'আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে সকল পানীয় নেশা সৃষ্টি করে, তা হারাম। (৫৫৮৫, ৫৫৮৬ দ্রষ্টব্য) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৫, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২৪১)
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে ‘বিতা’ সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করেছি। তিনি বললেনঃ সর্বপ্রকার নেশা জাতীয় পানীয় হারাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৭৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৭২)
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে ‘বিতা’ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল। ‘বিতা’ হচ্ছে মধু থেকে তৈরী নবীয। ইয়ামানের লোকেরা তা পান করত। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে সকল পানীয় নেশার সৃষ্টি করে তা-ই হারাম। যুহরী হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) আমাকে খবর দিয়েছেন যে, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা দুব্বা (কদুর খোল) এর মধ্যে নবীয তৈরী করবে না, মুযাফ্ফাত (আলকাতরা যুক্ত পাত্র)’র মধ্যেও করবে না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৭৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৭৩)
আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বিত’ই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলো। তিনি বললেন, নেশাগ্রস্ত করে এমন সকল প্রকার পানীয়ই নিষিদ্ধ। (ই. ফা. ৫০৪১, ই. সে. ৫০৫১)
আবূ সালামা ইবনু আবদুর রহমান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আয়িশাহ্ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বিত্’ই সম্বন্ধে প্রশ্ন করা হলো। তিনি বললেন, নেশা উদ্রেক করে এমন সর্বপ্রকার পানীয়ই নিষিদ্ধ। (ই. ফা. ৫০৪২, ই. সে. ৫০৫২)
মা’মার (রহঃ) হতে, তাঁরা সবাই যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উক্ত সূত্রে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে সুফ্ইয়ান সালিহ্ (রহঃ)- এর হাদীসে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে “বিত্’ই [৬] সম্বন্ধে প্রশ্ন করা হলো”-কথাটি নেই। কিন্তু মা’মার (রহঃ)-এর কথাটি হাদীসে রয়েছে। আর সালিহ্ (রহঃ)-এর হাদীসে রয়েছ যে, তিনি [আয়িশাহ্ (রাঃ)] রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন- সকল প্রকার নেশা উদ্রেককারী পানীয়ই নিষিদ্ধ। (ই. ফা. ৫০৪৩, ই. সে. ৫০৫৩)
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে মধুর তৈরি শরবত সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেনঃ নেশা সৃষ্টিকারী যে কোন পানীয় হারাম। অপর বর্ণনায় রয়েছেঃ মধুর তৈরি শরবত। বর্ণনাকারী বলেন, ইয়ামানের অধিবাসীরা এই শরবত পান করতো।
আইশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মধু দ্বারা বানানো মদ সম্বন্ধে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেনঃ সকল প্রকারের নেশা সৃষ্টিকারী পানীয়ই হারাম। সহীহ্, ইবনু মাজাহ্ (৩৩৮৬), বুখারী ও মুসলিম।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রত্যেক পানীয়, যা মাদকতা সৃষ্টি করে, তা হারাম।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর নিকট মধুর তৈরি শরাব সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেনঃ প্রত্যেক নেশাযুক্ত পানীয়ই হারাম।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে মধুর শরাব সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেনঃ প্রত্যেক পানীয় যাতে মাদকতা রয়েছে তা হারাম। আর মধুর শরাবকে বিত্‘ বলা হয়।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্ললাহ্ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মধুর তৈরি শরাব সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেনঃ যে বস্তুই মাদকতা আনে তা হারাম। আর বিত্‘ হলো মধুর তৈরি শরাব।