সহিহ বুখারী অঃ->সৃষ্টির সূচনা বাব->আল্লাহ তা’আলার এ বাণী সম্বন্ধে যা বর্ণিত হয়েছেঃ তিনিই স্বীয় রাহমাতের বৃষ্টির পূর্বে বিস্তৃতরূপে বায়ুকে করেন। (আল-ফুরকান ৪৮) হাঃ-৩২০৬

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন আকাশে মেঘ দেখতেন, তখন একবার সামনে আগাতেন, আবার পেছনে সরে যেতেন। আবার কখনও ঘরে প্রবেশ করতেন, আবার বেরিয়ে যেতেন আর তাঁর মুখমণ্ডল মলিন হয়ে যেত। পরে যখন আকাশ বৃষ্টি বর্ষণ করত তখন তাঁর এ অবস্থা দূর হত। ‘আয়িশা (রাঃ)-এর কারণ জানতে চাইলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আমি জানি না, এ মেঘ এমন মেঘও হতে পারে যা দেখে আদ জাতি বলেছিলঃ অতঃপর যখন তারা তাদের উপত্যকার দিকে উক্ত মেঘমালাকে এগোতে দেখল। (৪৬ : ২৪)


সহিহ মুসলিম অঃ->ইস্‌তিস্‌ক্বার সলাত বাব->ঝঞ্ঝাবায়ু ও মেঘ দেখে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা আর বৃষ্টি বর্ষনে খুশি হওয়া হাঃ-১৯৭০

আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যখন বাতাস প্রবল আকার ধারণ করত, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এভাবে দু‘আ করতেন : “আল্ল-হুম্মা ইন্নী আস্‌আলুকা খয়রাহা- ওয়া খয়রা মা- ফীহা- ওয়া খয়রা মা- উর্‌সিলাত বিহী, ওয়া আ’ঊযুবিকা মিন্‌ শার্‌রিহা- ওয়া শার্‌রি মা- ফীহা- ওয়া শার্‌রি মা- উর্‌সিলাত বিহী”- (অর্থাৎ- হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে মেঘের কল্যাণ কামনা করছি ও এর মধ্যে যে কল্যাণ নিহিত আছে এবং যে কল্যাণের সাথে প্রেরিত হয়েছে তাও এবং তোমার কাছে এর অকল্যাণ ও এর মধ্যে যে অকল্যাণ নিহিত আছে এবং যে অকল্যাণ নিয়ে এসেছে তা থেকে আশ্রয় চাই।) ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, যখন আসমানে মেঘ বিদ্যুৎ ছেয়ে যেত তাঁর চেহারা বিবর্ণ হয়ে যেত এবং তিনি ভিতরে বাইরে আগে পিছনে ইতস্ততঃ চলাফেরা শুরু করে দিতেন। এরপর যখন বৃষ্টি হতো তাঁর এ অবস্থা দূর হয়ে যেত। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেনঃ এ অবস্থা বুঝতে পেরে আমি তাঁকে এর কারণ জিজ্ঞেস করলে তিনি বলতেন, হে ‘আয়িশাহ্‌ ! আমার আশঙ্কা এরূপ হয় নাকি যেরূপ ‘আদ সম্প্রদায় বলেছিল। যেমন কুরআনে উদ্ধৃত হয়েছে, “যখন তারা এটাকে তাদের প্রান্তর অভিমুখে মেঘের আকারে এগিয়ে আসতে দেখল, তারা বলল, এ মেঘ আমারে ওপর বৃষ্টি বর্ষাবে (পক্ষান্তরে তা ছিল আসমানী গজব)”- (সূরাহ্‌ আল আহ্‌ক্বা-ফ ৪৬:২৪)। (ই.ফা. ১৯৫৫, ই.সে. ১৯৬২)