মা’মার (রহঃ) হতে, তাঁরা সবাই যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উক্ত সূত্রে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে সুফ্ইয়ান সালিহ্ (রহঃ)- এর হাদীসে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে “বিত্’ই [৬] সম্বন্ধে প্রশ্ন করা হলো”-কথাটি নেই। কিন্তু মা’মার (রহঃ)-এর কথাটি হাদীসে রয়েছে। আর সালিহ্ (রহঃ)-এর হাদীসে রয়েছ যে, তিনি [আয়িশাহ্ (রাঃ)] রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন- সকল প্রকার নেশা উদ্রেককারী পানীয়ই নিষিদ্ধ। (ই. ফা. ৫০৪৩, ই. সে. ৫০৫৩)
আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে এবং মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ)-কে ইয়ামানে প্রেরণ করলেন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমাদের অঞ্চলে যব হতে ‘মিয্র’ নামক মদ এবং মধু হতে বিত্’ই নামক মদ প্রস্তুত করা হয়। তিনি বললেন, সকল প্রকার নেশা উদ্রেককারী জিনিসই নিষিদ্ধ। [দ্রষ্টব্য হাদীস ৪৫২৬] (ই. ফা. ৫০৪৪, ই. সে. ৫০৫৪)
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যা কিছু নেশা তৈরি করে তা-ই মদ। আর যা নেশা উদ্রেক করে তাই নিষিদ্ধ। যে লোক দুনিয়াতে মদ পান করবে, আবার সব সময় এ কাজ করে তাওবাহ্ না করেই মৃত্যুমুখে পতিত হবে, সে আখিরাতে তা পান করতে পারবে না। (ই. ফা. ৫০৪৮, ই. সে. ৫০৫৮)
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নিশ্চয়ই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যা কিছু নেশাগ্রস্থ করে তা-ই মদ। আর যা নেশা উদ্রেক করে তা-ই নিষিদ্ধ। (ই. ফা. ৫০৪৯, ই. সে. ৫০৫৯)
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
সম্ভবত তিনি নবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকেই বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, যে জিনিসে নেশা উদ্রেক করে তাই মদ। আর মদ মাত্রই হারাম। (ই. ফা. ৫০৫১, ই. সে. ৫০৬১)
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নেশা উদ্রেককারী প্রতিটি বস্তু মদের অন্তর্ভুক্ত এবং নেশা উদ্রেককারী প্রতিটি জিনিস হারাম। যে ব্যক্তি সর্বদা মদপান করে এবং এ অবস্থায় মৃত্যু বরণ করে, আখিরাতে তাকে মদ পান করা হতে বঞ্চিত রাখা হবে।
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মদ পান, জুয়া খেলা, কুবাহ ও গুবায়রা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেছেনঃ নেশা সৃষ্টিকারী প্রতিটি বস্তুই হারাম।
আব্দুল্লাহ বিন উমার (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রতিটি নেশা উদ্রেককর জিনিস হারাম। [৩৩৮৭] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
ইবনু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ প্রতিটি নেশা উদ্রেককর জিনিস হারাম। [৩৩৮৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
আবূ মুসা (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নেশা সৃষ্টকারী প্রতিটি জিনিস হারাম। [৩৩৯১] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাঠের পাত্রে, তৈলাক্ত পাত্রে, কদুর খোলের পাত্রে ও মাটির সবুজ পাত্রে নাবীয তৈরী করতে নিষেধ করেছেন। তিনি আরও বলেনঃ সমগ্র নেশা সৃষ্টিকর জিনিস হারাম। [৩৪০১] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাঠের পাত্রে, তৈলাক্ত পাত্রে, কদুর খোলের পাত্রে ও মাটির সবুজ পাত্রে নাবীয তৈরী করতে নিষেধ করেছেন। তিনি আরও বলেনঃ সমগ্র নেশা সৃষ্টিকর জিনিস হারাম। [৩৪০১] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাঠের পাত্রে, তৈলাক্ত পাত্রে, কদুর খোলের পাত্রে ও মাটির সবুজ পাত্রে নাবীয তৈরী করতে নিষেধ করেছেন। তিনি আরও বলেনঃ সমগ্র নেশা সৃষ্টিকর জিনিস হারাম। [৩৪০১] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সকল প্রকারের নেশা সৃষ্টিকারী দ্রব্য মদের অন্তর্ভূক্ত এবং সকল নেশা সৃষ্টিকারী দ্রব্যই হারাম। পৃথিবীতে যে লোক মদ পান করে এবং মদ পানে আসক্ত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে সে পরকালে তা পান করতে পারবে না। সহীহ্, ইরওয়া (৮/৪১)
