সহিহ বুখারী অঃ->আযান বাব->সালামের আগে দু’আ । হাঃ-৮৩৪

আবূ বকর সিদ্দীক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা তিনি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আরয করলেন, আমাকে সালাতে পাঠ করার জন্য একটি দু’আ শিখেয়ে দেন। তিনি বললেন, এ দু’আটি বলবে اللَّهُمَّ إِنّيِ ظَلَمتُ نَفسيِ ظُلماً كَثِراً وَّلاَ يَغفِرُ الذُّنوبَ إِلاَّ أَنتَ فاَغفِرليِ مَغفِرَةً مِن عِندِكَ وَارحَمنيِ إِنَّكَ أَنتَ الغَفورُ الرَحيمُ “হে আল্লাহ! আমি নিজের উপর অধিক যুলম করেছি। আপনি ছাড়া সে অপরাধ ক্ষমা করার আর কেউ নেই। আপনার পক্ষ হতে আমাকে তা ক্ষমা করে দিন এবং আমার উপর রহমত বর্ষন করুন। নিশ্চয়ই আপনি ক্ষমাশীল ও দয়াবান।”


সহিহ বুখারী অঃ->দু’আ বাব->সলাতের ভিতর দু'আ পাঠ হাঃ-৬৩২৬

আবূ বাক্‌র সিদ্দিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একবার তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর নিকট বললেন, আপনি আমাকে এমন একটি দু'আ শিখিয়ে দিন, যা দিয়ে আমি সলাতে দু'আ করব। তিনি বললেন, তুমি সালাতে পড়বেঃ "হে আল্লাহ! আমি আমার নিজের উপর অনেক অধিক যুল্‌ম করেছি। আপনি ছাড়া আমার গুনাহ মাফ করার আর কেউ নেই। অতএব আপনি আপনার পক্ষ থেকে আমাকে ক্ষমা করে দিন। আর আমার প্রতি দয়া করুন। নিশ্চয় আপনি ক্ষমাশীল ও অতি দয়ালু।"(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৭৪)


সহিহ বুখারী অঃ->জাহ্‌মিয়াদের মতের খণ্ডন ও তাওহীদ প্রসঙ্গ বাব->আল্লাহ্‌র বাণীঃ আল্লাহ্‌ সর্বশ্রোতা ও সর্বদ্রষ্টা। (সূরা আন্‌-নিসা ৪/১) হাঃ-৭৩৮৭

আব্দুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ বকর সিদ্দীক (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে এমন একটি দু‘আ শিখিয়ে দিন যা দিয়ে আমি আমার সালাতে দু‘আ করতে পারি। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি বল, اللهُمَّ إِنِّي ظَلَمْتُ نَفْسِي.... হে আল্লাহ্! আমি আমার নফসের ওপর খুব বেশি যুল্ম করেছি। আপনি ব্যতীত আমার গুনাহ ক্ষমা করার কেউই নেই। কাজেই আপনার পক্ষ থেকে আমাকে ক্ষমা করে দিন। আপনিই অতি ক্ষমাপরায়ণ ও দয়াবান। [৮৩৪; মুসলিম ৪৮/১৩, হাঃ ২৭০৫, আহমাদ ৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৭২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৮৪)


সহিহ বুখারী অঃ->জাহ্‌মিয়াদের মতের খণ্ডন ও তাওহীদ প্রসঙ্গ বাব->আল্লাহ্‌র বাণীঃ আল্লাহ্‌ সর্বশ্রোতা ও সর্বদ্রষ্টা। (সূরা আন্‌-নিসা ৪/১) হাঃ-৭৩৮৮

আব্দুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ বকর সিদ্দীক (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে এমন একটি দু‘আ শিখিয়ে দিন যা দিয়ে আমি আমার সালাতে দু‘আ করতে পারি। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি বল, اللهُمَّ إِنِّي ظَلَمْتُ نَفْسِي.... হে আল্লাহ্! আমি আমার নফসের ওপর খুব বেশি যুল্ম করেছি। আপনি ব্যতীত আমার গুনাহ ক্ষমা করার কেউই নেই। কাজেই আপনার পক্ষ থেকে আমাকে ক্ষমা করে দিন। আপনিই অতি ক্ষমাপরায়ণ ও দয়াবান। [৮৩৪; মুসলিম ৪৮/১৩, হাঃ ২৭০৫, আহমাদ ৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৭২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৮৪)


সহিহ মুসলিম অঃ->যিক্‌র, দু’আ, তওবা ও ইস্‌তিগফার বাব->যিক্‌র নিম্নস্বরে করা মুস্তাহাব হাঃ-৬৭৬২

আবূ বাক্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বললেন, আপনি আমাকে এমন একটি দু‘আ শিখিয়ে দিন, যা দ্বারা আমি আমার সলাতে দু‘আ করব। তিনি বললেন, তুমি বলো, ‘‘আল্ল-হুম্মা ইন্নী যলাম্তু নাফ্সী যুলমান কাবীরা” অর্থাৎ- ‘হে আল্লাহ! আমি আমার নিজের উপর বড় যুল্ম করেছি।’ কুতাইবাহ্ (রাঃ) বলেন, “কাসীরা, ওয়ালা- ইয়াগফিরুয্ যুনূবা ইল্লা- আন্তা ফাগফির্লী মাগফিরাতাম মিন ‘ইনদিকা ওয়ার হামনী ইন্নাকা আন্তাল গফূরুর রহীম” অর্থাৎ- ‘অনেক। আপনি ছাড়া কেউ পাপরাশি মার্জনা করতে পারে না। সুতরাং আপনি আপনার পক্ষ থেকে আমাকে মাফ করুন এবং আমার উপর দয়া করুন। অবশ্যই আপনি একমাত্র ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।” (ই.ফা. ৬৬২৩, ই.সে. ৬৬৭৭)


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->দু’আ সমূহ বাব->(নিজের উপর অনেক অত্যাচার করেছি) হাঃ-৩৫৩১

আবূ বাক্‌র আস-সিদ্দীক্ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! এমন একটি দু’আ আমাকে শিখিয়ে দিন যা আমি আমার নামাযের মাঝে পাঠ করতে পারি। তিনি বললেনঃতুমি বল, ‘‘হে প্রভু! আমার সত্তার উপর আমি অনেক যুল্‌ম করেছি। তুমি ব্যতীত গুনাহ ক্ষমা করার আর কেউ নেই। অতএব আমাকে তুমি নিজগুনে ক্ষমা করে দাও। আমার প্রতি করুণা কর। নিশ্চয় তুমি ক্ষমাকারী, অতীব দয়ালু। সহীহ : ইবনু মাজাহ (হা: ৩৮৩৫), বুখারী ও মুসলিম।


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->আর এক প্রকার দোয়া হাঃ-১৩০২

আবু বকর সিদ্দীক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বললেন, আমাকে এমন একটা দোয়া শিক্ষা দিন যদ্বারা আমি সালাতে দোয়া করব। তিনি বললেন, তুমি বলবেঃ (আরবি)