সহিহ বুখারী অঃ->হজ্জ বাব->মাথা মুণ্ডানোর পূর্বে কুরবানী করা। হাঃ-১৭২১

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সে ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হল, যে মাথা কামানোর আগে কুরবানী অথবা অনুরূপ কোন কাজ করেছে। তিনি বললেনঃ এতে কোন দোষ নেই, এতে কোন দোষ নেই। (৮৪) (আঃপ্রঃ ১৬০৩, ইঃফাঃ ১৬১০)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->পবিত্রতা অর্জন বাব->পেশাব-পায়খানার সময় পর্দা করা হাঃ-৩৫

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, কেউ সুরমা লাগালে বেজোড় সংখ্যায় লাগাবে। এরূপ করলে ভাল, না করলে কোন ক্ষতি নেই। ঢিলা ব্যবহার করলে বেজোড় সংখ্যায় করবে। এরূপ করলে ভাল, না করলে কোন সমস্যা নেই। খাওয়ার পর খিলাল করলে যদি কিছু বের হয় তা ফেলে দিবে, আর জিহবার সাথে কিছু লেগে থাকলে তা গিলে ফেলবে। এরূপ করলে ভাল, না করলে কোন অসুবিধা নেই। পায়খানায় গেলে আড়ালে চলে যাবে। এরূপ জায়গা না পাওয়া গেলে অন্তত বালুর স্তুপ তৈরী করে তার আড়ালে বসবে। কারণ শাইত্বন মানুষের লজ্জাস্থান নিয়ে খেলা করে। এরূপ করলে ভাল, না করলে কোন গুনাহ নেই। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, আবূ সাঈদ আল খায়র নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর অন্যতম সহাবী। দূর্বলঃ যঈফ আল-জামি’উস সাগীর ৫৪৬৮, মিশকাত ৩৫২।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->পবিত্রতা ও তার সুন্নাতসমূহ বাব->পেশাব-পায়খানার সময় পর্দা করা হাঃ-৩৩৮

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে এই সানাদ সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এই বর্ণনায় আরো আছে : যে ব্যক্তি সুরমা লাগায়, সে যেন বেজোড় সংখ্যকবার লাগায়। যে ব্যক্তি এরূপ করলো, সে উত্তম কাজ করলো এবং যে তা করেনি, তার কোন দোষ নেই। কারো মুখ থেকে কিছু বের হলে সে যেন তা উদগীরণ করে ফেলে দেয়। [৩৩৬] তাহকীক আলবানী : যে ব্যক্তি সুরমা লাগায় সে যেন বিজোড় লাগায় এ কথা ব্যতীত দঈফ।