সহিহ বুখারী অঃ->তাফসীর বাব->মহান আল্লাহর বাণীঃ হাঃ-৪৪৭৮

সা‘ঈদ ইবনু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ ...... আল কামাআত (ব্যাঙের ছাতা) মান্ন জাতীয়। আর তার পানি চোখের রোগের প্রতিষেধক। [৪৬৩৯, ৫৭০৮; মুসলিম ৩৬/২৮, হাঃ ২০৪৯, আহমাদ ১৬২৫] (আ.প্র. ৪১২০, ই.ফা. ৪১২৩)


সহিহ বুখারী অঃ->তাফসীর বাব->আল্লাহর বাণীঃ মান্না এবং সালওয়া। (সূরাহ আল-‘আরাফ ৪/১৬০) হাঃ-৪৬৩৯

সা‘ঈদ ইবনু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, الْكَمْأَةُ জাতীয় উদ্ভিদ মান্না-এর মতো এবং এর পানি চক্ষুরোগ আরোগ্যকারী। [৪৪৭৮] (আ.প্র. ৪২৭৮, ই.ফা. ৪২৮১)


সহিহ বুখারী অঃ->চিকিৎসা বাব->জমাট শিশির চোখের জন্য শেফা। হাঃ-৫৭০৮

সা‘ঈদ ইবনু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছিঃ ছত্রাক এক প্রকারের শিশির থেকে হয়ে থাকে। আর এর রস চোখের আরোগ্যকারী। শু’বাহ (রহঃ) বলেনঃ হাকাম উতাইবা (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে আমার কাছে এরূপ বর্ণনা করেছেন। শু‘বাহ (রহঃ) বলেনঃ হাকাম যখন আমাকে হাদীসটি বর্ণনা করেন তখন ‘আবদুল মালিক বর্ণিত হাদীসকে তিনি অগ্রাহ্য করেননি।(আধুনিক প্রকাশনী- দ্বিতীয় অংশ নেই, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৮৯)


সহিহ মুসলিম অঃ->পানীয় বস্তু বাব->কামআহ্ [১] -এর ফাযীলাত ও এর মাধ্যমে চোখের চিকিৎসা হাঃ-৫২৩৭

সা‘ঈদ ইবনু যায়দ ইবনু ‘আম্‌র ইবনু নুফায়ল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, কামআহ্ মান্না জাতীয়। আর এর নিগৃহীত রস চোখের জন্য উপশম। (ই.ফা. ৫১৬৯, ই.সে. ৫১৮১)


সহিহ মুসলিম অঃ->পানীয় বস্তু বাব->কামআহ্ [১] -এর ফাযীলাত ও এর মাধ্যমে চোখের চিকিৎসা হাঃ-৫২৩৮

সা‘ঈদ ইবনু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, কামআহ্ মান্না জাতীয় এবং এর রস চোখের জন্য উপশম। (ই.ফা. ৫১৭০, ই.সে. ৫১৮২)


সহিহ মুসলিম অঃ->পানীয় বস্তু বাব->কামআহ্ [১] -এর ফাযীলাত ও এর মাধ্যমে চোখের চিকিৎসা হাঃ-৫২৪৩

সা‘ঈদ ইবনু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কাম্আহ্ মান্না জাতীয় এক প্রকার উদ্ভিদ। এর রস চোখের জন্য এক প্রকার ঔষধ। (ই.ফা. ৫১৭৫, ই.সে. ৫১৮৭)


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->চিকিৎসা বাব->ছত্রাক ও আজওয়া খেজুর হাঃ-৩৪৫৫

আবু হুরায়রাহ (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ

আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সামনে আলোচনারত ছিলাম। আমরা ছত্রাকের উল্লেখ করলে কতক সাহাবী বলেন, ছত্রাক জমিনের বসন্তরোগ। কথাটা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কর্ণগোচর হলে তিনি বলেনঃ ছত্রাক হলো ‘মান্ন’-এর অন্তর্ভুক্ত। আজওয়া হলো জান্নাতের খেজুর এবং বিষের প্রতিষেধক। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->চিকিৎসা বাব->আজওয়া খেজুর ও ছত্রাক (ব্যাঙের ছাতা) প্রসঙ্গে হাঃ-২০৬৭

সাঈদ ইবনু যাইদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ‘ছত্রাক’ মান্নের অন্তর্ভুক্ত। এর পানি চোখের জন্য নিরাময়। সহীহ, রাওযুন নাযীর (৪৪৪), বুখারী, মুসলিম।


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->চিকিৎসা বাব->আজওয়া খেজুর ও ছত্রাক (ব্যাঙের ছাতা) প্রসঙ্গে হাঃ-২০৬৮

আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কিছু সাহাবী বলেন, ছত্রাক হলো যমীনের বসন্ত রোগ। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ছত্রাক হলো মান্নের অন্তর্ভুক্ত এবং এর পানি চক্ষুরোগের প্রতিষেধক। আজওয়া হলো বেহেশতের খেজুরের অন্তর্ভুক্ত এবং এটা বিষের প্রতিষেধক। পূর্বের হাদীসের সহায়তায় সহীহ।