ইবনু 'আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বিপদের সময় এ দু'আ পড়তেনঃ আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই। যিনি মহান ও ধৈর্যশীল। আল্লাহ ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই। তিনিই আসমান যমীনের প্রতিপালক ও মহান আরশের প্রভু। [৬৩৪৬, ৭৪২৬, ৭৪৩১; মুসলিম ৪৮/২১, হাঃ ২৭৩০, আহমাদ ৩৩৫৪] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৯২)
মুসান্নাদ (রহঃ) ইবনু 'আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বিপদের সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এ দু'আ পড়তেনঃ আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই, যিনি অতি উচ্চ মর্যাদাপূর্ণ ও অশেষ ধৈর্যশীল, আরশে আযীমের প্রভু। আল্লাহ ব্যতীত কোন মাবূদ নেই। আসমান যমীনের প্রতিপালক ও সম্মানিত আরশের মালিক। আল্লাহ ব্যতীত আর কোন ইলাহ নেই। [৬৩৪৫; মুসলিম ৪৮/২১, হাঃ ২৭৩০, আহমাদ ৩৩৫৪] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৯৩)
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, দুঃখ কষ্টের সময় নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু‘আ করতেন এ ব’লেঃ আল্লাহ্ ব্যতীত কোন মাবূদ নেই। তিনি সর্বজ্ঞ ও ধৈর্যশীল। তিনি ব্যতীত আর কোন মাবূদ নেই, তিনি মহান আরশের রব। তিনি ব্যতীত কোন মাবূদ নেই, তিনি আসমান-যমীনের রব এবং সম্মানিত আরশের রব।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯২২)
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বর্ণিত যে, দুঃখ-বেদনার সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ বলে দু'আ করতেনঃ মহান ও ধৈর্যশীল আল্লাহ্ ব্যতীত কোন মাবূদ নেই, মহান আরশের প্রতিপালক আল্লাহ্ ব্যতীত কোন মাবূদ নেই, আসমানসমূহের মালিক এবং মহান আরশের অধিপতি আল্লাহ্ ব্যতীত কোন মাবূদ নেই। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯২৫)
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(তিনি বলেন,) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কঠিন বিপদাপদের সময় বলতেনঃ “লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হুল ‘আযীমুল হালীমু লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু রব্বুল ‘আর্শিল ‘আযীমি লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু রব্বুস্ সামা- ওয়া-তি ওয়া রব্বুল আর্যি ওয়া রব্বুল ‘আর্শিল কারীম”, অর্থাৎ- “মহান, ধৈর্যশীল আল্লাহ ছাড়া কোন মা‘বূদ নেই। মহান ‘আরশের পালনকর্তা আল্লাহ ছাড়া কোন মা‘বূদ নেই। আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর রব এবং সম্মানিত ‘আর্শের রব আল্লাহ ছাড়া কোন মা‘বূদ নেই।” (ই.ফা. ৬৬৭২, ই.সে. ৬৭২৬)
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন কোন গুরুত্বপূর্ণ কর্ম (বিপদ) তাঁর সামনে আসতো তখন তিনি বলতেন .....। এরপর তিনি মু‘আয-এর বাবার বর্ণিত হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন এবং এর সঙ্গে “লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু রব্বুল ‘আর্শিল কারীম”, অর্থাৎ- “মহান ‘আর্শের প্রতিপালক আল্লাহ ব্যাতীত কোন মা‘বূদ নেই” বর্ধিত বর্ণনা করেছে। (ই.ফা. ৬৬৭৫, ই.সে. ৬৭২৯)