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ সকল প্রকারের নেশা সৃষ্টিকারী দ্রব্যই হারাম। সহীহ্, ইবনু মাজাহ্ (৩৩৮৭), মুসলিম।
ইব্ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রত্যেক মাদক দ্রব্যই হারাম এবং প্রত্যেক মাদকদ্রব্যই খামর (মদ)।
ইব্ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রত্যেক মাদকদ্রব্য হারাম এবং প্রত্যেক মাদকদ্রব্যই খামর।
ইব্ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রত্যেক নেশাদ্রব্যই খামর।
ইব্ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলূল্লাহ্ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রত্যেক মাদকদ্রব্য হারাম, আর প্রত্যেক মাদকদ্রব্যই খামর।
ইব্ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রত্যেক মাদকদ্রব্যই হারাম এবং প্রত্যেক মাদকদ্রব্যই খামর।
ইব্ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রত্যেক মাদকদ্রব্যই হারাম এবং প্রত্যেক মাদকদ্রব্যই খামর।
ইব্ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রত্যেক মাদকদ্রব্যই হারাম এবং প্রত্যেক মাদকদ্রব্যই খামর।
ইব্ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রত্যেক মাদকদ্রব্যই হারাম।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রত্যেক মাদকদ্রব্যই হারাম।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রত্যেক মাদকদ্রব্যই হারাম।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রত্যেক মাদকদ্রব্যই হারাম।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দুব্বা, মুযাফ্ফাত, নকীর ও হানতাম নামক পাত্রে নবীয প্রস্তুত করতে নিষেধ করেছেন এবং তিনি বলেন, প্রত্যেক মাদকদ্রব্য হারাম।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দুব্বা, মুযাফ্ফাত, নকীর ও হানতাম নামক পাত্রে নবীয প্রস্তুত করতে নিষেধ করেছেন এবং তিনি বলেন, প্রত্যেক মাদকদ্রব্য হারাম।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দুব্বা, মুযাফ্ফাত, নকীর ও হানতাম নামক পাত্রে নবীয প্রস্তুত করতে নিষেধ করেছেন এবং তিনি বলেন, প্রত্যেক মাদকদ্রব্য হারাম।
আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রত্যেক মাদকদ্রব্যই হারাম।
আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রত্যেক মাদকদ্রব্য হারাম।
আবূ মূসা আশ‘আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রত্যেক মাদকদ্রব্য হারাম।
ইব্ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রত্যকে মাদকদ্রব্যই হারাম। আর প্রত্যেক নেশাদায়ক দ্রব্যই মদ। আবূ আবদুর রহমান নাসাঈ (রহঃ) বলেনঃ এ হাদীসের রাবীগণ নির্ভরযোগ, বিশুদ্ধ বর্ণনার ক্ষেত্রে প্রসিদ্ধ। আবদুল মালিক (রহঃ)- এর বর্ণিত হাদীস, তাদের বর্ণিত হাদীসের মুকাবিলায় গ্রহণযোগ্য হতে পারে না, যদিও তার মত একদল রাবী তার সমর্থন করে।
ইব্ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রত্যকে মাদকদ্রব্যই হারাম। আর প্রত্যেক নেশাদায়ক দ্রব্যই মদ। আবূ আবদুর রহমান নাসাঈ (রহঃ) বলেনঃ এ হাদীসের রাবীগণ নির্ভরযোগ, বিশুদ্ধ বর্ণনার ক্ষেত্রে প্রসিদ্ধ। আবদুল মালিক (রহঃ)- এর বর্ণিত হাদীস, তাদের বর্ণিত হাদীসের মুকাবিলায় গ্রহণযোগ্য হতে পারে না, যদিও তার মত একদল রাবী তার সমর্থন করে।
ইব্ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রত্যকে মাদকদ্রব্যই হারাম। আর প্রত্যেক নেশাদায়ক দ্রব্যই মদ। আবূ আবদুর রহমান নাসাঈ (রহঃ) বলেনঃ এ হাদীসের রাবীগণ নির্ভরযোগ, বিশুদ্ধ বর্ণনার ক্ষেত্রে প্রসিদ্ধ। আবদুল মালিক (রহঃ)- এর বর্ণিত হাদীস, তাদের বর্ণিত হাদীসের মুকাবিলায় গ্রহণযোগ্য হতে পারে না, যদিও তার মত একদল রাবী তার সমর্থন করে।