সহিহ বুখারী অঃ->যাকাত বাব->নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণীদের আযাদকৃত দাস-দাসীদেরকে সদকা দেয়া। হাঃ-১৪৯২

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মায়মূনা (রাঃ) কর্তৃক আযাদকৃত জনৈক দাসীকে সদকা স্বরূপ প্রদত্ত একটি বকরীকে মৃত অবস্থায় দেখতে পেয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা এর চামড়া দিয়ে উপকৃত হও না কেন? তারা বললেনঃ এটা তো মৃত। তিনি বললেন, এটা কেবল খাওয়া হারাম করা হয়েছে।


সহিহ মুসলিম অঃ->হায়িয (ঋতুস্রাব) বাব->মৃত জন্তুর চামড়া পাকা (দাবাগত) করার পর পবিত্র হয়ে যায়। [৯৯] হাঃ-৬৯২

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মাইমূনাহ্‌ (রাঃ)-এর দাসীকে কেউ একটি বকরী সদকাহ্‌ দিল। পরে সে বকরীটি মারা যায়। সে সময় রসূলুল্লাহ্‌(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মরে পড়ে থাকা বকরীটির সামনে দিয়ে যাচ্ছিলেন। এ অবস্থা দেখে তিনি বললেন, তোমরা কেন চামড়া খুলে নিয়ে তা পাকা করে তা দিয়ে উপকৃত হও না? সাহাবাগণ বললেন, এটা যে মৃত। তিনি বললেন, (তাতে কি) এটা খাওয়া হারাম (চামড়া ব্যবহার করা তো হারাম নয়)। আবূ বাক্‌র ও ইবনু ‘উমার মাইমূনাহ্‌ থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। (অর্থাৎ রাবী মাইমূনাহ্‌ ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস নন) (ই.ফা. ৬৯১, ই.সে. ৭০৬)


সহিহ মুসলিম অঃ->হায়িয (ঋতুস্রাব) বাব->মৃত জন্তুর চামড়া পাকা (দাবাগত) করার পর পবিত্র হয়ে যায়। [৯৯] হাঃ-৬৯৩

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি মৃত বকরী দেখলেন যা মাইমূনাহ্‌ (রাঃ)-এর দাসীকে সদাকাহ্‌ হিসেবে দেয়া হয়েছিল। অতঃপর রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা এর চামড়া দিয়ে উপকৃত হও না কেন? সাহাবাগণ বললেন, এটা তো মৃত। তিনি বললেন, এটা তো খাওয়া হারাম। (ই.ফা. ৬৯২, ই.সে. ৭০৭)