৫১০

হাম্মাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা জারীর (রাঃ) একবার প্রসাব করলেন, অতঃপর ওযু করলেন এবং তার উভয় মোজার উপর মাসাহ করলেন। তাঁকে বলা হল, আপনি কি এ রকম করে থাকেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, আমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখেছি তিনি প্রস্রাব করেছেন, তারপর ওযু করেছেন এবং তাঁর উভয় মোযার উপর মাসাহ করেছেন। আ’মাশ বলেন, ইব্‌রাহীম বলেছেন যে, এ হাদীসটি (হাদীস বিশারদ) লোকেরা আগ্রহের সাথে গ্রহণ করেছেন। কারণ জারীর (রাঃ) সূরাহ্‌ আল মায়িদাহ্‌ নাযিলের পর ইসলাম গ্রহণ করেন। (ই.ফা. ৫১৩, ই.সে. ৫২৯)


সুনান নাসাঈ অঃ->পবিত্রতা বাব->মোজার উপর মসেহ করা হাঃ-১১৮

জারীর ইব্‌ন আবদুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি উযূ করেন এবং মোজার উপর মসেহ করেন। তাঁকে বলা হল, কি ব্যাপার! আপনি মোজার উপর মসেহ করেন? তিনি উত্তরে বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–কে মসেহ করতে দেখেছি। আবদুল্লাহর শাগরিদগণ জারীরের এই কথা পছন্দ করতেন। আর জারীর (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর ইন্তিকালের সামান্য কিছুকাল পূর্বে ইসলাম কবূল করেন।